সোমবার, ২৬ আগস্ট ,২০১৯

Bangla Version
SHARE

শুক্রবার, ১৪ জুন, ২০১৯, ১২:২৬:০৪

বেতন-ভাতা-ভর্তুকিতে সরকারের বরাদ্দ ৬০ শতাংশ, উন্নয়নে ৪০

বেতন-ভাতা-ভর্তুকিতে সরকারের বরাদ্দ ৬০ শতাংশ, উন্নয়নে ৪০

ডেস্ক রিপোর্টঃ-২০১৯-২০ অর্থবছরের জন্য ৫ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকার প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন শুরু করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। বৃহস্পতিবার ৩টার পর স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর অনুমতি নিয়ে তিনি বাজেট উপস্থাপন করতে শুরু করেন। পরে তিনি অসুস্থ বোধ করায় বাজেটের অর্থমন্ত্রীর বাজেট ঘোষণার পরবর্তী অংশ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পাঠ করেছেন।
বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে উত্থাপিত বাজেট ২০১৯-২০ থেকে দেখা যায়, এবার বেতন, ভাতা, ভর্তুকি, সুদ, পেনশন ইত্যাদি নিয়ে গঠিত অনুন্নয়ন খাতে সরকারের বরাদ্দ মোট বাজেটের শতকরা প্রায় ৫৯ দশমিক ৫ শতাংশ। আর বাকি শতকরা প্রায় ৪০ দশমিক ৫ শতাংশ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে দেশের উন্নয়ন খাতগুলোতে।
এবারের প্রস্তাবিত বাজেটে উন্নয়ন খাতে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ২ লাখ ১১ হাজার ৬৮৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে সামাজিক নিরাপত্তা ও কল্যাণ খাতে বরাদ্দ ধরা হয়েছে শতকরা ২ দশমিক ৭ শতাংশ বা প্রায় ৫ হাজার ৭১৫ কোটি টাকা। জনপ্রশাসন খাতে বরাদ্দ ধরা হয়েছে শতকরা ৬ দশমিক ১ শতাংশ বা প্রায় ১২ হাজার ৯১৩ কোটি টাকা। স্বাস্থ্য খাতে উন্নয়ন বরাদ্দ ধরা হয়েছে শতকরা ৫ দশমিক ৮ শতাংশ বা প্রায় ১২ হাজার ২৭৭ কোটি টাকা। কৃষি খাতে উন্নয়ন বরাদ্দ ধরা হয়েছে শতকরা ৫ দশমিক ৪ শতাংশ বা প্রায় ১১ হাজার ৪৩১ কোটি টাকা।
শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে উন্নয়ন বরাদ্দ ধরা হয়েছে শতকরা ১৮ দশমিক ১ শতাংশ বা প্রায় ৩৮ হাজার ৩১৫ কোটি টাকা। স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন খাতে বরাদ্দ ধরা হয়েছে শতকরা ১৫ দশমিক ৪ শতাংশ বা প্রায় ৩২ হাজার ৫৯৯ কোটি টাকা। পরিবহন ও যোগাযোগ খাতে উন্নয়ন বরাদ্দ ধরা হয়েছে শতকরা ২৬ দশমিক ১ শতাংশ বা প্রায় ৫৫ হাজার ২৪৯ কোটি টাকা। জ্বালানি ও বিদ্যুতের উন্নয়ন খাতে বরাদ্দ ধরা হয়েছে ১৩ দশমিক ২ শতাংশ বা প্রায় ২৭ হাজার ২৪২ কোটি টাকা। এছাড়া অন্যান্য উন্নয়ন খাতে বরাদ্দ ধরা হয়েছে শতকরা ৭ দশমিক ২ শতাংশ বা প্রায় ১৫ হাজার ২৪১ কোটি টাকা।
অপর দিকে এবারের বাজেটে অনুন্নয়ন খাতে মোট বরাদ্দ ধরা হয়েছে ৩ লাখ ১১ হাজার ৫০৭ কোটি টাকা। এর মধ্যে বিভিন্ন সুদ খাতে বরাদ্দ ধরা হয়েছে ১৮ দশমিক ৩ শতাংশ বা প্রায় ৫৭ হাজার কোটি টাকা। শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে বরাদ্দ ধরা হয়েছে ১৩ দশমিক ২ শতাংশ বা প্রায় ৪১ হাজার ১১৯ কোটি টাকা। প্রতিরক্ষা খাতে বরাদ্দ ধরা হয়েছে ৮ দশমিক ৭ শতাংশ বা প্রায় ২৭ হাজার ১০১ কোটি টাকা। জনশৃংখলা ও নিরাপত্তা খাতে বরাদ্দ ধরা হয়েছে ৭ দশমিক ২ শতাংশ বা প্রায় ২২ হাজার ৪২৮ কোটি টাকা। পেনশন খাতে বরাদ্দ ধরা হয়েছে ৮ দশমিক ৭ শতাংশ বা প্রায় ২৭ হাজার ১০১ কোটি টাকা। জনপ্রশাসন খাতে বরাদ্দ ধরা হয়েছে ৯ দশমিক ৮ শতাংশ বা প্রায় ৩০ হাজার ৫২৮ কোটি টাকা।
পরিবহন ও যোগাযোগ খাতে বরাদ্দ ধরা হয়েছে ২ দশমিক ৭ শতাংশ বা প্রায় ৮ হাজার ৪১১ কোটি টাকা। সামাজিক নিরাপত্তা ও কল্যাণ খাতে বরাদ্দ ধরা হয়েছে ৬ দশমিক ৫ শতাংশ বা প্রায় ২০ হাজার ২৪৮ কোটি টাকা। স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ ধরা হয়েছে ৪ দশমিক ৩ শতাংশ বা প্রায় ১৩ হাজার ৩৯৫ কোটি টাকা। কৃষি খাতে বরাদ্দ ধরা হয়েছে ২ দশমিক ৬ শতাংশ বা প্রায় ৮ হাজার ৯৯ কোটি টাকা। ভর্তুকি ও প্রণোদনা খাতে বরাদ্দ ধরা হয়েছে ১৪ দশমিক ১ শতাংশ বা প্রায় ৪৩ হাজার ৯২২ কোটি টাকা। স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন খাতে বরাদ্দ ধরা হয়েছে ১ দশমিক ৭ শতাংশ বা প্রায় ৫ হাজার ২৯৬ কোটি টাকা।
গৃহায়ন খাতে বরাদ্দ ধরা হয়েছে দশমিক ৫ শতাংশ বা প্রায় ১ হাজার ৫৫৭ কোটি টাকা। বিনোদন, সংস্কৃতি ও ধর্ম খাতে বরাদ্দ ধরা হয়েছে দশমিক ৮ শতাংশ বা প্রায় ২ হাজার ৪৯২ কোটি টাকা। শিল্প ও অর্থনৈতিক সার্ভিস খাতে বরাদ্দ ধরা হয়েছে দশমিক ৪ শতাংশ বা প্রায় ১ হাজার ২৪৬ কোটি টাকা। অন্যান্য খাতে বরাদ্দ ধরা হয়েছে দশমিক ৫ শতাংশ বা প্রায় ১ হাজার ৫৫৭ কোটি টাকা।

এই বিভাগের আরও খবর

  রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনে চাপ অব্যাহত আছে-মার্কিন রাষ্ট্রদূত

  ডেঙ্গু পরিস্থিতি: আক্রান্ত আরো ১৪৪৬ জন, দুই গৃহবধূর মৃত্যু

  দেশের উন্নয়নে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি কাজে লাগাতে রাষ্ট্রপতির আহ্বান

  রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশ আরও কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে-পররাষ্ট্রমন্ত্রী

  ড্রিমলাইনার গাংচিলের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

  একুশে আগস্টের হামলায় নিহতদের স্মরণে আওয়ামী লীগের শ্রদ্ধা

  আজ ইতিহাসের ভয়াবহতম গ্রেনেড হামলার ১৫তম বার্ষিকী

  তিস্তার ব্যাপারে প্রতিশ্রুতি আছে-জয়শঙ্কর

  ২২ আগস্ট থেকে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু

  ঘুষ দেওয়া-নেওয়া দুটোই সমান অপরাধ-প্রধানমন্ত্রী

  ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি ১৪৬০ জন

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তির প্রেক্ষাপটে আইইডিসিআরের সাবেক পরিচালক মাহমুদুর রহমান বলছেন, মৃত্যুর ঘটনাগুলো ‘রিভিউ’ করার কোনো প্রয়োজন নেই, চিকিৎসকদের কথাই যথেষ্ট। আপনি কি তাকে সমর্থন করেন?