বুধবার, ২৬ জুন ,২০১৯

Bangla Version
SHARE

বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন, ২০১৯, ০২:৩৭:৩৪

যে ঘুষ গ্রহণ করবে, যে দেবে দুজনকেই ধরা হবে-প্রধানমন্ত্রী

যে ঘুষ গ্রহণ করবে, যে দেবে দুজনকেই ধরা হবে-প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্টঃ-প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশের অর্থনীতি ও সামাজিক যে অগ্রযাত্রা শুরু হয়েছে, তা অব্যাহত রাখতে হবে। সমাজ থেকে অন্যায় অবিচার দূর করতে হবে। শুধু বাহিনীর উপর নির্ভরশীল তা নয়, সামাজিকভাবে সচেতন করতে হবে। দুর্নীতি আমরা করব না, কাউকে দুর্নীতি করতে দেব না। ঘুষ যে গ্রহণ করবে, ঘুষ যে দেবে- তারা উভয়ই অপরাধী। দুইজনকেই ধরা হবে। শুধু ঘুষ নিলে তাকে ধরা হবে তা নয়, যে দেবে তাকেও ধরা হবে। কারণ ঘুষ দেওয়াটাও অপরাধ।
বুধবার সংসদ অধিবেশনে জাতীয় পার্টির (জাপা) বেগম রওশন আরা মান্নানের সম্পূরক এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, সব সময় নিজেকে বাংলাদেশের জনগণের একজন সেবক মনে করি। প্রধানমন্ত্রীত্বটা হলো একটা সুযোগ মানুষের জন্য কাজ করার। আমি সার্বক্ষণিক চেষ্টা করি সেই সুযোগটুকু কাজে লাগিয়ে দেশের মানুষের কতটা উন্নয়ন করা যায়। দেশের মানুষের আর্থ সামাজিক উন্নতি কতটা করা যায়। অন্যায় অবিচারের হাত থেকে দেশের মানুষকে কীভাবে রক্ষা করা যায়।
দেশ থেকে দুর্নীতি, অন্যায়, অবিচার দূর করতে সামাজিক সচেতনতা গড়ে তুলতে দলমত নির্বিশেষে দেশবাসীর সহযোগিতা কামনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সাধারণ ছোট-খাটো চোর ধরতে পারবে, কিন্তু বড় অর্থশালী-বিত্তশালী হলে তাদের হাত দেওয়া যাবে না, ধরা যাবে না- এটা তো হয় না। আমার চোখে অপরাধী যে অপরাধীই। তাদের বিরুদ্ধে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যদি কোনো ধরণের অপরাধের সঙ্গে আমাদের দলেরও কেউ যদি সম্পৃক্ত থাকে, আমি তাদেরকে ছাড় দিচ্ছি না, ছাড় দেব না। আর অন্য কেউ যদি করে তারা তো ছাড় পাবেই না।
তিনি আরো বলেন, শাসনটা ঘর থেকেই করতে হবে, আমিও তাই করছি। এমনকি আইন-শৃঙ্খলা সংস্থার কেউ এ ধরণের অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকে, সঙ্গে সঙ্গে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিচ্ছি এবং এটা অব্যাহত থাকবে। কারণ এটা সমাজের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশের অর্থনীতি ও সামাজিক যে অগ্রযাত্রা শুরু হয়েছে, তা অব্যাহত রাখতে হবে। সমাজ থেকে অন্যায় অবিচার দূর করতে হবে। শুধু বাহিনীর উপর নির্ভরশীল তা নয়, সামাজিকভাবে সচেতন করতে হবে। দুর্নীতি আমরা করব না, কাউকে দুর্নীতি করতে দেব না। ঘুষ যে গ্রহণ করবে, ঘুষ যে দেবে- তারা উভয়ই অপরাধী। দুইজনকেই ধরা হবে। শুধু ঘুষ নিলে তাকে ধরা হবে তা নয়, যে দেবে তাকেও ধরা হবে। কারণ ঘুষ দেওয়াটাও অপরাধ।
বুধবার সংসদ অধিবেশনে জাতীয় পার্টির (জাপা) বেগম রওশন আরা মান্নানের সম্পূরক এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, সব সময় নিজেকে বাংলাদেশের জনগণের একজন সেবক মনে করি। প্রধানমন্ত্রীত্বটা হলো একটা সুযোগ মানুষের জন্য কাজ করার। আমি সার্বক্ষণিক চেষ্টা করি সেই সুযোগটুকু কাজে লাগিয়ে দেশের মানুষের কতটা উন্নয়ন করা যায়। দেশের মানুষের আর্থ সামাজিক উন্নতি কতটা করা যায়। অন্যায় অবিচারের হাত থেকে দেশের মানুষকে কীভাবে রক্ষা করা যায়।
দেশ থেকে দুর্নীতি, অন্যায়, অবিচার দূর করতে সামাজিক সচেতনতা গড়ে তুলতে দলমত নির্বিশেষে দেশবাসীর সহযোগিতা কামনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সাধারণ ছোট-খাটো চোর ধরতে পারবে, কিন্তু বড় অর্থশালী-বিত্তশালী হলে তাদের হাত দেওয়া যাবে না, ধরা যাবে না- এটা তো হয় না। আমার চোখে অপরাধী যে অপরাধীই। তাদের বিরুদ্ধে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যদি কোনো ধরণের অপরাধের সঙ্গে আমাদের দলেরও কেউ যদি সম্পৃক্ত থাকে, আমি তাদেরকে ছাড় দিচ্ছি না, ছাড় দেব না। আর অন্য কেউ যদি করে তারা তো ছাড় পাবেই না।
তিনি আরো বলেন, শাসনটা ঘর থেকেই করতে হবে, আমিও তাই করছি। এমনকি আইন-শৃঙ্খলা সংস্থার কেউ এ ধরণের অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকে, সঙ্গে সঙ্গে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিচ্ছি এবং এটা অব্যাহত থাকবে। কারণ এটা সমাজের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এই বিভাগের আরও খবর

  পতাকাবাহী জাহাজের খসড়া আইন অনুমোদন মন্ত্রিসভায়

  ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত সোনার বাংলা গড়ব-প্রধানমন্ত্রী

  দক্ষিণ এশিয়ার নারীদের রয়েছে গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস-স্পিকার

  তিউনিসিয়া থেকে ফিরলেন সাগরে ভাসা ১৭ বাংলাদেশি

  বাংলাদেশের ভূমি ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা করবে রাশিয়া

  দেশে বেকারের সংখ্যা ২৬ লাখ ৭৭ হাজার

  রোহিঙ্গাদের কারণে ধ্বংস হয়েছে পাহাড়ি বনাঞ্চল-প্রধানমন্ত্রী

  টিকায় আস্থায় বিশ্বের শীর্ষস্থানে বাংলাদেশ

  একনেকে ৮০৫৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ১১ প্রকল্প অনুমোদন

  দেশের সব বিমানবন্দরে ‘ডগ স্কোয়াড’ ইউনিট রাখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

  ব্যাংকে তারল্য সংকট নেই-প্রধানমন্ত্রী

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

বিএনপির সমালোচনার জবাবে দুই মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন হওয়ার বিষয়টি তুলে ধরে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, এতে প্রমাণিত হয়েছে যে দেশে বিচার বিভাগ স্বাধীন। আপনি কি তার যুক্তিতে সন্তুষ্ট?