সোমবার, ১৯ আগস্ট ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

বুধবার, ১০ এপ্রিল, ২০১৯, ০৩:০৬:৫৫

একনেকে আখাউড়া-সিলেট রেলপথ প্রকল্পে ১৬ হাজার কোটি টাকা অনুমোদন

একনেকে আখাউড়া-সিলেট রেলপথ প্রকল্পে ১৬ হাজার কোটি টাকা অনুমোদন

ডেস্ক রিপোর্টঃ-জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (একনেক) নির্বাহী কমিটি রেলওয়ের আখাউড়া-সিলেট রেলপথ প্রকল্পে ১৬ হাজার ১শ ৪ কোটি ৪৪ লাখ টাকা অনুমোদন দিয়েছে। মিটার গেজ রেলপথকে ডুয়েল গেজে পরিবর্তন করার লক্ষ্যে অনুমোদিত এ অর্থ ব্যয় হবে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে একনেক বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।
বৈঠক শেষে পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান জানান, একনেক বৈঠকে ১৮ হাজার ১৯১ কোটি ৩৮ লাখ টাকার মোট সাতটি নতুন প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। প্রকল্প ব্যয়ের ৬ হাজার ৬শ ২২ কোটি ৪৩ লাখ টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে এবং অবশিষ্ট ১১ হাজার ৫৬৮ কোটি ৯৫ লাখ টাকা বিদেশি সাহায্য হিসেবে জোগান দেওয়া হবে।
আখাউড়া-সিলেট ডুয়েল গেজে প্রকল্পটি ২০২৫ সালের জুনের মধ্যে বাস্তবায়িত হবে। এটি বাস্তবায়নে প্রকল্প সহায়তা হিসেবে জি টু জি’র আওতায় ১০ হাজার ৬৫৪ কোটি ৩৬ লাখ টাকা চীন থেকে নেওয়া হবে। প্রকল্পের আওতায় ২২৫ কিলোমিটার মিটার গেজ রেলপথ ২৩৯ দশমিক ১৪ কিলোমিটার ডুয়েল গেজে রূপান্তরিত করা হবে।
পরিকল্পনা মন্ত্রী বলেন, অপর প্রধান প্রকল্পের আওতায় ৪৯টি বড়, ২৩৭টি ছোট রেলসেতু, ২২টি স্টেশনের সিগনালিং ব্যবস্থা, ১৬ হাজার ৬৯০ বর্গমিটার আবাসিক ভবন নির্মাণ, ব্যারাক ও ডরমিটরি এবং ২শ দশমিক ৩০ একর ভূমি অধিগ্রহণ রয়েছে।
পরিকল্পনা মন্ত্রী বলেন, চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে মার্চ পর্যন্ত সময়ে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়নের হার ৪৭ দশমিক ২৪ শতাংশ। এ সময়ে ৮৩ হাজার ৪৩২ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। এর আগের বছরে এই একই সময়ে এডিপি বাস্তবায়নের হার ছিল ৪৫ দশমিক ৬৫ শতাংশ। এ সময়ে ৭১ হাজার ৯৪০ কোটি টাকা ব্যয় হয়।
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী কোনো সরকারি প্রতিষ্ঠান স্থাপনের আগে পর্যাপ্ত উন্মুক্ত স্থান, বারান্দা এবং ভ্যান্টিলেটর সিস্টেম, ফায়ার ইস্টিংগুইশিং সিস্টেম রাখা এবং পুকুর ও জলাধার রাখার বিষয়েও নির্দেশনা দেন। এক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্তদের প্রয়োজনীয় ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনেরও নির্দেশ দেন।
একনেক সভায় দেশে ভারতীয় বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে ৯১৯ দশমিক ৮৫ কোটি টাকার ভারতীয় অর্থনৈতিক জোনের অনুমোদন দেওয়া হয়। ২০২১ সালের জুনের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে। এটি বাস্তবায়নে ভারতের তৃতীয় ক্রেডিট লাইন থেকে প্রায় ৯২০ কোটি টাকা পাওয়া যাবে।
এছাড়া প্রধান প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে প্রায় ১৫২ লাখ কিউবিক মিটার ভূমি উন্নয়ন, পানি সরবরাহ ও ড্রেজিং নিশ্চিত করতে ফেনী নদী থেকে ৯ কিলোমিটার দীর্ঘ পাইপ লাইন স্থাপন, ১০ কিলোমিটার দীর্ঘ সংযোগ সড়ক স্থাপন, একটি পাম্প স্টেশন স্থাপন, একটি জলাধার, ইন্টারনাল লিংকেজ, বহির্ড্রেন লাইন নির্মাণ, ৫ হাজার মিটার সীমানা দেয়াল নির্মাণ প্রভৃতি।

এই বিভাগের আরও খবর

  ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি ১৪৬০ জন

  ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ৫০ হাজার, বাড়ি ফিরেছেন ৮৪ শতাংশ

  জাতীয় শোক দিবসে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

  আজ জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ৪৪তম শাহাদত বার্ষিকী

  ঈদের ছুটিতে অফিসে লার্ভা নিধন নজরদারিতে রাখার নির্দেশ

  সমুদ্র বন্দরসমূহে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

  যুক্তরাজ্য সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী

  ডেঙ্গুর খবর বেশি প্রকাশিত হওয়ায় মানুষ আতংকিত হয়ে পড়ছে-প্রধানমন্ত্রী

  আগস্টে আরো ভয়ংকর রূপ নিয়েছে ডেঙ্গু

  যতদিন বেঁচে আছি বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পূরণে কাজ করে যাবো-প্রধানমন্ত্রী

  রাজনৈতিক সদিচ্ছার অভাবে দেশে রাষ্ট্রীয়ভাবে আদিবাসী দিবস পালন করা হয় না-সন্তু লারমা

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তির প্রেক্ষাপটে আইইডিসিআরের সাবেক পরিচালক মাহমুদুর রহমান বলছেন, মৃত্যুর ঘটনাগুলো ‘রিভিউ’ করার কোনো প্রয়োজন নেই, চিকিৎসকদের কথাই যথেষ্ট। আপনি কি তাকে সমর্থন করেন?