শুক্রবার, ২৩ আগস্ট ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

শনিবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী, ২০১৯, ০৮:৩১:৩০

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুজব ছড়ানোর বড় প্লাটফর্ম-তথ্যমন্ত্রী

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুজব ছড়ানোর বড় প্লাটফর্ম-তথ্যমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্টঃ-সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুজব ছড়ানোর বড় প্লাটফর্ম হয়ে দাঁড়িয়েছে উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, এখন সময় এসেছে এসব বৈশ্বিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করার।
‘এটি (সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম) শুধু দেশে নয়, বিদেশে অবস্থান করেও অন্যের বিরুদ্ধে লেখা ও গুজব রটানো সম্ভব। তাই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম শুধু বাংলাদেশের চিন্তার বিষয় নয়। এটিকে এখন বৈশ্বিকভাবে নিয়ম-নীতির মধ্যে আনার সময়ে এসেছে’, বলেন মন্ত্রী।
শনিবার (৯ ফেব্রুয়ারী) রাজধানীর কসমস সেন্টারে ইউনাইটেড নিউজ অব বাংলাদেশের (ইউএনবি) জেলা প্রতিনিধি সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বর্তমান সরকারের আমলে দেশে গণমাধ্যমের বিস্তৃতি ঘটেছে। এর সাথে পাল্লা দিয়ে মিথ্যা সংবাদও বেড়েছে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেরও বিপ্লব ঘটেছে।
বাংলাদেশে এখন প্রায় আট কোটি ইন্টারনেট ব্যবহারকারী রয়েছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, অবাধ এই ইন্টারনেটের যুগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অপব্যবহারও বেড়েছে।
এই অবস্থায় সাংবাদিকদের সতর্ক দৃষ্টি রাখার আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অসম্পাদিত সংবাদ বাড়ার ফলে এখন আপনাদের সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে।
ড. হাছান আরও বলেন, দায়িত্বে থাকলে ভুল হতে পারে। দায়িত্বে না থাকলে ভুল হওয়ার প্রশ্নই আসে না। আপনারা ভুলের গঠনমূলক সমালোচনা করেন। গঠনমূলক সমলোচনা কাজকে শাণিত করে। কিন্তু সমালোচনা অন্ধ হলে আমাদের হতাশ করে।
ইউএনবি-কে অন্য গণমাধ্যমের চেয়ে আলাদা উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘তারা সংবাদ পরিবেশনে সতর্কতা অবলম্বন করে। এজন্য তাদের বিশ্বাসযোগ্যতাও বেশি। গত কয়েক দশক ধরে তারা এ কাজটি ভালোভাবে করে যাচ্ছে। আশা করছি, ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে।’
‘মিথ্যা সংবাদের যুগে সাংবাদিকতা’ শ্লোগানে শুরু হওয়া এবারের জেলা প্রতিদিনধি সম্মেলনের উদ্বোধনী পর্বে স্বাগত বক্তব্য দেন ইউএনবি এডিটর ইন চিফ এনায়েতউল্লাহ খান।
উপস্থিত জেলা প্রতিনিধিদের দায়িত্বশীলতার সাথে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আপনাদের দলমত আলাদা আলাদা থাকতে পারে, কিন্তু দায়িত্ব পালনে আপনাদের পেশাগত পরিচয় দিতে হবে।
ইউএনবি এডিটর ইন চিফ এনায়েতউল্লাহ খানের বক্তব্যের সূত্র ধরে তথ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা প্রত্যেকে কোনো না কোনো দলমতে বিশ্বাস করতে পারি। কিন্তু সংবাদ পরিবেশনে সেই মতাদর্শ দ্বারা প্রভাবিত হওয়া যাবে না।
গণমাধ্যমের স্বাধীনতা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। আমরা নবম মুজুরি বোর্ড নিয়ে কাজ করছি। গণমাধ্যম নীতিমালা তৈরি হয়েছে। এটাকে আইনে পরিণত করতে হবে।
গণমাধ্যমের স্বাধীনতার সাথে দায়িত্বশীলতা ওতোপ্রতোভাবে জড়িত উল্লেখ করে তিনি বলেন, রাষ্ট্র, সমাজ ও দেশের কল্যাণে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও দায়িত্বশীলতা একসাথে থাকতে হবে।
সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেন, একবিংশ শতাব্দিতে এসে মিথ্যা সংবাদের কথা শুনতে হতে হচ্ছে; এটা আমাদের জন্য লজ্জার ও কষ্টের।
কারণ সংবাদ মানেই সত্য, সংবাদ মিথ্যা হতে পারে না। সাংবাদিকতা বস্তুনিষ্ঠতার বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই, যোগ করেন সাংবাদিকতা বিভাগের এই অধ্যাপক।
বর্তমানে ইন্টারনেটের চরম অপব্যবহার হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, সংবাদ হলো পারমাণবিক বোমার মতো। পারমাণবিক বোমার অপব্যবহার নিয়ন্ত্রণে যেমন বিশ্বজুড়ে আইন ও নীতিমালা রয়েছে তেমনি মিথ্যা সংবাদ নিয়স্ত্রণেও নীতিমাল করতে হবে। কারণ মিথ্যা সংবাদ দেশ ও জাতির উপর ব্যাপক প্রভাব ফেলে।
বিভিন্ন পর্বে শুরু হওয়া ইউএনবির জেলা প্রতিনিধি সম্মেলন ঢাকাসহ সারাদেশে কর্মরত ইউএনবির শতাধিক সাংবাদিক সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন।-ইউএনবি

এই বিভাগের আরও খবর

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তির প্রেক্ষাপটে আইইডিসিআরের সাবেক পরিচালক মাহমুদুর রহমান বলছেন, মৃত্যুর ঘটনাগুলো ‘রিভিউ’ করার কোনো প্রয়োজন নেই, চিকিৎসকদের কথাই যথেষ্ট। আপনি কি তাকে সমর্থন করেন?