শুক্রবার, ২৩ আগস্ট ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

বৃহস্পতিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী, ২০১৯, ০৭:৩০:৩০

দেশের উন্নয়নে সশস্ত্র বাহিনীকে আরও ভূমিকা রাখতে হবে-প্রধানমন্ত্রী

দেশের উন্নয়নে সশস্ত্র বাহিনীকে আরও ভূমিকা রাখতে হবে-প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্টঃ-দেশে উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে সশস্ত্র বাহিনীর কাছ থেকে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা প্রত্যাশা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার মিরপুর সেনানিবাসে সামরিক বাহিনী কমান্ড অ্যান্ড ডিফেন্স কলেজে কোর্স সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তব্যে একথা বলেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সশস্ত্র বাহিনীর কাজের প্রশংসা করে বলেন, সশস্ত্র বাহিনী স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক। দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌত্বের পাশাপাশি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় সশস্ত্র বাহিনী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। দেশের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতেও সশস্ত্র অবদান রাখছে।
এই উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে সশস্ত্র বাহিনীর আরও সহযোগিতার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যতে জাতির প্রয়োজনে সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা ও উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে সশস্ত্র বাহিনীকে আরও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে হবে।
বিশ্বশান্তি রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেনাবাহিনী বহির্বিশ্বেও দায়িত্ব পালন করছে। তারা সেখানে শুধু শান্তিরক্ষায়ই দায়িত্ব পালন করছে না, বরং সামাজিক কর্মকাণ্ডেও অংশ নিচ্ছে। এতে দেশের বাইরেও সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকা প্রশংসিত হচ্ছে।
সশস্ত্র বাহিনীর প্রশিক্ষণে বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা সশস্ত্র বাহিনী স্টাফ কোয়ার্টার কলেজ নির্মাণ করেছি। প্রশিক্ষণ কারিকুলামে আরও সময়োপযোগী পরিবর্তন আনছি। ভবিষ্যতে এসব কলেজের প্রশিক্ষণ কলেবরকে আরও আধুনিক করব।
এ বছর ডিফেন্স সার্ভিস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজ কোর্সে সেনাবাহিনীর ১১৮ জন, নৌবাহিনীর ২৯ জন, বিমান বাহিনীর ২৩ জন এবং যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও ভারতসহ ১৯ দেশের ৪৫ জন কর্মকর্তা কোর্স সম্পন্ন করেছেন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বাহিনী প্রধানদের পাশাপাশি মন্ত্রিপরিষদের সদস্য এবং ঊর্ধ্বতন সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এই বিভাগের আরও খবর

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তির প্রেক্ষাপটে আইইডিসিআরের সাবেক পরিচালক মাহমুদুর রহমান বলছেন, মৃত্যুর ঘটনাগুলো ‘রিভিউ’ করার কোনো প্রয়োজন নেই, চিকিৎসকদের কথাই যথেষ্ট। আপনি কি তাকে সমর্থন করেন?