মঙ্গলবার, ১৯ জুন ,২০১৮

Bangla Version
SHARE

বৃহস্পতিবার, ০৭ জুন, ২০১৮, ০৬:০১:৩৩

বাজেটে যেসব পণ্যের দাম কমছে

বাজেটে যেসব পণ্যের দাম কমছে

ডেস্ক রিপোর্টঃ-অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত জাতীয় সংসদে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব করেছেন। ‘সমৃদ্ধ আগামীর পথযাত্রায় বাংলাদেশ’ প্রত্যয়ে নিয়ে এবার ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব করা হয়েছে।
এবারের প্রস্তাবিত বাজেট অনুসারে বেশ কিছু পণ্যের দাম কমতে পারে। একনজরে দেখে নেওয়া যাক সেসব পণ্যের তালিকা-
১. মোটরসাইকেল উপকরণ আমদানিতে রেয়াতি সুবিধা প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া ১৮০০ সিসি পর্যন্ত হাইব্রিড মোটরগাড়ি আমদানিতে সম্পূরক শুল্ক ৪৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২০ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। ফলে এ পণ্যগুলোর দাম কমতে পারে।
২. ওষুধশিল্পের কাঁচামাল আমদানিতে শুল্ক কমানো, ক্যানসার নিরোধক ওষুধ প্রস্তুতের জন্য আমদানি পর্যায়ে কতিপয় উপকরণের রেয়াতি সুবিধা প্রদান এবং ওষুধশিল্পের উৎপাদনের ব্যবহৃত কাঁচামালের রাসায়নিকে রেয়াতি সুবিধা দেওয়া হয়েছে। ফলে ওষুধ পণ্যের দাম কমতে পারে।
৩. পোলট্রি ফিডের প্রয়োজনীয় উপকরণ সয়াবিন ওয়েল, ফ্লাওয়ারের ওপর শুল্ক হ্রাস করে শূন্য করা হয়েছে তবে রেগুলেটরি ডিউটি ৫ শতাংশ করা হয়েছে। ফিশিং নেট আমদানিতে শুল্ক প্রণোদনার প্রদানের প্রস্তাব করা হয়েছে।
৪. গুঁড়া দুধ প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পের কাঁচামাল ফিল্ড মিল্ক পাউডার বাল্ক আমদানিতে শুল্ক ১০ শতাংশ কমানো হয়েছে।
৫. বৈদ্যুতিক সরঞ্জামের মধ্যে কার্বন রডের শুল্ক কমেছে। কর্নফ্লাওয়ার, অ্যালুমিনিয়ামের তার আমদানিতে শুল্ক হ্রাস করা হয়েছে।
৬. দেশীয় মুদ্রণশিল্প রক্ষায় মুদ্রণশিল্পের কাঁচামালে শুল্ক ১০ শতাংশ হ্রাস করা হয়েছে।
৭. বল পয়েন্ট কলমের কালি আমদানি পর্যায়ে ভ্যাট প্রত্যাহার করা হয়েছে। ছবি ছাপানোর পণ্যসামগ্রীতে শুল্ক কমানো হয়েছে। ফ্লাক্স ফাইবারে আমদানি শুল্ক প্রত্যাহার করা হয়েছে।
এ ছাড়া স্কুল বাস সার্ভিস চালুর আগ্রহ প্রকাশ করলে বিশেষ শুল্ক সুবিধায় আমদানির সুযোগ দেওয়া হবে। সিগারেট, বিড়ি, জর্দাসহ সব ধরনের তামাকজাত পণ্য প্রস্তুতকারী ব্যবসা থেকে অর্জিত আদায় অপরিবর্তিত আছে ও অ্যালুমিনিয়ামের তারে রেগুলেটরি ডিউটি বাড়ছে।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, চলমান মাদকবিরোধী অভিযানে তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে কাজ হচ্ছে, এখানে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। বাস্তবে তা ঘটবে বলে মনে করেন?