বুধবার, ২৫ এপ্রিল ,২০১৮

Bangla Version
  
SHARE

সোমবার, ০৯ এপ্রিল, ২০১৮, ০২:৫০:২৫

যে ৫ দফা দাবিতে রাজপথে শিক্ষার্থীরা

যে ৫ দফা দাবিতে রাজপথে শিক্ষার্থীরা

ডেস্ক রিপোর্টঃ-বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার আন্দোলন পরিষদের ব্যানারে আন্দোলন করে আসছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। তাদের দাবি, কোটা বাতিল নয়, সংস্কার চাই। এজন্য তারা ৫ দফা দাবি ঘোষণা করেছেন।
সেগুলো হলো: কোটার পরিমাণ ৫৬ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করা, কোটার যোগ্য প্রার্থী না পেলে শূন্যপদে মেধায় নিয়োগ, বিশেষ নিয়োগ পরীক্ষা না নেওয়া, সকলের জন্য অভিন্ন বয়সসীমা নির্ধারণ করা, চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় কোটা সুবিধা একাধিকবার ব্যবহারের সুযোগ না দেওয়া।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দেশের প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে প্রচলিত বিদ্যমান কোটা ব্যবস্থায় মাত্র ২.৬৩ শতাংশ নাগরিকের জন্য রয়েছে ৩৬ শতাংশ কোটা। এর মধ্যে ১.২ শতাংশ ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জন্য শতকরা ০৫ ভাগ, ১.৪০ শতাংশ প্রতিবন্ধীর জন্য ০১ ভাগ এবং ০.১৩ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা এবং তাদের পোষ্যদের জন্য শতকরা ৩০ ভাগ কোটা।
এছাড়া ১০ ভাগ নারী এবং ১০ ভাগ জেলা কোটাসহ সরকারি প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির চাকরিতে কোটার পরিমাণ ৫৬ ভাগ। বাকি মাত্র ৪৪ শতাংশ পদের জন্য লড়াই করতে হয় লাখ লাখ মেধাবী চাকরি প্রত্যাশীকে।
তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণিতের এই কোটার পরিমাণ আরও ভয়াবহ বলে অভিযোগ করছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। তাদের দাবি, এই দুই শ্রেণির চাকরিতে কোটার পরিমাণ প্রায় ৭০ শতাংশ।

এই বিভাগের আরও খবর

  দ্বিতীয় মেয়াদের শপথ নিলেন আবদুল হামিদ

  রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ দ্বিতীয় মেয়াদে শপথ নেবেন আজ

  সৌদি আরব ও যুক্তরাজ্য সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী

  রোহিঙ্গা ইস্যুতে স্বাধীন তদন্ত দাবি কমনওয়েলথে

  টাইম ম্যাগাজিনের ১০০ প্রভাবশালীর তালিকায় শেখ হাসিনা

  এশীয় নেতাদের গোল টেবিল বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাঃ এশিয়ার দেশগুলো বিশ্বকে সমৃদ্ধ করতে পারে

  রোহিঙ্গাদের নিরাপদে দেশে ফিরতে কাজ করছে যুক্তরাষ্ট্র

  তারেককে লন্ডন থেকে ফিরিয়ে আনার অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর

  নেপালে বিমান বিধ্বস্তের প্রাথমিক রিপোর্ট প্রকাশ

  চাকরিতে কোটার দরকার নেই, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও প্রতিবন্ধীদের বিশেষ ব্যবস্থা-প্রধানমন্ত্রী

  শিক্ষা খাতে কোন ভ্যাট আরোপ হবে না-প্রধানমন্ত্রী

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

সাবেক সিইসি কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ বলেছেন, নির্বাচনে ‘লেভেল প্লেইং ফিল্ড’ প্লেটে তুলে দেওয়া যায় না; রাজনৈতিক দলগুলো মাঠে নামলে খেলতে খেলতেই সবার জন্য সমান সুযোগ তৈরি হয়। আপনি কি তা মনে করেন?