রবিবার, ২২ এপ্রিল ,২০১৮

Bangla Version
SHARE

রবিবার, ০৮ এপ্রিল, ২০১৮, ০৮:৩৯:৫৩

সংসদের ২০তম অধিবেশন চলবে ১২ এপ্রিল পর্যন্ত

সংসদের ২০তম অধিবেশন চলবে ১২ এপ্রিল পর্যন্ত

ডেস্ক রিপোর্টঃ-জাতীয় সংসদের ২০তম অধিবেশন শুরু হয়েছে। অধিবেশন চলবে ১২ এপ্রিল পর্যন্ত। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে আজ বিকেল ৫টায় অধিবেশন শুরু হয়। বৈঠকের শুরুতে স্পিকার স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়ার সফলতায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্মরণ করেন। একইসঙ্গে এ দেশের জনগণ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানান তিনি।
এরআগে কার্য উপদেষ্টা কমিটির বৈঠকের শুরুতে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়ায় কমিটির পক্ষ থেকে স্পিকার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।
এসময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, সকলেই এই অভিনন্দন পাওয়ার যোগ্য বিশেষ করে এ অর্জন বাংলাদেশের জনগণের। তিনি বলেন, বাংলাদেশ পারে এবং কেউ বাংলাদেশকে দাবায়ে রাখতে পারবে না।
সংসদ ভবনে আজ অনুষ্ঠিত ‘কার্য উপদেষ্টা কমিটি’র বিশতম বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।  সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বিরোধী দলীয় নেতা রওশন এরশাদ, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম, আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ, ওর্য়াকার্স পার্টিও সভাপতি রাশেদ খান মেনন, চীফ হুইপ আ.স.ম. ফিরোজ, জাসদের নির্বাহী সভাপতি মইন উদ্দীন খান বাদল এবং আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন। বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সিনিয়র সচিব ড. মোঃ আবদুর রব হাওলাদার বৈঠকের কার্যপত্র উপস্থাপন করেন।
সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত কার্যউপদেষ্টা কমিটির সভায় আগামী ১২ এপ্রিল পর্যন্ত অধিবেশন পরিচালনার সিদ্ধান্ত হয়। তবে স্পিকার প্রয়োজন মনে করলে অধিবেশনের মেয়াদ বাড়াতে বা কমাতে পারবেন। বৈঠকে জানানো হয়, সংসদে পাশের অপেক্ষায় আছে ১টি বিল। কমিটিতে পরীক্ষাধীন আছে ১১টি বিল। সংবিধানের ১৭তম সংশোধনী বিলসহ উত্থাপনের অপেক্ষায় আছে ৪টি বিল। এছাড়া অনিষ্পন্ন ৯টি বেসরকারী বিল এ অধিবেশনে রয়েছে।
সভাপতিমন্ডলী মনোনয়ন:
স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকারের অনুপস্থিতিতে সংসদ পরিচালনার জন্য চলতি অধিবেশনের সভাপতিমন্ডলী মনোনয়ন দেয়া হয় এমপি ড. আব্দুর রাজ্জাক, আব্দুল কুদ্দুস, আবদুল মজিদ খান, অ্যাডভোকেট জিয়াউল হক মৃধা ও অ্যাডভোকেট নাভানা আক্তারকে।
শোক প্রস্তাব গৃহীত:
এছাড়া স্পিকার সাবেক মন্ত্রী ও এমপিদের মৃত্যুতে সংসদে শোক প্রস্তাব উস্থাপন করেন। এরমধ্যে রয়েছেন এম. মতিউর রহমান, আমান উল্লাহ খান, মোহাম্মদ ইউসুফ, সরফুদ্দিন আহমেদ ঝন্টু, আবদুর রব চৌধুরী, মো. মোজাহার আলী প্রধান, একেএম খায়রুজ্জামান ও খন্দকার মফিজুর রহমান। এছাড়া তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ধীরাজ কুমার নাথ, মুক্তিযোদ্ধা ও ভাস্কর ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণী, আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের মা বেগম ফজিলাতুল নেসা, পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের মা সায়েরা খাতুন, বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর ও চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক মো. ছৈয়দুর রহমান, কথাসাহিত্যিক শওকত আলী, ভাষা সৈনিক গাজী শহীদুল্লাহ, মুক্তিযোদ্ধা কাঁকন বিবি, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য এএসএম জাকারিয়া স্বপন ও কণ্ঠশিল্পী শাম্মী আখতারের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করা হয়।
এছাড়া নেপালে বিমান বিধ্বস্তে হতাহতে, মালিতে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা বাহিনীতে নিয়োজিত বাংলাদেশি সেনা সদস্য, রাশিয়ার শপিংমলে অগ্নিকাণ্ডে এবং দেশ-বিদেশের বিভিন্ন স্থানে দুর্ঘটনায় নিহতদের স্মরণে শোক করা হয়। পরে মৃতদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়াসহ এক মিনিট নীরবতা পালন ও  মোনাজাত করা হয়।

এই বিভাগের আরও খবর

  রোহিঙ্গা ইস্যুতে স্বাধীন তদন্ত দাবি কমনওয়েলথে

  টাইম ম্যাগাজিনের ১০০ প্রভাবশালীর তালিকায় শেখ হাসিনা

  এশীয় নেতাদের গোল টেবিল বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাঃ এশিয়ার দেশগুলো বিশ্বকে সমৃদ্ধ করতে পারে

  রোহিঙ্গাদের নিরাপদে দেশে ফিরতে কাজ করছে যুক্তরাষ্ট্র

  তারেককে লন্ডন থেকে ফিরিয়ে আনার অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর

  নেপালে বিমান বিধ্বস্তের প্রাথমিক রিপোর্ট প্রকাশ

  চাকরিতে কোটার দরকার নেই, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও প্রতিবন্ধীদের বিশেষ ব্যবস্থা-প্রধানমন্ত্রী

  শিক্ষা খাতে কোন ভ্যাট আরোপ হবে না-প্রধানমন্ত্রী

  কোটার ব্যাপারে মে মাসের ৭ তারিখের মধ্যে পরীক্ষা-নিরীক্ষা-ওবায়দুল কাদের

  রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তনে চীনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে-চীনা রাষ্ট্রদূত

  যে ৫ দফা দাবিতে রাজপথে শিক্ষার্থীরা

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

সাবেক সিইসি কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ বলেছেন, নির্বাচনে ‘লেভেল প্লেইং ফিল্ড’ প্লেটে তুলে দেওয়া যায় না; রাজনৈতিক দলগুলো মাঠে নামলে খেলতে খেলতেই সবার জন্য সমান সুযোগ তৈরি হয়। আপনি কি তা মনে করেন?