শনিবার, ২০ জানুয়ারী ,২০১৮

Bangla Version
  
SHARE

বুধবার, ১৫ নভেম্বর, ২০১৭, ০১:৪৭:২৫

আজ ভয়াল ১৫ নভেম্বর, সিডরের ১০ বছর

আজ ভয়াল ১৫ নভেম্বর, সিডরের ১০ বছর

ডেস্ক রিপোর্টঃ-আজ ১৫ নভেম্বর, সিডরের ১০ বছর। ২০০৭ সালের এ রাতে শতাব্দীর সবচেয়ে ভয়াল সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাস ও ঘূর্ণিঝড় উপকূলীয় অঞ্চল লন্ড-ভণ্ড করে দিয়েছিল। উপকূলীয় অঞ্চলের শত-শত মানুষের জীবন প্রদীপ নিভে যায়। এখনো নিখোঁজ রয়েছে বহু মানুষ। মারা গিয়েছিল হাজার হাজার গবাদি পশু। আগের দিনও যে জনপদ ছিল মানুষের কোলাহলে মুখরিত, মাঠ জুড়ে ছিল কাঁচা-পাকা সোনালি ধানের সমারোহ, পরের দিনই সেই চির চেনা জনপথ পালটে যায়।
এদিন বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপে সকাল থেকে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছিল। নিম্নচাপটি কয়েক বার গতি পরিবর্তন করে মধ্যরাতে অগ্নিমূর্তি ধারণ করে। রাতে ঘূর্ণিঝড়টি আঘাত হানে ভোলা, পটুয়াখালী, বরগুনা উপকূলীয় অঞ্চলে। ঝড়ের তীব্রতা কমে যাওয়ার পর শুরু হয় স্বজনদের খোঁজাখুঁজি। কারও বাবা নেই, কারও মা নেই।
আবার কারও নেই স্ত্রী, পুত্র কন্যা, ভাই-বোন, দাদা-দাদী, নানা-নানী, মামা-মামী, খালা-খালু, চাচা-চাচি, গাছের ডালে কিংবা বাড়ি ঘরের খুঁটির সঙ্গে ঝুলে আছে স্বজনদের লাশ। যে দিকে দৃষ্টি যায় শুধু লাশ আর লাশ। উপকূলের বাতাসে কানপাতলেই মৃত্যু পথযাত্রি শত মানুষের চিৎকার আর স্বজনদের আহাজারি। ১০ বছর পেরিয়ে গেলেও সেদিনের দুঃসহ স্মৃতি আজও জেগে আছে স্বজনহারাদের মাঝে। দুঃস্বপ্নের মত আজও তাড়া করে তাদের।
প্রতিবছর দিনটিকে স্মরণ করতে স্বজন হারা মানুষেরা মিলাদ মাহফিল, দোয়া মোনাজাত, কোরআনখানি ও নানাবিধ আয়োজন করে থাকে।

এই বিভাগের আরও খবর

  আইভীর ব্রেইনে হ্যামারেজ হয়েছে

  দেশে ফিরে রোহিঙ্গাদের সেনা আশ্রয়েই থাকতে হবে

  বাঁকা পথের সন্ধানকারীরা নির্বাচন এলেই সক্রিয় হয়ে ওঠে-প্রধানমন্ত্রী

  উন্নত দেশগুলোকে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানোর আহবান প্রধানমন্ত্রীর

  একনেকে ১৪ প্রকল্প অনুমোদনঃ তিন হাজার মাধ্যমিক স্কুল ভবন নির্মাণ করা হবে

  রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠাতে মাঠপর্যায়ের চুক্তি চূড়ান্ত

  সরকারের আশ্বাসে অনশন স্থগিত করেছেন ইবতেদায়ির শিক্ষকরা

  সংসদ নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হবে অক্টোবরে-সিইসি

  জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণেঃ‘সংবিধান মেনেই’ ভোট, তাতে সবাইকে চান প্রধানমন্ত্রী

  তৃণমূল মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে কাজ করছে সরকার-প্রধানমন্ত্রী

  উন্নয়ন মেলা উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

পুলিশের আইজিপি এ কে এম শহিদুল হক বলেছেন, ‘দেশকে জঙ্গি, মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত করতে হলে পুলিশের পাশাপাশি জনগণকে কাজ করতে হবে।’ আপনিও কি তাই মনে করেন?