মঙ্গলবার, ১৯ জুন ,২০১৮

Bangla Version
SHARE

রবিবার, ২২ অক্টোবর, ২০১৭, ০১:৫৮:২৭

তিনদিন বন্ধ থাকবে প্রথম সাবমেরিন কেবল

তিনদিন বন্ধ থাকবে প্রথম সাবমেরিন কেবল

ডেস্ক রিপোর্টঃ-মেরামত কাজের জন্য রোববার (২২ অক্টোবর) মধ্যরাত থেকে দেশের প্রথম সাবমেরিন কেবল (এসইএ-এমই-ডব্লিউই-৪) তিন দিনের জন্য বন্ধ থাকবে। এ সময়ে ব্যান্ডউইথের ঘাটতির কারণে ইন্টারনেটের গতি কম হতে পারে। সাবমেরিন কেবলের মালিক প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিসিএল) ও ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
২০০৫ সালে চালুর পর প্রথমবারের মতো এ সাবমেরিন কেবল সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিয়ে এর মেরামত করা হবে।
২০০৫ সালে প্রথম সাবমেরিন কেবলের (সাউথ ইস্ট এশিয়া-মিডিল ইস্ট-ওয়েস্টার্ন ইউরোপ-৪) সঙ্গে সংযুক্ত হয় বাংলাদেশ। চলতি বছরের সেপ্টেম্বর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়েছে দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল।
বিএসসিসিএলের কর্মকর্তারা বলছেন, সম্প্রতি চালু হওয়া দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল (এসইএ-এমই-ডব্লিউই-৫) ও ভারত থেকে আমদানি করা ব্যান্ডউইথ দিয়ে ইন্টারনেট ঘাটতি মেটানোর চেষ্টা করা হবে। বর্তমানে দেশে ইন্টারনেট ব্যান্ডউইটথের দৈনিক চাহিদা ৪৫০ জিবিপিএস (গিগাবাইট প্রতি সেকেন্ড)। এর মধ্যে প্রথম সাবমেরিন কেবল থেকে ২৫০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইটথ পাওয়া যায়। বাকি ২০০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইটথ ভারত থেকে আইটিসি (ইন্টারন্যাশনাল টেরেস্ট্রিয়াল কেবল) কোম্পানির মাধ্যমে আমদানি করা হয়।
বিএসসিসিএল এখন পর্যন্ত দুবার প্রথম সাবমেরিন কেবলের মেরামত কাজের তারিখ পিছিয়েছে। এর আগে প্রথম ২২ সেপ্টেম্বর থেকে মেরামত শুরু করার কথা থাকলেও পরে আরেক দফা সময় বদল করা হয়। এই কেবলের ল্যান্ডিং স্টেশন কক্সবাজারে অবস্থিত। ল্যান্ডিং স্টেশন থেকে ১১৫ কিলোমিটার দূরে একটি রিপিটার প্রতিস্থাপনের জন্য এ মেরামত কাজ চলবে বলে জানা গেছে।
জানতে চাইলে ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর সংগঠন আইএসপিএবির সভাপতি এম এ হাকিম প্রথম আলোকে বলেন, মেরামতকাজের জন্য প্রথম সাবমেরিন কেবল বন্ধ থাকার বিষয়টি বিএসিসিএল থেকে জানানো হয়েছে। এতে দেশের ইন্টারনেটের গতির ওপর কিছুটা নেতিবাচক প্রভাব পড়বে, তবে তা সাময়িক সময়ের জন্য।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, চলমান মাদকবিরোধী অভিযানে তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে কাজ হচ্ছে, এখানে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। বাস্তবে তা ঘটবে বলে মনে করেন?