রবিবার, ২১ জুলাই ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

শনিবার, ২২ জুন, ২০১৯, ০৮:৫৯:৩৬

দেশের কৃষি ও কৃষকের প্রতি বঙ্গবন্ধুর মমতা ছিল অপরিমেয়-মো. শানে আলম

দেশের কৃষি ও কৃষকের প্রতি বঙ্গবন্ধুর মমতা ছিল অপরিমেয়-মো. শানে আলম

লিটন ভট্টচার্য্য রানা, খাগড়াছড়িঃ-কৃষিই সমৃদ্ধি এই প্রতিপাদ্য বিষয়ে শনিবার সকালে বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা) উপকেন্দ্র খাগড়াছড়ি এর আয়োজনে বিনা উদ্ভাবিত জাত ও প্রযুক্তি বিষয়ক গণশুনানী অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিনা উপকেন্দ্রের প্রশিক্ষণ কক্ষে গণশুনানীর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা পরিষদ এর চেয়াম্যান মো. শানে আলম।
প্রধান অতিথির বক্তব্য খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা পরিষদ এর চেয়াম্যান মো. শানে আলম, বলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৩ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি ময়মনসিংহে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে কৃষি গ্র্যাজুয়েটদের জন্য প্রথম শ্রেণীর পদমর্যাদা ঘোষণা করেছিলেন। বঙ্গবন্ধু সেদিন বলেছিলেন, 'আমি তোদের পদমর্যদা দিলাম, তোরা আমার মান রাখিস'। তখন থেকে কৃষিবিদরা প্রথম শ্রেণীর মর্যাদা লাভ করেন। শিক্ষার্থীদের সেদিন কাগজ কলম বইয়ের পাশাপাশি প্যান্ট- কোট খুলে গ্রামে কৃষকদের সঙ্গে কাজ করার আহবান জানিয়েছিলেন। তিনি স্পষ্টভাবে সেদিন বলেছিলেন সবুজ বিল্পব ব্যতিত দেশের অগ্রগতি সম্ভব নয়। বঙ্গবন্ধুই এদেশে কৃষি বিল্পবের সূচনা করেছিলেন। বেশ কিছু যুগান্তকারী পদক্ষেপও নিয়েছিলেন। তার মধ্যে আধুনিক কৃষি গবেষণার ব্যবস্থা করা, কৃষিতে ভর্তুকি প্রদান, কৃষিঋণের সহজীকরণ ও সমবায় চাষ পদ্ধতির প্রচলন অন্যতম। কিন্তু দুঃখের বিষয়, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ঘাতকের নির্মম বুলেটের আঘাতে স্বপরিবারে না ফেরার দেশে চলে যান সারাবাংলার মেহনতি মানুষের নেতা বঙ্গবন্ধু। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার সঙ্গে সঙ্গে দেশের কৃষির অগ্রযাত্রাও স্থিমিত হয়ে যায়।
দেশের কৃষি ও কৃষকের প্রতি বঙ্গবন্ধুর মমতা ছিল অপরিমেয়। তিনি জানতেন যে কৃষির উন্নয়ন করতে হলে আগে কৃষি গবেষণার দিকে জোড় দিতে হবে। কৃষি গবেষণায় মেধাবীদের উদ্বুদ্ধ করতে তিনি কৃষিবিদদের প্রথম শ্রেণির মর্যাদা দিয়েছিলেন। তাইতো কৃষিবিদরা আজও কৃতজ্ঞ চিত্তে বলেন ‘বঙ্গবন্ধুর অবদান, কৃষিবিদ ক্লাস ওয়ান’। বর্তমান সরকার এমন এক ডিজেটাল করে দিয়েছে কৃষি অফিসারা মাঠে এসে স্বশরিলে এসে তারা কৃষক ও কৃষানিদের বুঝিয়ে দিচ্ছেন। ভালো ফসল নিজ ঘরে তোলা যায়। পার্বত্য এলাকার বাসিরা এখন বঙ্গবন্ধু স্বপ্ন বাস্তবায়ন করছে।
খাগড়াছড়ি বিনা উপকেন্দ্র, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কৃষিবিদ রিগ্যান গুপ্ত এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। খাগড়াছড়ি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এর উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মোহাম্মদ মর্তুজ আলী।
বিনা উপকেন্দ্র খাগড়াছড়ি বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, কৃষিবিদ মো. জুয়েল সরকার এর সঞ্চালয়নায় গণশুনানী শেষে ৫০ জন কৃষক ও কৃষাণীদের মাঝে জলমগ্নতা সহিষ্ণু বোরো মৌসুমের বিনা- ১১ ধান জাতের ৪ কেজি করে বীজ বিতরণ করা হয়।
এসময় বক্তারা পাহাড়ী অঞ্চল উপযোগী বিভিন্ন ফসল ও পাহাড়ী অঞ্চলের কৃষিকে কিভাবে এগিয়ে নেয়া যায় এবং অর্থনৈতিক ভাবে লাভবান করা যায় এ বিষয়ে বিনা জাত ও প্রযুক্তি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

এই বিভাগের আরও খবর

  খাগড়াছড়িতে বর্নাঢ্য র‌্যালি মধ্যদিয়ে বৃক্ষরোপন অভিযান ও বৃক্ষমেলা এবং ফল প্রদর্শনী উদ্বোধন

  নিজেদের সাংস্কৃতিক ধরে রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে-কংজরী চৌধুরী

  লক্ষ্মীছড়িতে ছেলে ধরা সন্দেহে ৪ যুবক আটক

  শুধু কাজ করলে হবে না মানবতার সেবায়ও এগিয়ে আসতে হবে সকলকে-মেয়র মো: রফিকুল আলম

  খাগড়াছড়িতে গুলিতে মৌসুমি ফল ব্যবসায়ী আহত, চট্টগ্রাম মেডিকেলে প্রেরণ

  দীঘিনালায় জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও আলোচনা সভা

  জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে খাগড়াছড়িতে র‌্যালি ও আলোচনা সভা

  দীঘিনালায় জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন

  খাগড়াছড়িতে এইচএসসির পাশের হার ৪৯.৯৩ঃ জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৫ জন

  বর্ণাঢ্য আয়োজনে ৩০ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারী মাটিরাঙ্গা জোনের ২৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

  খাগড়াছড়ি’র নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে গুরুত্বপুর্ণ প্রতিষ্ঠান

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

এলডিপি সভাপতি অলি আহমদ বলেছেন, বাংলাদেশে এখন টাকা থাকলে সব রকম অন্যায় করে পার পাওয়া যায়। আপনি কি তা ঠিক মনে করেন?