সোমবার, ১৯ আগস্ট ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল, ২০১৯, ০৯:১৭:৩০

আঞ্চলিক সংগঠনের আধিপত্য বিস্তারে পানছড়ি বাজার বয়কটের ১১মাস, নেই প্রশাসনের কোন তৎপরতা

আঞ্চলিক সংগঠনের আধিপত্য বিস্তারে পানছড়ি বাজার বয়কটের ১১মাস, নেই প্রশাসনের কোন তৎপরতা

পানছড়িঃ-২০১৮ সালের ১৯ মে আঞ্চলিক সংগঠন ইউপিডিএফ (প্রসীত খীসা) পানছড়ি বাজার বয়কটের ঘোষণা দিলে তার কার্যকারিতা শুরু হয় ২০ মে থেকে। আর ২০১৯ সালের শুক্রবার (১৯ এপ্রিল) বয়কটের ঘোষণা পূর্ণ হলো এগার মাসে। আর এখনো পর্যন্ত কোন কুলকিনারা করতে পারেনি প্রশাসন।
আর এরই মাঝে ক্রেতার অভাবে বহু ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী অন্যত্র চলে যেতে বাধ্য হচ্ছে আবার অনেক অন্যত্র চলে গেছে। তারপরও এর সমাধানে প্রশাসনিক কোন তৎপরতা নজরে আসেনি বলে দাবি ব্যবসায়ীদের। রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক নেতৃবৃন্দরা পরিদর্শনে এসে বহুবার আশ্বাস প্রদান করলেও তা বাস্তবে কিছুই হয়নি বরং বয়কটের আদেশ দিন দিন কঠোর থেকে কঠোরতম হয়ে বাজার ক্রেতাশূণ্য হয়ে পড়ছে। তাই সামনের দিনগুলোতে ব্যবসায়ীরা আরো নিঃস্ব হওয়া সময়ের ব্যাপার মাত্র বলেও শুনা যায়।
কারণ জানতে চাইলে কয়েক ব্যবসায়ী জানায়, উপজেলার পূজগাং, কলেজ গেইট ও কুড়াদিয়াছড়ায় নিত্য জমে উঠে জমজমাট হাট। সরকারি, বেসরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বাজারে না এসে রাস্তার পাশে জমে ওঠা হাট থেকেই কিনে নেয় নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি। যা প্রশাসন ও বাজার চৌধুরীকে এক ধরণের বৃদ্ধাঙ্গুলী প্রদর্শনের মতোই। তারপরও প্রশাসনের নীরব ভুমিকায় দোকানীরা হতাশ।
জানা যায়, ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক) ও জনসংহতি সমিতির কিছু সদস্য পানছড়ি বাজারস্থ শুকতারা বোডিংয়ে অবস্থানের কারণেই বয়কটের ডাক দেয় ইউপিডিএফ। তার পাশাপাশি রয়েছে ভ্রাতিঘাতি সংঘর্ষ ও আধিপত্য বিস্তারের জের।
এ ব্যাপারে দু’পক্ষের বক্তব্যতেই উঠে আসে আলাদা আলাদা যুক্তি। ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক) খাগড়াছড়ি জেলা প্রধান শ্যামল কান্তি চাকমা (জলেয়া) জানায়, বাজার বয়কট সম্পুর্ণ জনস্বার্থ বিরোধী। গ্রামাঞ্চলের মানুষ ও ব্যবসায়ীদের অস্ত্র দিয়ে ভয়-ভীতি দেখিয়ে চাঁদা আদায় ও হয়রানি বন্ধ করলে আমরাও বিভিন্ন এলাকার দোকানপাটে কোন চাপ প্রয়োগ করবো না। তাছাড়া শুকতারা বোডিং ভাড়া নিয়ে যে কেউ থাকতে পারে তার জন্য বাজার বয়কটের ঘোষণা কেউ দিতে পারেনা।
ইউপিডিএফ (প্রসীত) গ্রুপের পানছড়ি ইউনিট সমন্বয়কারী প্রানেশ চাকমা জানায়, শুকতারা বোডিংয়ে বহিরাগতদের অবস্থানের কারণে পাহাড়ীরা স্বঃতষ্ফুর্তভাবে বাজার বয়কট করেছে। বাজারে অবস্থান করে তারা সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে অবৈধভাবে চাঁদা আদায় করছে। এসব বন্ধ করার নিশ্চয়তা পেলে হয়তো একটা ভালো খবর আসতে পারে।
তবে দীর্ঘ এগার মাস অতিবাহিত হলেও এর কোন সুরাহার লক্ষন দেখা যাচ্ছেনা। সকল সম্প্রদায়ের মিলন মেলার এই বাজারে ক্রেতাবিহীন দোকানপাটে অলস সময় পার করছে প্রায় পাঁচ শতাধিক দোকানী। তাছাড়া পাহাড়ি সম্প্রদায়ের লোকজনও তাদের উৎপাদিত ফসলাদি বাজারজাত করতে না পেরে পড়েছে বিপাকে। ফলে বাজারে বিভিন্ন পন্যের মূল্য ক্রেতা ক্রয়সীমার বাইরে।
এদিকে বেসরকারি এনজিও আশা, ব্র্যাক, পদক্ষেপ, গ্রামীন ব্যাংক থেকে লোন নেয়া ব্যবসায়ীরা পরিশোধ করতে পারছে না সাপ্তাহিক কিস্তি। ব্যবসায়ীদের দাবি বাজারের স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে কারো কোন আন্তরিকতা দেখা যাচ্ছে না। প্রশাসন হস্তক্ষেপ করলে এটা সমাধান করা কোন ব্যাপারই না। পানছড়ি বাজারের ক্রেতা-বিক্রেতার সহবস্থান নিশ্চিতসহ বিভিন্ন সমস্যাদি সমাধানকল্পে প্রশাসনকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান বাজার ব্যবসায়ী ও ভূক্তভোগী জনগণ।

এই বিভাগের আরও খবর

  খাগড়াছড়িতে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী কামাল হোসেন’র অফিস দখলের চেষ্টার অভিযোগের বিরুদ্ধে মামলা

  খাগড়াছড়িতে সিরিজ বোমা হামলার প্রতিবাদে কালো পতাকা মিছিল ও সমাবেশ

  রামগড়ে ফের ডাকাতি, স্বেচ্ছাসেবকলীগের নেতাসহ আটক-৪

  দুষ্ককৃতিকারীরা বঙ্গবন্ধুকে মেরেছে! তার স্বপ্ন মারতে পারে নাই-আলহাজ্ব কাশেম

  বঙ্গবন্ধু বাকী খুনিদের দেশে ফিরিয়ে এনে, ফাঁসি‘র রায় কার্যকর করা প্রধান কাজ-কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি

  বেতন বোনাস না পেয়ে পানছড়ি বেসরকারী মাধ্যমিক শিক্ষক-কর্মচারীদের ক্ষোভ

  খাগড়াছড়িতে ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হয়ে এক রোগীর মৃত্যু, ডেঙ্গু আক্রান্ত ৬০ জন

  খাগড়াছড়িতে আদিবাসী দিবসে বাঙ্গালী সংগঠনের কর্মসূচী

  পার্বত্য শান্তি চুক্তি এখনো বাস্তবায়ন হয়নি ফলে পাহাড়ে স্থায়ী শান্তি ফিরেনি

  ডেঙ্গু শনাক্তে কিট ক্রয়ে ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা অনুদান দিলেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরী

  ডেঙ্গু নিয়ে আতঙ্কিত না হয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন-কংজরী চৌধুরী

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তির প্রেক্ষাপটে আইইডিসিআরের সাবেক পরিচালক মাহমুদুর রহমান বলছেন, মৃত্যুর ঘটনাগুলো ‘রিভিউ’ করার কোনো প্রয়োজন নেই, চিকিৎসকদের কথাই যথেষ্ট। আপনি কি তাকে সমর্থন করেন?