বুধবার, ১৮ জুলাই ,২০১৮

Bangla Version
SHARE

মঙ্গলবার, ১০ জুলাই, ২০১৮, ০৪:১৩:০৯

রামগড়ে পুকুরে ডুবে ৯ম শ্রেণির ছাত্রের মৃত্যু

রামগড়ে পুকুরে ডুবে ৯ম শ্রেণির ছাত্রের মৃত্যু

রামগড়ঃ-খাগড়াছড়ির রামগড়ে স্কুলের পুকুরে গোসল করতে নেমে পানিতে ডুবে মারা গেছে আবু জোবায়ের (১৫) নামে ৯ম শ্রেণির এক ছাত্র। সোমবার (৯ জুলাই) রাত ৯টায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। মৃত আবু জোবায়ের রামগড় পৌরসভার চৌধুরীপাড়া এলাকার বাসিন্দা আব্দুল খালেকের পুত্র।
স্বজনরা জানায়, রামগড় সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণীর ছাত্র আবু জোবায়ের সোমবার বিকাল ৫টার দিকে পরীক্ষা শেষে মাঠে খেলাধুলার পর কয়েকজন সহপাঠীসহ স্কুলের পুকুরে গোসল করতে যায়। পুকুরে নামার পরপরই সে ডুবে যায়। সঙ্গীরা তাকে না দেখে খুঁজতে থাকে। এক পর্যায়ে পুকুরের সিঁড়ির নীচে পানিতে ডুবন্ত অবস্থায় তাকে খুঁজে পায় বন্ধুরা। উদ্ধারের পর তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। রাত ৯টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
নিহতের বড় ভাই মাওলানা আব্দুস সামাদ জানান, আবু জোবায়ের সাঁতার জানতো না। তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে সহপাঠীসহ স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীদের মাঝে শোকের ছাঁয়া নেমে আসে।

এই বিভাগের আরও খবর

  দীঘিনালায় ২ কেজি গাঁজাসহ আটক-১

  নেতাকর্মীদের মুক্তির দাবি না মানলে খাগড়াছড়ি বিএনপি আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবে

  আজকের শিক্ষার্থীরা বড় হয়ে এলাকার জন্য ভাল কিছু করতে হবে-ফেরদৌস জিয়াউদ্দিন মাহমুদ

  খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় জেএসএস কর্মীকে প্রথমে গুলি ও পরে গলা কেটে হত্যা

  রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়িতে রথযাত্রা উৎসব

  খাগড়াছড়িতে ৫ হাজার পিস মার্বেল পাথর ও বিপুল পরিমাণ গুলতিসহ ৩ জনকে আটক

  শিশুদের সুস্থ ও সবল মন নিয়ে বেড়ে উঠা প্রয়োজন-কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি

  খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের ওপর সন্ত্রাসীদের হামলা, আটক-৪

  খাগড়াছড়িতে ব্রাশ ফায়ারে ২ দিনের ব্যবধানে ইউপিডিএফ কর্মী খুন, প্রতিপক্ষের হামলায় তিন কর্মী আহত

  মিড-ডে মিল’ চালু হলে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আর অভুক্ত থাকবে না-কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি

  রাউজানে স্কুল ছাত্রী ও কাউখালীতে মারমা নারীকে ধর্ষণের প্রতিবাদে খাগড়াছড়িতে তিন সংগঠনের বিক্ষোভ

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, চলমান মাদকবিরোধী অভিযানে তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে কাজ হচ্ছে, এখানে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। বাস্তবে তা ঘটবে বলে মনে করেন?