বুধবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ,২০১৯

Bangla Version
SHARE

বৃহস্পতিবার, ০৬ ডিসেম্বর, ২০১৮, ০৬:২২:৪০

খাগড়াছড়িতে বিদেশী অস্ত্র ও গুলিসহ ইউপিডিএফ নেতা আনন্দ চাকমার আত্মসমর্পন

খাগড়াছড়িতে বিদেশী অস্ত্র ও গুলিসহ ইউপিডিএফ নেতা আনন্দ চাকমার আত্মসমর্পন

খাগড়াছড়িঃ-ইউপিডিএফ এর রাঙ্গামাটি জেলার নানিয়ারচর অঞ্চলের বিচার ও সাংগঠনিক পরিচালক আনন্দ চাকমা ওরফে (পরিচিত) একটি বিদেশী অস্ত্র ও ৩ রাউন্ড গুলিসহ নিরাপত্তা বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পন করেছেন। বুধবার (৫ ডিসেম্বর) রাতে মহালছড়ি সেনা জোনের অধিনায়কের কাছে একটি পিস্তল, ম্যাগজিন, তিন রাউন্ড গুলিসহ আনন্দ চাকমা আত্মসমপর্ণ করে। তিনি খাগড়াছড়ি জেলার দীঘিনালা উপজেলার মনোরঞ্জন চাকমার ছেলে।
বৃহস্পতিবার (৬ ডিসেম্বর) দুপুরে খাগড়াছড়ি প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সাথে মুখোমুখি করলে আনন্দ চাকমা জানান, আদর্শহীন ইউপিডিএফ’র খুন, গুম, অপহরণ, চাঁদাবাজির কারণে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার আশায় অস্ত্র সমর্পণ করেছেন তিনি। সরকার ঘোষণা দিলে ইউপিডিএফ’র অনেক নেতাকর্মী স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার জন্য অপেক্ষা করছেও বলে জানান তিনি।
আনন্দ চাকমা বলেন, প্রসিত বিকাশ খীসা’র নেতৃত্বাধীন ইউপিডিএফ এর কাছে একে-৪৭, এসএমজি, চাইনিজ রাইফেল, এলএমজি, একাশি ও এম-১৬-এর মতো বিপুল ভারী আগ্নেয়াস্ত্র রয়েছে। আনন্দ চাকমার বাড়ি খাগড়াছড়ি জেলার দীঘিনালায়। গেলো প্রায় ৩৬ বছর ধরে গেরিলা জীবন কাটচ্ছেন। ৪ বছর ধরে তিনি ইউপিডিএফ এর সঙ্গে জড়িত। তারও আগে জনসংহতি সমিতি ও শান্তিবাহিনীর সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন।
রাঙ্গামাটি জেলার নানিয়াচর সার্কেলের বিচার ও সাংগঠনিক শাখার পরিচালক আনন্দ চাকমা আরো জানান, জীবনের ৩০ বছর আমি জঙ্গলে জঙ্গলে ঘুরে জীবন যাপন করেছি। কিন্তু দুঃখের বিষয় পাহাড়ি জনগোষ্ঠির অধিকার আদায় ও তাদের উন্নতির যে লক্ষ্য নিয়ে যুবক বয়সে এই আন্দোলনের সাথে যুক্ত হয়েছিলাম তা থেকে ইউপিডিএফ সম্পূর্ণভাবে বিচ্যুত। ইউপিডিএফ’র কোন নীতি ও আদর্শ নেই। তারা সকলেই চাঁদাবাজি, মানুষকে হয়রানি আর ভয়ভীতি ও অন্যায়-অত্যাচার করে নিজেদের আখের গোছাতে ব্যস্ত। গুম, খুন, হত্যা ও অপহরণই বর্তমানে তাদের কাজ। আমারও স্ত্রী, এক ছেলে ও ডিগ্রী ৩য় বর্ষে পড়ুয়া একটি মেয়ে রয়েছে। এ কারণে অনেক ভেবে চিন্তে অন্যায়ের পথ ছেড়ে সুস্থ, স্বাভাবিক ও শান্তিপূর্ণ জীবনে ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমার মত অনেকেই স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে চায়। কিন্তু ইউপিডিএফ হত্যার ভয় দেখাচ্ছে। এ জন্য তারা স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারছে না।
আনন্দ চাকমা জানান, জঙ্গলের অস্বাভাবিক জীবন ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনের ফিরে আসায় পরিবারের সদস্যরা আনন্দিত। আমার এক ছেলে সরকারি চাকরি করছে। আমার মেয়ে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হচ্ছে। আমিও এই স্বাধীন দেশের উন্নয়নের ধারায় সম্পৃক্ত করে আমার বাকী জীবনটা একজন আদর্শ নাগরিক হিসেবে সুখে শান্তিতে কাটাতে চাই।

এই বিভাগের আরও খবর

  সুশিক্ষিত ভবিষ্যৎ প্রজম্ম আগামীতে এদেশের নেতৃত্বের হাল ধরবে-কংজরী চৌধুরী

  মাদকের প্রভাব বিস্তার রোধে প্রয়োজন সামাজিক আন্দোলন ও জনসচেতনতা

  প্রায় চার বছর পর সম্মেলনের পথে খাগড়াছড়ি জেলা ছাত্রলীগ

  জীবিত এরশাদের চেয়ে মৃত এরশাদ অনেক শক্তিশালী-সোলায়মান আলম শেঠ

  জিপিএ ৫-নয় সুশিক্ষায় শিক্ষিত হতে হবে-কংজরী চৌধুরী

  খাগাড়ছড়ির মানিকছড়িতে সেফটি টাংকির স্লাব ভেঙ্গে স্কুল ছাত্রের মৃত্যু

  খাগড়াছড়িতে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে মধুপূর্ণিমা উদযাপিত

  পার্বত্য অধিকার ফোরামের প্রতিষ্ঠাকালিন গঠনতন্ত্র প্রকাশ ও কেন্দ্রীয় কার্যালয় উদ্বোধন উপলক্ষে খাগড়াছড়িতে সংবাদ সম্মেলন

  দীঘিনালায় দুদক‘র গণশুনানিঃ সাত দিনের মধ্যে বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়ার নির্দেশ-দুদক সচিব

  কুসংস্কার দুর করে নারী-পুরুষের সমন্বয়ে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে-বিমল কান্তি চাকমা

  খাগড়াছড়িতে গ্রীষ্মকালীন টমেটো উৎপাদন শীর্ষক মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তির প্রেক্ষাপটে আইইডিসিআরের সাবেক পরিচালক মাহমুদুর রহমান বলছেন, মৃত্যুর ঘটনাগুলো ‘রিভিউ’ করার কোনো প্রয়োজন নেই, চিকিৎসকদের কথাই যথেষ্ট। আপনি কি তাকে সমর্থন করেন?