সোমবার, ২৭ মে ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

বৃহস্পতিবার, ০৬ ডিসেম্বর, ২০১৮, ০৬:২২:৪০

খাগড়াছড়িতে বিদেশী অস্ত্র ও গুলিসহ ইউপিডিএফ নেতা আনন্দ চাকমার আত্মসমর্পন

খাগড়াছড়িতে বিদেশী অস্ত্র ও গুলিসহ ইউপিডিএফ নেতা আনন্দ চাকমার আত্মসমর্পন

খাগড়াছড়িঃ-ইউপিডিএফ এর রাঙ্গামাটি জেলার নানিয়ারচর অঞ্চলের বিচার ও সাংগঠনিক পরিচালক আনন্দ চাকমা ওরফে (পরিচিত) একটি বিদেশী অস্ত্র ও ৩ রাউন্ড গুলিসহ নিরাপত্তা বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পন করেছেন। বুধবার (৫ ডিসেম্বর) রাতে মহালছড়ি সেনা জোনের অধিনায়কের কাছে একটি পিস্তল, ম্যাগজিন, তিন রাউন্ড গুলিসহ আনন্দ চাকমা আত্মসমপর্ণ করে। তিনি খাগড়াছড়ি জেলার দীঘিনালা উপজেলার মনোরঞ্জন চাকমার ছেলে।
বৃহস্পতিবার (৬ ডিসেম্বর) দুপুরে খাগড়াছড়ি প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সাথে মুখোমুখি করলে আনন্দ চাকমা জানান, আদর্শহীন ইউপিডিএফ’র খুন, গুম, অপহরণ, চাঁদাবাজির কারণে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার আশায় অস্ত্র সমর্পণ করেছেন তিনি। সরকার ঘোষণা দিলে ইউপিডিএফ’র অনেক নেতাকর্মী স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার জন্য অপেক্ষা করছেও বলে জানান তিনি।
আনন্দ চাকমা বলেন, প্রসিত বিকাশ খীসা’র নেতৃত্বাধীন ইউপিডিএফ এর কাছে একে-৪৭, এসএমজি, চাইনিজ রাইফেল, এলএমজি, একাশি ও এম-১৬-এর মতো বিপুল ভারী আগ্নেয়াস্ত্র রয়েছে। আনন্দ চাকমার বাড়ি খাগড়াছড়ি জেলার দীঘিনালায়। গেলো প্রায় ৩৬ বছর ধরে গেরিলা জীবন কাটচ্ছেন। ৪ বছর ধরে তিনি ইউপিডিএফ এর সঙ্গে জড়িত। তারও আগে জনসংহতি সমিতি ও শান্তিবাহিনীর সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন।
রাঙ্গামাটি জেলার নানিয়াচর সার্কেলের বিচার ও সাংগঠনিক শাখার পরিচালক আনন্দ চাকমা আরো জানান, জীবনের ৩০ বছর আমি জঙ্গলে জঙ্গলে ঘুরে জীবন যাপন করেছি। কিন্তু দুঃখের বিষয় পাহাড়ি জনগোষ্ঠির অধিকার আদায় ও তাদের উন্নতির যে লক্ষ্য নিয়ে যুবক বয়সে এই আন্দোলনের সাথে যুক্ত হয়েছিলাম তা থেকে ইউপিডিএফ সম্পূর্ণভাবে বিচ্যুত। ইউপিডিএফ’র কোন নীতি ও আদর্শ নেই। তারা সকলেই চাঁদাবাজি, মানুষকে হয়রানি আর ভয়ভীতি ও অন্যায়-অত্যাচার করে নিজেদের আখের গোছাতে ব্যস্ত। গুম, খুন, হত্যা ও অপহরণই বর্তমানে তাদের কাজ। আমারও স্ত্রী, এক ছেলে ও ডিগ্রী ৩য় বর্ষে পড়ুয়া একটি মেয়ে রয়েছে। এ কারণে অনেক ভেবে চিন্তে অন্যায়ের পথ ছেড়ে সুস্থ, স্বাভাবিক ও শান্তিপূর্ণ জীবনে ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমার মত অনেকেই স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে চায়। কিন্তু ইউপিডিএফ হত্যার ভয় দেখাচ্ছে। এ জন্য তারা স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারছে না।
আনন্দ চাকমা জানান, জঙ্গলের অস্বাভাবিক জীবন ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনের ফিরে আসায় পরিবারের সদস্যরা আনন্দিত। আমার এক ছেলে সরকারি চাকরি করছে। আমার মেয়ে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হচ্ছে। আমিও এই স্বাধীন দেশের উন্নয়নের ধারায় সম্পৃক্ত করে আমার বাকী জীবনটা একজন আদর্শ নাগরিক হিসেবে সুখে শান্তিতে কাটাতে চাই।

এই বিভাগের আরও খবর

  খাগড়াছড়িতে বিএনপি’র ইফতার মাহফিলে বাধাদানের অভিযোগ

  মহালছড়িতে রাস্তা নির্মাণে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ

  রমযানের শিক্ষা নিয়ে শান্তি, সস্প্রীতি ও উন্নয়নের আবাসভূমি গড়তে হবে-সাংসদ কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা

  খাগড়াছড়িতে মৈত্রী বৌদ্ধ বিহারাধক্ষ্য মহাপ্রয়াণে পেটিকাবদ্ধ অনুষ্ঠান

  দীঘিনালায় পছন্দের ডায়াগনস্টিক ল্যাবে এক্সরে না করায় চিকিৎসা না দেয়ার অভিযোগ

  মানিকছড়িতে ঘরে ঢুকে বাঙ্গালী যুবককে গলা কেটে হত্যা

  নানা আয়োজনে পালিত হলো বিজিবি’র গুইমারা সেক্টরের ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী

  দীঘিনালায় বাঁশের খুটি দিয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ, যে কোন সময় বড় ধরনের দূর্ঘটনার আশংকা

  পানছড়িতে দায়িত্ব গ্রহন করেনি নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানরা

  খাগড়াছড়িতে বজ্রপাতে মা ও ছেলের মৃত্যু, আহত-৩

  খাগড়াছড়িতে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে পালিত হয়েছে বুদ্ধ পূর্ণিমা

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

ভোটের পর থেকে সংসদে না যাওয়ার ঘোষণা দিয়ে আসা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দলের নির্বাচিতদের শপথ নেওয়ায় সম্মতি দিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সঠিক কাজটিই করেছেন। আপনি কি তার সঙ্গে একমত?