রবিবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

শনিবার, ১০ নভেম্বর, ২০১৮, ০৮:৪৮:৫৮

খাগড়াছড়িতে এমএন লারমার ৩৫তম মৃত্যু বার্ষিকী পালিত

খাগড়াছড়িতে এমএন লারমার ৩৫তম মৃত্যু বার্ষিকী পালিত

খাগড়াছড়িঃ-প্রভাতফেরি, শ্রদ্ধা নিবেদন ও স্মরণ সভা পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়নে অঙ্গীকার ও নানা আয়োজনে খাগড়াছড়িতে পালিত হচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রামের ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীর অধিকার আদায় আন্দোলনের পূরোধা ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও সাবেক গণপরিষদ সদস্য মানবেন্দ্র নারায়ন লারমা ওরফে এমএন লারমার ৩৫তম মৃত্যু বার্ষিকী।
দিনটি উপলক্ষে শনিবার (১০ নভেম্বর) ১০ টায় চেঙ্গী স্কোয়ারস্থ মানবেন্দ্র নারায়ণ লামরার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলী নিবেদন করে জনসংহতি সমিতি এমএন লারমা সমর্থিত নেতাকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীরা। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে মহাজনপাড়ায় স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়। স্মরণ সভার শুরুতে মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমাসহ সশস্ত্র সংগ্রামে নিহতদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন ও শোক প্রস্তাব পাঠ করা হয়।
জনসংহতি সমিতি (এমএন) কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক প্রফুল্ল কুমার চাকমার সভাপতিত্বে স্মরণ সভায় রাজনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক বিভূরঞ্জন চাকমা, সমাজসেবক রবি শংকর চাকমা বক্তব্য রাখেন। বক্তারা বলেন, জুম্ম জাতির অধিকার আদায়ের নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন সংগ্রামকে বুলণ্ঠিত করতে ১৯৮৩ সালে যারা মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমাকে হত্যা করেছিল তারা এখনও নানা ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের প্রতিহত করতে সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।
উল্লেখ, ১৯৮৩ সালের এই দিনে খাগড়াছড়ি জেলার ভগবান টিলা এলাকায় অভ্যন্তরীণ কোন্দলের জের ধরে আট সহযোদ্ধাসহ নিহত হন মানবেন্দ্র নারায়ন লারমা ওরফে মঞ্জু(এমএন লারমা)। সে থেকে প্রতি বছর দিনটি পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি জনগণ জাতীয় শোক দিবস হিসেবে পালন করে আসছে।
মানবেন্দ্র নারায়ন লারমা ওরফে মঞ্জু (এমএন লারমা) ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর নির্বাচিত প্রথম  সংসদ সদস্য। তিনি জাতীয় সংসদে বাংলাদেশের সংবিধানে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর সাংবিধানিক স্বীকৃতির দাবীতে জাতীয় সংসদ থেকে ওয়াক আউট করেন। এরপর থেকে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য ১৯৭২ সালের ৭ মার্চ তাঁর নেতৃত্বে রাঙ্গামাটিতে গঠিত হয় পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি। পরবর্তীতে ১৯৭৩ সালের ৭ জানুয়ারী খাগড়াছড়ির ইটছড়িতে গঠিত হয় পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির সশস্ত্র সংগঠন ‘শান্তি বাহিনী’। যার পরিসমাপ্তি ঘটে ১৯৯৭ সালের ২রা ডিসেম্বর সরকারের সাথে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

এই বিভাগের আরও খবর

  আওয়ামীলীগ যতবার ক্ষমতায় এসেছে দেশের মানুষের উন্নয়নে নিরলস কাজ করেছে-কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি

  খাগড়াছড়িতে আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে মানববন্ধন

  খাগড়াছড়িতে ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম ফুটবল টুর্নামেন্ট’ শুরু-মোঃ শহিদুল ইসলাম

  মাটিরাঙ্গায় ট্রাকের চাপায় প্রাণ হারালেন মা, আকষ্মিকভাবে বেঁচে গেলো দুই সন্তান

  বিশ্ব ভালবাসা দিবসে ছাত্রলীগের উদ্যোগে কলেজ ক্যাম্পাস পরিচ্ছন্নতা অভিযান

  সামাজিক মূল্যবোধ বিনষ্টের অভিযোগে শিক্ষিকার অপসারণ ও শাস্তির দাবিতে খাগড়াছড়িতে মানববন্ধন-স্মারকলিপি

  প্রবীনদের জন্য নির্মিতব্য হিতৈষী ভবনে জাতির জনকের নামে আধুনিক হল করা হবে-কংজরী চৌধুরী

  খাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে দুর্বৃত্তদের গুলিতে জেএসএস নেতা গুলিবিদ্ধ

  গুইমারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বিদায়ে তিনি কাঁদলেন এবং সবাইকে কাঁদালেন

  সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবিতে খাগড়াছড়িতে মানববন্ধন

  খাগড়াছড়িতে প্রেসক্লবের সভাপতি ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা ও পর্নোগ্রাফী মামলা

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

বিদায়ী সরকারের অধিকাংশ মন্ত্রীকে বাদ দিয়ে সরকার গঠন ‘স্বাভাবিক হয়নি’ মন্তব্য করে বিএনপি নেতা খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, ‘অস্বাভাবিক’ নির্বাচনের পর এই ‘অস্বাভাবিক’ সরকার বেশি দিন টিকবে না। আপনি কি তা মনে করেন?