শুক্রবার, ১৪ ডিসেম্বর ,২০১৮

Bangla Version
SHARE

শনিবার, ১০ নভেম্বর, ২০১৮, ০৮:৪৮:৫৮

খাগড়াছড়িতে এমএন লারমার ৩৫তম মৃত্যু বার্ষিকী পালিত

খাগড়াছড়িতে এমএন লারমার ৩৫তম মৃত্যু বার্ষিকী পালিত

খাগড়াছড়িঃ-প্রভাতফেরি, শ্রদ্ধা নিবেদন ও স্মরণ সভা পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়নে অঙ্গীকার ও নানা আয়োজনে খাগড়াছড়িতে পালিত হচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রামের ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীর অধিকার আদায় আন্দোলনের পূরোধা ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও সাবেক গণপরিষদ সদস্য মানবেন্দ্র নারায়ন লারমা ওরফে এমএন লারমার ৩৫তম মৃত্যু বার্ষিকী।
দিনটি উপলক্ষে শনিবার (১০ নভেম্বর) ১০ টায় চেঙ্গী স্কোয়ারস্থ মানবেন্দ্র নারায়ণ লামরার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলী নিবেদন করে জনসংহতি সমিতি এমএন লারমা সমর্থিত নেতাকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীরা। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে মহাজনপাড়ায় স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়। স্মরণ সভার শুরুতে মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমাসহ সশস্ত্র সংগ্রামে নিহতদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন ও শোক প্রস্তাব পাঠ করা হয়।
জনসংহতি সমিতি (এমএন) কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক প্রফুল্ল কুমার চাকমার সভাপতিত্বে স্মরণ সভায় রাজনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক বিভূরঞ্জন চাকমা, সমাজসেবক রবি শংকর চাকমা বক্তব্য রাখেন। বক্তারা বলেন, জুম্ম জাতির অধিকার আদায়ের নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন সংগ্রামকে বুলণ্ঠিত করতে ১৯৮৩ সালে যারা মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমাকে হত্যা করেছিল তারা এখনও নানা ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের প্রতিহত করতে সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।
উল্লেখ, ১৯৮৩ সালের এই দিনে খাগড়াছড়ি জেলার ভগবান টিলা এলাকায় অভ্যন্তরীণ কোন্দলের জের ধরে আট সহযোদ্ধাসহ নিহত হন মানবেন্দ্র নারায়ন লারমা ওরফে মঞ্জু(এমএন লারমা)। সে থেকে প্রতি বছর দিনটি পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি জনগণ জাতীয় শোক দিবস হিসেবে পালন করে আসছে।
মানবেন্দ্র নারায়ন লারমা ওরফে মঞ্জু (এমএন লারমা) ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর নির্বাচিত প্রথম  সংসদ সদস্য। তিনি জাতীয় সংসদে বাংলাদেশের সংবিধানে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর সাংবিধানিক স্বীকৃতির দাবীতে জাতীয় সংসদ থেকে ওয়াক আউট করেন। এরপর থেকে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য ১৯৭২ সালের ৭ মার্চ তাঁর নেতৃত্বে রাঙ্গামাটিতে গঠিত হয় পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি। পরবর্তীতে ১৯৭৩ সালের ৭ জানুয়ারী খাগড়াছড়ির ইটছড়িতে গঠিত হয় পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির সশস্ত্র সংগঠন ‘শান্তি বাহিনী’। যার পরিসমাপ্তি ঘটে ১৯৯৭ সালের ২রা ডিসেম্বর সরকারের সাথে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

এই বিভাগের আরও খবর

  মুক্তিযোদ্ধারা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান, জাতি তাদের অবদান কখনো ভুলবেনা-ব্রি.জে. সাজেদুল ইসলাম

  খাগড়াছড়িতে বিএনপি প্রার্থীর প্রচারণায় হামলা, আহত-৬, মাইক ভাঙচুর

  একশ বছর পূর্তী উৎসব পালন করেছেন বান্দরবানের বম সম্প্রদায়

  বিএনপির সংবাদ সম্মেলনঃ খাগড়াছড়িতে আ’লীগ প্রার্থীর নেতাকর্মীদের তান্ডব

  খাগড়াছড়িতে প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ

  খাগড়াছড়ি প্রেস ক্লাবে যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রনে সাংবাদিকদের নিয়ে এডভোকেসী সভা

  রাঙ্গামাটিতে ৬ জন, খাগড়াছড়িতে ৫ জন ও বান্দরবানে ৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্ধিতা করবেন

  খাগড়াছড়িতে দুর্নীতি বিরোধী দিবসে মানববন্ধন ও সভা

  খাগড়াছড়িতে বিএনপির চুড়ান্ত প্রার্থী শহিদুল ইসলাম ভূঁইয়া

  খাগড়াছড়ি শুকনাছড়ি হেলিকপ্টার সহযোগে এলাকায় শীতবস্ত্র বিতরণ করেছেন সেনাবাহিনী

  অবশেষে খাগড়াছড়ি আসনে ইউপিডিএফ সমর্থিত প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষনা

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

সরকার ও নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিএনপির বিভিন্ন অভিযোগের প্রতিক্রিয়ায় ওবায়দুল কাদের বলেছেন, নির্বাচন বানচালের জন্য তারা এসব অজুহাত তুলছে। আপনি কি তার সঙ্গে একমত?