শুক্রবার, ২২ জুন ,২০১৮

Bangla Version
  
SHARE

বৃহস্পতিবার, ১১ জানুয়ারী, ২০১৮, ০৬:৫৩:২৭

জনসংহতি সমিতি’র নেতৃবৃন্দকে জড়িয়ে দায়েরকৃত মামলার প্রত্যাহার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন

জনসংহতি সমিতি’র নেতৃবৃন্দকে জড়িয়ে দায়েরকৃত মামলার প্রত্যাহার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন

খাগড়াছড়িঃ-ইউপিডিএফ নেতা মিঠুন চাকমা হত্যার ঘটনায় জনৈক অনি বিকাশ চাকমা’র দায়ের করা মামলায় তিন কেন্দ্রীয় নেতাকে জড়ানোর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (এমএন লারমা)।
একই সাথে মামলা থেকে নেতাদের নাম প্রত্যাহার করার দাবিতে শুক্রবার বিকেলে খাগড়াছড়ি জেলাশহর এবং উপজেলা সদরসমূহে বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোঘণা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ জানুয়ারী) সকালে খাগড়াপুর কমিউনিটি সেন্টারে জনসংহতি সমিতি (এম এন লারমা) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সংগঠনের কেন্দ্রীয় তথ্য ও প্রচার সম্পাদক সুধাকর ত্রিপুরা এসব তথ্য জানান।
উল্লেখ্য, ৩ জানুয়ারী দুপুরে ইউপিডিএফ নেতা মিঠুন চাকমাকে তাঁর বাড়ির কাছেই দূর্বৃত্তরা গুলী করে হত্যা করে। এ ঘটনার চারদিনের মাথায় ৬ জানুয়ারী প্রথমে পুলিশ বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ৭/৮ জনকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করে। গত ৯ জানুয়ারী অনি বিকাশ চাকমা নামের এক ব্যক্তি মিঠুন চাকমা’র আত্মীয় পরিচয়ে জনসংহতি সমিতি (এমএন লারমা)-র চার প্রভাবশালী কেন্দ্রীয় নেতা এবং ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক)-এর ১৪ নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করে আরো একটি মামলা দায়ের করে।

এই বিভাগের আরও খবর

  চেয়ার ছেড়ে দিয়ে সুষ্ঠ নির্বাচন দিন, তখন বুঝবেন কার কতটুকু সমর্থন-ওয়াদুদ ভূঁইয়া

  খাগড়াছড়িতে মাইক্রোবাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু

  রামগড়ে বিজিবি কর্তৃক ইয়াবাসহ পাচারকারী আটক

  পানছড়িতে হত্যা মামলার ১ আসামি আটক

  রামগড় বিজিবি‘র অভিযানে ভারতীয় মদ আটক

  খাগড়াছড়িতে বন্যায় ১ কোটি ৭ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি, চেঙ্গি খাল খননের দাবী

  বিজিবি কর্তৃক ভারতীয় মদ জব্দ

  খাগড়াছড়িতে দুর্বৃত্তের গুলিতে জেএসএস কর্মী নিহত

  দীঘিনালায় বন্যায় কবলিত এলাকায় উপজেলা প্রশাসনের ত্রান বিতরন

  খাগড়াছড়িতে বন্যার কিছুটা উন্নতি হলেও দীঘিনালায় অবনতি

  খাগড়াছড়িতে পানিবন্দী মানুষদেরকে উদ্ধার ও খাবার বিতরণে সেনাবাহিনী

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, চলমান মাদকবিরোধী অভিযানে তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে কাজ হচ্ছে, এখানে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। বাস্তবে তা ঘটবে বলে মনে করেন?