বৃহস্পতিবার, ১৮ জানুয়ারী ,২০১৮

Bangla Version
SHARE

বৃহস্পতিবার, ১১ জানুয়ারী, ২০১৮, ০১:৫৯:০২

মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-রণ বিক্রম ত্রিপুরা

মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-রণ বিক্রম ত্রিপুরা

লিটন ভট্টচার্য্য রানা, খাগড়াছড়িঃ-খাগড়াছড়ি পালিত হচ্ছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস। ১৯৭২ সালের এই দিনে বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি পাকিস্তানের কারাগারের নির্জন প্রকোষ্ঠ থেকে মুক্তি লাভ করে তার স্বপ্নের স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে ফিরে আসেন।
বুধবার সকাল সাড়ে সকাল দলীয় কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে র‌্যালীটি জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি রণ বিক্রম ত্রিপুরার নেতৃত্বে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে খাগড়াছড়ি পৌর টাউন হল প্রঙ্গনে বঙ্গবন্ধু চেতনা মঞ্চে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন আওয়ামীলীগ ও সকল সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি (বীর মুক্তিযোদ্ধা) রণ বিক্রম ত্রিপুরা বলেন, বাঙালি জাতি বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে দখলদার পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে দীর্ঘ ৯ মাস রক্তক্ষয়ী লড়াইয়ের মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় অর্জন করে। মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্ত স্বাধীন বাংলাদেশে ফিরে আসার মাধ্যমে সে বিজয় পূর্ণতা লাভ করে। এ দিন স্বাধীন বাংলার নতুন সূর্যালোকে সূর্য্যর মতো চির ভাস্বর-উজ্জ্বল মহান নেতা ইতিহাসের মহানায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ফিরে আসেন তার প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশে।
স্বদেশের মাটি ছুঁয়ে বাংলাদেশের ইতিহাসের নির্মাতা শিশুর মতো আবেগে আপ্পূল হয়ে পড়েন। আনন্দ-বেদনার অশ্রুধারা নামে তার দু’চোখ বেয়ে। প্রিয় নেতাকে ফিরে পেয়ে সে দিন সাড়ে সাত কোটি বাঙালি আনন্দাশ্রুতে সিক্ত হয়ে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ ধ্বনিতে প্রকম্পিত করে তোলেন বাংলার আকাশ বাতাস। শেখ মুজিবুর রহমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে দাঁড়িয়ে তার ঐতিহাসিক ভাষণে বলেন, ‘যে মাটিকে আমি এতো ভালবাসি, যে মানুষকে আমি এতো ভালবাসি, যে জাতিকে আমি এতো ভালবাসি, আমি জানতাম না সে বাংলায় আমি যেতে পারবো কি না। আজ আমি বাংলায় ফিরে এসেছি বাংলার ভাইদের কাছে, মায়েদের কাছে, বোনদের কাছে। বাংলা আমার স্বাধীন, বাংলাদেশ আজ স্বাধীন।’
১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণার পর বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করা হয়। ২৯০ দিন পাকিস্তানের কারাগারে প্রতি মুহূর্তে মৃত্যুর প্রহর গুনতে গুনতে লন্ডন-দিল্লি হয়ে মুক্ত স্বাধীন স্বদেশের মাটিতে ফিরে আসেন বাঙালির ইতিহাসের বরপুত্র শেখ মুজিবুর রহমান। সেই থেকে প্রতিবছর বাঙালি জাতি নানা আয়োজনে পালন করে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা সাবেক পার্বত্য জেলা পরিষদ সাহাব উদ্দিন মিয়া, জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি সাবেক পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান চাইথোং মারমা, কল্যাণ মিত্র বড়ুয়া, জেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক পার্বত্য জেলা পরিষদ সদস্য  নির্মলেন্দু চৌধুরী, মংক্যচিং চৌধুরী. জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সত্যজিৎ চৌধুরী, সদর আওয়ামীলীগের  সাধারণ সম্পাদ চন্দন কুমার দে, জেলা আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি যতন কুমার ত্রিপুরা, সহ- সভাপতি মেহেদি হাসান হেলাল, পার্বত্য জেলা পরিষদ সদস্য পার্থ ত্রিপুরা জুয়েল, আওয়ামীলীগ নেতা মোঃ শানে আলম সহ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এই বিভাগের আরও খবর

  মাটিরাঙ্গার ইউএনও বিএম মশিউর রহমানের বিদায় সংবর্ধনা

  দীঘিনালায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে সেচ্ছাচারিতার অভিযোগ বদলী চেয়ে বেতছড়ি এলাকাবাসীর মানববন্ধন

  খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় স্কুল ক্যাম্পাসে এনজিও অফিস!

  গুইমারাতে একই দিনে দুই স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যা

  দৃষ্টি প্রতিবন্ধী কালাকচু চাকমার স্বপ্নপূর! নতুন ঘর দিল দীঘিনালা জোন

  খাগড়াছড়ি পৌরসভা সার্ভিস এসোসিয়েশনের দুই দিনের কর্মবিরতিঃ নাগরিক সেবাদান বন্ধ

  স্বাধীনতা যুদ্ধে পুলিশের গৌরব অক্ষুন্ন রেখে ভাবমূর্তি আরো উজ্জ্বল করতে হবে-কমিশনার ইকবাল বাহার

  খাগড়াছড়ির রামগড়ে অস্ত্র ও গুলিসহ দুই সন্ত্রাসীকে আটক করেছে যৌথবাহিনী

  নব্য মুখোশবাহিনীর হাতে নিহত ইউপিডিএফ নেতা মিঠুন চাকমার স্মরণে খাগড়াছড়িতে স্মরণসভা ও প্রদীপ প্রজ্জ্বলন

  খাগড়াছড়িতে রক্তদাতার রক্ত নিয়ে বিক্রির অভিযোগ প্রাইভেট ক্লিনিকের বিরুদ্ধে

  মিঠুন চাকমা হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবীতে খাগড়াছড়িতে ইউপিডিএফ এর বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

পুলিশের আইজিপি এ কে এম শহিদুল হক বলেছেন, ‘দেশকে জঙ্গি, মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত করতে হলে পুলিশের পাশাপাশি জনগণকে কাজ করতে হবে।’ আপনিও কি তাই মনে করেন?