বুধবার, ১৮ জুলাই ,২০১৮

Bangla Version
SHARE

সোমবার, ০৯ জুলাই, ২০১৮, ০৯:৩৭:৩৭

বিশ্বকাপের বেগ ও আবেগ

বিশ্বকাপের বেগ ও আবেগ

মো. জাকারিয়াঃ-খেলাধুলা আমাদের বিনোদনের অন্যতম মাধ্যম। বিশ্বকাপ ফুটবল আসলেই আমাদের বাসার আঙ্গিনা, উঠানে বিভিন্ন দেশের পতাকায় ছেয়ে যায়। আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, জার্মানি ইত্যাদি দেশের পতাকার পাশাপাশি অন্যান্য দেশের পতাকাও উড়তে দেখা যায়। পতাকা উড়ানোর মাধ্যমে আমরা আমাদের আবেগ প্রকাশ করি, প্রকাশ করে থাকি আমাদের হূদয়ে দীর্ঘদিন থেকে জমাট বাঁধা অনুভূতিগুলো। বাঙালি জাতি একটু বেশিই আবেগপ্রবণ। আমরা আবেগ প্রকাশ করতে যেয়ে অনেক সময় মাত্রাতিরিক্ত আবেগ প্রকাশ করে থাকি। মাত্রাতিরিক্ত কোনো কিছুই ভালো নয়। আবেগ হোক আর যাই হোক সেটা যেন মাত্রাতিরিক্ত না হয় সে বিষয়ে সবার সজাগ থাকা উচিত।
ফুটবল বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার কিছুদিন পূর্ব থেকেই আমাদের দেশে বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া দেশের পতাকা বানানোর ধুম পড়ে যায়। এমনও দেখা যায় যে, অনেকে নিজের সকল সম্পত্তি বিক্রি করে প্রিয় দলের পতাকা বানায়, কেউ বা বিল্ডিং-এর ভিতরে ও বাহিরে রঙ করে প্রিয় দলের পতাকার রঙে। আর একটি বিষয় প্রায়ই দেখা যায় বিভিন্ন দলের সমর্থকদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা। বাকবিতণ্ডা কখনো কখনো মারামারি পর্যায়ে গড়ায় তবুও কেউ প্রিয় দলের সমর্থন করা থেকে পিছপা হয় না।
বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় এই ধরনের মারামারির সংবাদ প্রকাশিত হয়। তবে সবচেয়ে ভয়ংকর দিক হলো  আত্মহত্যা করার প্রবণতা। প্রিয় দল হারলে কেউ কেউ নিজের জীবন বিলিয়ে দিতেও কার্পণ্য করে না। এটা সত্যিই আমাদের জন্য খুবই দুর্ভাগ্যের বিষয়। খেলা একটা নিছক আনন্দের নাম। এই খেলা নিয়ে এতোটা আবেগ দেখানো ঠিক নয়। খেলায় হার-জিত থাকবেই। এই জয়-পরাজয় মেনে নেওয়ার সক্ষমতা সমর্থকদের থাকতে হবে। খেলা নিয়ে আমাদের সচেতন হওয়া দরকার। আমাদের এই বিষয়টা থেকে বের হয়ে আসতেই হবে। কারণ খেলাধুলা কোনো আবেগের বিষয় নয়। এটা সম্পূর্ণই বিনোদনের বিষয়। আমরা খেলাধুলা নিয়ে আলোচনা করবো।  বিতর্ক করবো বিতর্কের খাতিরে বিরোধিতার খাতিরে নয়। অভিভাবকদেরও এই বিষয়ে গভীরভাবে লক্ষ্য রাখা উচিত। তাছাড়া সরকার কর্তৃক প্রিন্টিং ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায় এই বিষয়ে সচেতনতামূলক প্রচারণা করলে আশাকরি এই ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা কমে আসবে।(লেখক: শিক্ষার্থী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়)। (লেখাটি সংগৃহিত)

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, চলমান মাদকবিরোধী অভিযানে তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে কাজ হচ্ছে, এখানে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। বাস্তবে তা ঘটবে বলে মনে করেন?