সোমবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

শুক্রবার, ৩০ আগস্ট, ২০১৯, ০৮:৪৫:৫২

দেবতাকে খুশি করতে ২২৭ শিশুকে বলি!

দেবতাকে খুশি করতে ২২৭ শিশুকে বলি!

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ-দেবতাকে খুশি করতে দুই শতাধিক শিশু বলির ঘটনার সন্ধান পেয়েছেন পেরুর প্রত্নতাত্ত্বিকরা। মানব ইতিহাসে এটিই সবচেয়ে বড় শিশু বলির ঘটনা বলে মনে করা হচ্ছে।
পেরুর রাজধানী লিমার উত্তরের উপকূলীয় শহর হুয়ানচাকোতে প্রত্নতাত্ত্বিকরা একটি গণকবর খুঁজে পেয়েছেন। সেখানে পাঁচ থেকে ১৪ বছরের শিশুদের ২২৭টি মৃতদেহ পাওয়া গেছে। সম্ভবত ৫০০ বছরেরও বেশি সময় আগে ওই শিশুদের বলি দেওয়া হয়েছে।
নতুন গণকবরে পাওয়া মৃতদেহগুলোর কয়েকটিতে এত বছর পরও চুল এবং চামড়া পাওয়া গেছে বলে জানান প্রত্নতাত্ত্বিকরা।
মৃতদেহগুলো পরীক্ষা করে তারা বলেন, খুব সম্ভবত বৃষ্টিভেজা আবহাওয়ায় ওই শিশুদের হত্যা করা হয়। মৃতদেহগুলো সমুদ্রের দিকে মুখ করে কবর দেওয়া ছিল। তা থেকে ধারণা করা হচ্ছে, চিমু সভ্যতার লোকজন তাদের দেবতার সন্তুষ্টির জন্য ওই শিশুদেরকে বলি দিয়েছিল।
পেরুর উত্তর উপকূলে চিমু সভ্যতা গড়ে উঠেছিল। যা ওই অঞ্চলের সবচেয়ে শক্তিশালী সভ্যতাগুলোর একটি। ১২০০ শতাব্দী থেকে ১৪০০ শতাব্দীর মধ্যে চিমু সভ্যতার নাম ছড়িয়ে পড়েছিল। পরে ইনকাদের আক্রমণে চিমু সভ্যতা ধ্বংস হয়ে যায়। চিমু সভ্যতার লোকজন চাঁদকে দেবতা মানত; যার নাম ছিল ‘শি’। তাদের বিশ্বাস ছিল, চাঁদ সূর্যের চেয়েও শক্তিশালী। দেবতাকে তুষ্ট রাখতে তারা প্রায়ই নরবলি দিত। বিবিসি

এই বিভাগের আরও খবর

  পাক-আফগান সীমান্তে হামলা, ৫ পাক সেনা নিহত

  ব্রাজিলে হাসপাতালে আগুন, নিহত-১১

  আজাদ কাশ্মীর দখলে প্রস্তুত ভারতীয় সেনারা-জেনারেল বিপিন

  নাইজেরিয়ার আশুরার মিছিলে পুলিশের গুলি, নিহত-১২

  লিংলিং কেড়ে নিল ৫ প্রাণ, ৪৬০ ঘর উজাড়

  কানাডার হ্যালিফ্যাক্সে হ্যারিকেন ডোরিয়ানের আঘাত

  হ্যারিকেন ডোরিয়ানের তাণ্ডবে মৃতের সংখ্যা বেড়ে-৪৩

  ইরাকে ইসরায়েল-মার্কিনপন্থীদের আতঙ্ক ‘ইলেকট্রনিক আর্মি’

  ‘আইএস জঙ্গিদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে পাকিস্তান’- অভিযোগ আফগান রাজনীতিকের

  যুক্তরাষ্ট্রে যাত্রীবাহী নৌকায় আগুন, নিহত-১৫

  রোহিঙ্গাদের ওপর নৃশংসতায় জড়িত সেনাদের সাজা হবে-মিয়ানমার সেনাবাহিনী

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তির প্রেক্ষাপটে আইইডিসিআরের সাবেক পরিচালক মাহমুদুর রহমান বলছেন, মৃত্যুর ঘটনাগুলো ‘রিভিউ’ করার কোনো প্রয়োজন নেই, চিকিৎসকদের কথাই যথেষ্ট। আপনি কি তাকে সমর্থন করেন?