বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

বৃহস্পতিবার, ২৩ মে, ২০১৯, ০৩:২৭:৩০

আবারও দিল্লির মসনদে বসতে যাচ্ছেন মোদি!

আবারও দিল্লির মসনদে বসতে যাচ্ছেন মোদি!

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ-চলছে ভারতের লোকসভা নির্বাচনের ভোটগণনা। আর মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে দিল্লির মসনদের উত্তরসুরীর নাম। তবে সকাল থেকে সারা দেশ থেকে প্রাপ্ত ফলাফল বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিনএ জোটের জয়ের দিকেই নির্দেশ করছে। সেই হিসেবে আবারও দিল্লির এই মসনদে বসতে যাচ্ছেন নরেন্দ্র মোদি।
ভারতের সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভির সর্বশেষ তথ্যমতে, দেশব্যাপী ৫৪৩ আসনের মধ্যে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিনএ জোট এগিয়ে আছে প্রায় ৩২৮টি আসনে। পূর্ণাঙ্গ ফলাফল প্রকাশ হতে এখনও অনেকটা দেরি থাকলেও দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা এসব অসমাপ্ত ফলাফল এই দলটির জয়ের কথাই জানাচ্ছে। এনডিটিভির তথ্যমতে, বিজেপি ও এনডিএ জোট এগিয়ে আছে ৩২৮ আসনে, কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ জোট ১০৮ আসনে এবং অন্যান্য বিরোধী দলগুলো এগিয়ে আছে ৯৬ আসনে।
এর আগে, গত ১৯ মে বুথফেরত জরিপের ফল প্রকাশ করা হয় যেখানে প্রায় সব জরিপে বেশ এগিয়ে বিজেপি। ওই জরিপে বলা হয়, বিশাল ব্যবধানে জয়ী হতে পারে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট। আর প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে আরও একবার বসতে যাচ্ছেন নরেন্দ্র মোদি। তবে বুধবার কংগ্রেসের পক্ষ বুথফেরত জরিপ্রে ফলাফলকে ভুয়া ঘোষণা করা হয়। একই সঙ্গে সেই জরিপের ফলাফল প্রত্যাহার করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, বুথফেরত জরিপের ফলাফল তিনি মানছেন না। এবার মোদি নয়, দিল্লির মসনদে বসবে জনগণের সরকার।
এদিকে সারা দেশ থেকে আসা ফলাফল অনুযায়ী এনডিটিভি জানায়, মধ্য প্রদেশ, উত্তর প্রদেশ, কর্ণাটক, রাজস্থান ও গুজরাটে এখন পর্যন্ত পাওয়া ফলাফলে বেশ এগিয়ে আছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন জোট। এছাড়া তামিল নাড়ুতে এগিয়ে আছে ডিএমকে-কংগ্রেস জোট। আর পাঞ্জাবে এগিয়ে আছে কংগ্রেস। এদিকে পশ্চিমবঙ্গের মোট ৪২টি আসনের এখন পর্যন্ত ৫টিতে তৃণমূল কংগ্রেস, ৪টিতে বিজেপি এবং ৩টিতে কংগ্রেস এগিয়ে আছে।
এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত ফলাফলে একরকম বলাই যায়, আগের বারের মতো এবারও ক্ষমতার আসনে বসছেন নরেন্দ্র মোদি। শেষ পর্যন্ত তার জয়ের পথে তেমন কোন বাঁধা না থাকলে তিনিই হয়ে যাচ্ছেন ভারতের আগামী প্রধানমন্ত্রী।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তির প্রেক্ষাপটে আইইডিসিআরের সাবেক পরিচালক মাহমুদুর রহমান বলছেন, মৃত্যুর ঘটনাগুলো ‘রিভিউ’ করার কোনো প্রয়োজন নেই, চিকিৎসকদের কথাই যথেষ্ট। আপনি কি তাকে সমর্থন করেন?