বুধবার, ১৫ আগস্ট ,২০১৮

Bangla Version
SHARE

বৃহস্পতিবার, ০২ আগস্ট, ২০১৮, ০৪:২৮:১১

তাপদাহে প্রতি বছর মৃত্যু হবে ৫২০০০ মানুষের

তাপদাহে প্রতি বছর মৃত্যু হবে ৫২০০০ মানুষের

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ-গ্লোবাল ওয়ার্মিং বা বৈশ্বিক উষ্ণায়নের কারণে বৃদ্ধি পেতে থাকা তাপদাহে ২০৮০ সালের মধ্যে প্রতি বছর মৃত্যু হবে ৫২ হাজার মানুষের। আগামী ৬০ বছরে এতটা নাটকীয় মোড় নেবে তাপদাহ। সম্প্রতি এমনটা জানিয়েছেন গবেষকরা। খবর দ্য ডেইলি মেইলের।
খবরে বলা হয়,  মানুষ যদি পৃথিবীর বৃদ্ধি পেতে থাকা তাপমাত্রার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে ব্যর্থ হয় তাহলে সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি হতে পারে এমন যে, তাপদাহে মৃত্যুর পরিমাণ ৪৭১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে বছরে ৫২ হাজারে পৌঁছাবে।
তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে মৃত্যুর হার সবচেয়ে বেশি বাড়বে গ্রীষ্মপ্রধান ও আধা-গ্রীষ্মপ্রধান দেশগুলোতে। এরপর সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হবে, ইউরোপ, অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র।
পিএলওএস মেডিসিন সাময়িকীতে প্রকাশিত বৈশ্বিক গবেষণাটিতে ভবিষ্যতে তাপদাহের কারণে মৃতের সংখ্যা কেমন বাড়বে তা অনুমান করার চেষ্টা করেছেন গবেষকরা। সম্প্রতি জাপান, কানাডা, পাকিস্তানসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে তাপদাহে বহুমানুষ মারা যাচ্ছে। এমন সময়, এই গবেষণা প্রতিবেদনটি প্রকাশ পেল।
অস্ট্রেলিয়ার মোনাশ ইউনিভার্সিটির সহযোগী অধ্যাপক ও গবেষণা প্রতিবেদনটির একজন লেখক ইউমিং গুয়ো বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন এবং জনসংখ্যার উচ্চ বৃদ্ধি হার বিবেচনায় ভবিষ্যতে প্রতি বছর আনুমানিক ৫১ হাজার ৭৯৫ জন মানুষের মৃত্যু ঘটবে।
জি নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আবহাওয়া বিজ্ঞানীদের মতে, ক্রমশ ‘হিট এজ’-এর দিকে এগিয়ে চলেছে পৃথিবী। আজ থেকে প্রায় ৩০ লক্ষ বছর আগে প্রায় হঠাৎ করেই পৃথিবী পর্যায়ক্রমিক ভাবে শৈত্যযুগ ও অন্তর্বর্তীকালীন উষ্ণ যুগের সম্মুখীন হয়েছে। পৃথিবীর মহাদেশগুলির পারস্পরিক অবস্থান, সূর্যের তুলনায় পৃথিবীর কক্ষপথ ও পৃথিবীর অক্ষরেখার দিক পরিবর্তন, ইত্যাদি বিভিন্ন কারণ এর জন্যে দায়ী। ওই সময় হিট এজ নামে পরিচিত।
গ্লোবাল ওয়ার্মিং বা বিশ্ব উষ্ণায়নের কারণে ধীরে ধীরে আবার সেই উষ্ণ ষুগের দিকেই এগোচ্ছে পৃথিবী। ড্যানিশ মেটেরোলজিক্যাল ইনস্টিটিউট (ডিএমআই) জানাচ্ছে, স্বাভাবিকের থেকে ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বেড়েছে উত্তর সাগরে।
আগামী ৬০ বছরের মধ্যে তাপ প্রবাহ বা হিট ওয়েভের প্রকোপে প্রতি বছর অন্তত ৫২ হাজার মানুষের মৃত্যু হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন গবেষকরা। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে বিষুব এবং ক্রান্তীয় অঞ্চলের মানুষ। অর্থাৎ, আফ্রিকা এবং এশিয়ায় বসবাসকারী মানুষ। এর পর ক্ষতিগ্রস্ত হবে ইউরোপ, অস্ট্রেলিয়া এবং আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র। সব মিলিয়ে প্রায় ২০টি দেশ রয়েছে এই বিপদের আওতায়।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, চলমান মাদকবিরোধী অভিযানে তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে কাজ হচ্ছে, এখানে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। বাস্তবে তা ঘটবে বলে মনে করেন?