বুধবার, ২২ মে ,২০১৯

Bangla Version
SHARE

রবিবার, ০২ ডিসেম্বর, ২০১৮, ০৮:১৭:৫৮

এবার সু চিকে দেওয়া সম্মাননা পদক কেড়ে নিচ্ছে প্যারিস

এবার সু চিকে দেওয়া সম্মাননা পদক কেড়ে নিচ্ছে প্যারিস

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ-রোহিঙ্গা ইস্যুতে কার্যকর ভূমিকা পালনে ব্যর্থ হওয়ায় মিয়ানমারের কার্যত সরকার প্রধান ও গণতন্ত্রপন্থি নেত্রী অং সান সু চিকে দেওয়া সম্মানসূচক প্যারিস শহরের স্বাধীনতা পদক প্রত্যাহার করা হচ্ছে। সম্মাননা বাতিলের এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্যারিসের মেয়র অ্যানা হিদালগো। তার এক মুখপাত্র এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। চলতি মাসের মাঝামাঝি সময়ে সিটি কাউন্সিল এ বিষয়টি চূড়ান্ত করবে বলে জানিয়েছেন তিনি। বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
প্যারিস শহরের মেয়রের দফতর থেকে জানানো হয়েছে, গত বছর মেয়র অ্যানা হিদালগো মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সু চিকে লেখা এক চিঠিতে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে নিয়ে তার উদ্বেগ এবং তাদের অধিকারের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছিলেন। কিন্তু মিয়ানমারের পক্ষ থেকে সেই চিঠির কোনো উত্তর দেওয়া হয়নি। এর আগে একই ইস্যুতে অং সান সু চিকে দেওয়া একই রকম পদক কেড়ে নিয়েছে গ্লাসগো, এডিনবার্গ ও অক্সফোর্ড কর্তৃপক্ষ। সেই একই ধারায় ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের দেওয়া ফ্রিডম অব প্যারিস পদক কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর বর্বরতার দায়ে সু চিকে দেওয়া কানাডার সম্মানজনক নাগরিকত্ব এবং অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের ‘অ্যাম্বাসেডর অব কনসাইন্স অ্যাওয়ার্ড’ প্রত্যাহার করা হয়।
এদিকে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সু চির দিক থেকে ক্রমেই মুখ ঘুরিয়ে নিচ্ছে মিয়ানমারের তরুণ সমাজও। তরুণদের মাঝে সু চির আবেদন কমছে। প্রতিবেদনে সু চিকে ‘হারানো আদর্শ’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, মিয়ানমারের তরুণ অধিকারকর্মী ও টেলিভিশন উপস্থাপিকা থিনজার শুন লি ই (২৭) এক সময় বলতেন, অং সান সু চির সবচেয়ে বড় ভক্তদের অন্যতম তিনি। কিন্তু এখন তিনিই সু চির সবচেয়ে কড়া সমালোচকদের অন্যতম হয়ে উঠেছেন। উচ্চ পদ মর্যাদার উদার অধিকারকর্মীদের একটি ছোট্ট গ্রুপ গড়ে উঠেছে মিয়ানমারে। এ গ্রুপটির বেশির ভাগ কর্মী এক সময় সু চির কট্টর সমর্থক ছিলেন।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

ভোটের পর থেকে সংসদে না যাওয়ার ঘোষণা দিয়ে আসা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দলের নির্বাচিতদের শপথ নেওয়ায় সম্মতি দিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সঠিক কাজটিই করেছেন। আপনি কি তার সঙ্গে একমত?