বুধবার, ১৮ জুলাই ,২০১৮

Bangla Version
  
SHARE

সোমবার, ০৯ এপ্রিল, ২০১৮, ০২:৪৪:০৩

সিরিয়ায় ‘রাসায়নিক’ হামলায় নিহত-৭০

সিরিয়ায় ‘রাসায়নিক’ হামলায় নিহত-৭০

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ-সিরিয়ায় সন্দেহভাজন রাসায়নিক হামলায় অন্তত ৭০ জন নিহত হয়েছে। মৃতের সংখ্যা দেড়শ’ ছাড়াতে পারে বলে আশংকা করা হচ্ছে। শনিবার বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত পূর্ব ঘৌতার দৌমায় এই হামলা হয় বলে দাবি করেছেন উদ্ধারকর্মী ও চিকিত্সকরা। তবে সিরিয়ার একটি মানবাধিকার সংস্থা বলেছে, এটি আসলে রাসায়নিক হামলা কিনা তা নিশ্চিত করা যায়নি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই হামলার জন্য রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন ও ইরানকে দায়ী করে এর জন্য চড়া মূল্য দিতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। খবর বিবিসি ও সিএনএনের
স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা দ্য হোয়াইট হেলমেট টুইটারে কিছু ছবি পোস্ট করেছে যাতে মৃতদেহ পড়ে আছে। তবে তাদের দাবির সত্যতা নিশ্চিত করা যায়নি। সিরিয়ার সরকার এই হামলাকে ‘ভুয়া’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে। হোয়াইট হেলমেটসের প্রধান রায়েদ আল সালেহ বলেন, ৭০ জনের বেশি বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে। আরো অনেকেই শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যায় আছে। তারা মৃত্যু যন্ত্রণায় ভুগছে। এরপর এক টুইটার বার্তায় তিনি বলেন, মৃতের সংখ্যা দেড়শ’ ছাড়াতে পারে।
বিদ্রোহী সমর্থিত ঘৌতা মিডিয়া সেন্টার জানিয়েছে, ৭৫ জন নিহত হয়েছে এবং এক হাজারের বেশি বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত। ঘৌতা মিডিয়া সেন্টার জানিয়েছে, এটা ছিল ব্যারেল বোমা। হেলিকপ্টার থেকে নিক্ষেপ করা হয়। এর মধ্যে রাসায়নিক গ্যাস ‘সারিন’ ছিল। এটা এক ধরনের নার্ভ এজেন্ট। যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা দ্য ইউনিয়ন অব মেডিক্যাল রিলিফ অর্গানাইজেশন জানিয়েছে, দামেস্কেস স্পেশিয়ালটি হাসপাতাল ৭০ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে। সংস্থাটির মুখপাত্র জানিয়েছেন, শনিবার রাতে এবং রবিবার সকালেও হামলা অব্যাহত থাকায় হতাহতদের কাছে যাওয়া সম্ভব হয়নি।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প গতকাল এক টুইটার বার্তায় বলেছেন, দায়ীদের চড়া মূল্য দিতে হবে। তিনি বলেছেন, সিরিয়ায় অমানুষিক রাসায়নিক হামলায় নারী ও শিশুসহ অনেকেই নিহত হয়েছে। ওই এলাকায় কেউ প্রবেশ করতে পারে না। সিরিয়ার সেনাবাহিনী পুরো এলাকা ঘিরে রেখেছে। প্রেসিডেন্ট পুতিন, রাশিয়া এবং ইরান সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদকে সহায়তা করছে। এর জন্য তাদের চড়া মূল্য দিতে হবে।

 

আজকের প্রশ্ন

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, চলমান মাদকবিরোধী অভিযানে তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে কাজ হচ্ছে, এখানে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। বাস্তবে তা ঘটবে বলে মনে করেন?