বুধবার, ২৪ অক্টোবর ,২০১৮

Bangla Version
  
SHARE

বুধবার, ১৭ জানুয়ারী, ২০১৮, ০৮:০৩:৪১

মিয়ানমারে পুলিশের গুলিতে ৭ বৌদ্ধ নিহত

মিয়ানমারে পুলিশের গুলিতে ৭ বৌদ্ধ নিহত

আর্ন্তজাতিক ডেস্কঃ-মিয়ানমারে বৌদ্ধধর্মাবলম্বী রাখাইনদের ওপর পুলিশের গুলিবর্ষণে সাতজন নিহত ও আরো অনেকে আহত হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে তারা একটি সরকারি দপ্তর দখলে নেয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করতে গুলি বর্ষণ করলে হতাহতের ঘটনা ঘটে। পুলিশ একথা জানায়।
খবরে বলা হয়, বৌদ্ধধর্মাবলম্বী কয়েক হাজার বিক্ষোভকারী একটি অনুষ্ঠান পালনের জন্য প্রাচীন মন্দির চত্বর মরাউকে সমবেত হয়েছিল। এ অঞ্চলের সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা মুসলিম সম্প্রদায়ের ওপর সামরিক বাহিনী ব্যাপক দমনপীড়ন চালালেও এটি এখন পর্যন্ত অক্ষত রয়েছে। তবে তাদের সমাবেশটি কেন সহিংস রূপ নিলে তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশের বিভিন্ন শিবিরে আশ্রয় নেয়া ছয় লাখ ৫৫ হাজার রোহিঙ্গা শরণার্থীকে ফেরত নিতে শুরু করতে মিয়ানমার ও বাংলাদেশের মধ্যে প্রত্যাবাসন চুক্তি স্বাক্ষরের দিন এ সংঘর্ষ হলো।
পুলিশ এ সহিংসতার জন্য সেখানে সমবেত হওয়া জনতাকে দায়ী করেছে। কারণ, তারা জেলা প্রশাসনের একটি দপ্তর দখল করে সেখানে রাখাইন রাজ্যের পতাকা উত্তোলনের চেষ্টা চালাতে গেলে এ সংঘর্ষ শুরু হয়।
মিয়ানমার পুলিশের মুখপাত্র কর্নেল মিয়ো সোয়ে বলেন, নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা সমবেত জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে প্রথমে রাবার বুলেট ছুঁড়লেও তারা সরে না যাওয়ায় পুলিশ গুলি বর্ষণ করে। এতে সাতজন নিহত ও ১৩ জন আহত হয়। এএফপি

এই বিভাগের আরও খবর

  মিয়ানমারের পাঁচ জেনারেলের উপর অস্ট্রেলিয়ার নিষেধাজ্ঞা

  খুলে দেয়া হল বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সেতু

  তাইওয়ানে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা, নিহত-২২

  নাইজেরিয়ায় সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় নিহত-৫৫

  ভারতের পাঞ্জাব রাজ্যের দুর্ঘটনার দায় নিচ্ছে না কেউ, ক্ষোভে ফুঁসছে অমৃতসর

  ১০-১৫ সেকেন্ডেই ৩০০ মানুষের জমায়েত পরিণত হয় ছিন্ন-ভিন্ন দেহের স্তুপে

  রোহিঙ্গা ইস্যুতে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে শুনানির অনুরোধ

  নিউ ইয়র্ক টাইমসের অনুসন্ধানঃ ফেসবুকে রোহিঙ্গা নিধনে উসকানি দিয়েছিল মিয়ানমার সেনাবাহিনী

  হারিকেন মাইকেলের আঘাতে নিহত কমপক্ষে-৩০

  মিয়ানমারে শান্তি আলোচনা শুরু

  চীনের সঙ্গে ৫০০ মিলিয়ন ডলারের প্রকল্প বাতিল মিয়ানমারের

  0

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম বলেছেন, গুজব সনাক্তকরণে যে সেল করা হয়েছে, তা সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে মতপ্রকাশ নিয়ন্ত্রণ বা সোশ্যাল মিডিয়া পুলিশিং করবে না। আপনি কি এতে আশ্বস্ত?