শনিবার, ২৩ জুন ,২০১৮

Bangla Version
  
SHARE

শনিবার, ২৬ আগস্ট, ২০১৭, ০৯:০৭:৪৩

কোষ্ঠকাঠিন্য ও পাইলসের সমস্যার সমাধানে আমলকি

কোষ্ঠকাঠিন্য ও পাইলসের সমস্যার সমাধানে আমলকি

স্বাস্থ্য ডেস্কঃ-প্রতিদিন এক গাদা ভিটামিন ট্যাবলেট না খেয়ে খান একটি করে আমলকি খান কিংবা আমলকির পাউডার ব্যবহার করতে পারেন রান্নায়। এই সামান্য আমলকি আপনার স্বাস্থ্যের পক্ষে খুবই উপকারি ৷ জেনে নিন আমলকি খাওয়ার বেশ কিছু উপকারের কথা-
১। আমলকি চুলের টনিক হিসেবে কাজ করে এবং চুলের পরিচর্যার ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এটি কেবল চুলের গোড়া মজবুত করে তা নয়, এটি চুলের বৃদ্ধিতেও সাহায্য করে। এটি চুলের খুসকির সমস্যা দূর করে ও পাকা চুল প্রতিরোধ করে।
২। আমলকির রস কোষ্ঠকাঠিন্য ও পাইলসের সমস্যা দূর করতে পারে। এছাড়াও এটি পেটের গোলযোগ ও বদহজম রুখতে সাহায্য করে। এক গ্লাস দুধ বা জলের মধ্যে আমলকি গুঁড়ো ও সামান্য চিনি মিশিয়ে দিনে দু’বার খেতে পারেন। অ্যাসিডেটের সমস্যা কম রাখতে সাহায্য করবে।
৩। আধা চূর্ণ শুষ্ক ফল এক গ্লাস পানিতে ভিজিয়ে খেলে হজম সমস্যা কেটে যাবে। খাবারের সঙ্গে আমলকির আচার হজমে সাহায্য করে। প্রতিদিন সকালে আমলকির রসের সঙ্গে মধু মিশে খাওয়া যেতে পারে। এতে ত্বকের কালো দাগ দূর হবে ও ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়বে।
৪। আমলকির রস দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। এছড়াও চোখের বিভিন্ন সমস্যা যেমন চোখের প্রদাহ। চোখ চুলকানি বা জল পড়ার সমস্যা থেকে রেহাই দেয়। আমলকি চোখ ভাল রাখার জন্য উপকারী। এতে রয়েছে ফাইটো-কেমিক্যাল যা চোখের সঙ্গে জড়িও ডিজেনারেশন প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।
৫। প্রতিদিন আমলকির রস খেলে নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধ দূর হয় এবং দাঁত শক্ত থাকে। আমলকির টক ও তেতো মুখে রুচি ও স্বাদ বাড়ায়। রুচি বৃদ্ধি ও খিদে বাড়ানোর জন্য আমলকি গুঁড়োর সঙ্গে সামান্য মধু ও মাখন মিশিয়ে খাওয়ার আগে খেতে পারেন।
৬। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং মানসিক চাপ কমায়। কফ, বমি, অনিদ্রা, ব্যথা-বেদনায় আমলকি অনেক উপকারী। ব্রঙ্কাইটিস ও অ্যাজমার জন্য আমলকির জুস উপকারী।
৭। শরীর ঠাণ্ডা রাখে, শরীরের কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে, পেশি মজবুত করে। এটি হৃদযন্ত্র, ফুসফুসকে শক্তিশালী করে ও মস্তিষ্কের শক্তিবর্ধন করে। আমলকির আচার বা মোরব্বা মস্তিষ্ক ও হৃদযন্ত্রের দুর্বলতা দূর করে।
৮। শরীরের অপ্রয়োজনীয় ফ্যাট ঝরাতে সাহায্য করে। লোহিত রক্তকণিকার সংখ্যা বাড়িয়ে তুলে দাঁত ও নখ ভাল রাখে। এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান ফ্রি র‌্যাডিকালস প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। বুড়িয়ে যাওয়া ও সেল ডিজেনারেশনের অন্যতম কারণ এই ফ্রি র‌্যাডিকালস।
৯। সর্দি-কাশি, পেটের পীড়া ও রক্তশূন্যতা দূরীকরণে বেশ ভালো কাজ করে। ব্লাড সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে রেখে ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। কোলেস্টেরল লেভেলেও কম রাখাতে যথেষ্ট সাহায্য করে।

এই বিভাগের আরও খবর

  চট্টগ্রাম-রাঙ্গামাটি সড়কের রাউজানে বাস খাদে পড়ে নিহত-৪, আহত-২০

  হাজারো মানুষের ভালোবাসা আর ফুলেল শ্রদ্ধায় ডাঃ নিহারেন্দু তালুকদারের দাহক্রিয়া সম্পন্ন

  বান্দরবানের আলীকদম উপজেলায় বাঁশ-বেতের উপকরণে তৈরী হচ্ছে ‘শৈলকুঠির রিসোর্ট’

  খাগড়াছড়িতে স্কুল ছাত্রীকে গণধর্ষণের ঘটনায় আটক ৫ জনের ৫ দিন করে রিমান্ড আবেদন

  বলাকা ক্লাবের উদ্যোগে সৌখিন ফুটবল টুর্ণামেন্টঃ মংলা স্মৃতি চ্যাম্পিয়ন, পান্ডিয়া দল রানার্স আপ

  পার্বত্য এলাকায় শান্তি সম্প্রীতি রক্ষায় সকলকে একযোগে এগিয়ে আসতে হবে-বীর বাহাদুর এমপি

  লামায় ৭১ পিস ইয়াবাসহ ব্যবসায়ী আটক

  মাছ ধরা বন্ধকালীন সময়ে ৪০ কেজি করে চাল দেয়া না হলে হরতালসহ বৃহত্তর কর্মসূচী দেয়ার ঘোষণা

  যোগ ব্যায়ামের প্রসারের ফলে শারীরিক ও আত্মিক উন্নয়ন সম্ভব

  চেয়ার ছেড়ে দিয়ে সুষ্ঠ নির্বাচন দিন, তখন বুঝবেন কার কতটুকু সমর্থন-ওয়াদুদ ভূঁইয়া

  খালেদা জিয়ার নিঃশ্বর্ত মুক্তির না দিলে পার্বত্য রাঙ্গামাটি থেকে বৃহত্তর আন্দোলন



 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন