বৃহস্পতিবার, ০২ ডিসেম্বর ,২০২১

Bangla Version
  
SHARE

রবিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২১, ০১:০৭:৫৫

গুরুসতাং পাহাড়: এক অদেখা সৌন্দর্যের হাতছানি

গুরুসতাং পাহাড়: এক অদেখা সৌন্দর্যের হাতছানি

ড. মো.জিয়াউল ইসলাম মজুমদার:- ছাত্র জীবন থেকে পাহাড়ে ঘুরতে ভালো লাগলেও চাকরিতে প্রবেশের পর বিভিন্ন ছুটিতে সুযোগ পেলেই পাহাড় ট্র্যাকিং করতে যেতাম। সবচেয়ে বেশি ঘুরেছি বান্দরবানে। কেন যেন দেশের সৌন্দর্য সবার কাছে তুলে ধরতেই খুব ভালো লাগে। আমাদের পার্বত্য চট্টগ্রামের গহীনে যে সৌন্দর্য লুকিয়ে আছে তা যদি সঠিকভাবে ফুটিয়ে তোলা যায়, আমি হলফ করে বলতে পারি, তা হবে আমাদের পর্যটন শিল্পের জন্য এক বিশাল বিপ্লব! এতে দেশি-বিদেশি পর্যটকগণ যেমন আকৃষ্ট হবে, তেমনি দেশের প্রবৃদ্ধিতে যোগ হবে নতুন মাত্রা। কিন্তু কেন যেন এক্ষেত্রে আমরা একটু উদাসীন! আমাদের যতটুকু সৌন্দর্য উন্মোচিত হয়েছে, তাতে তরুণ প্রজন্মের অবদান সবচেয়ে বেশি। কারণ, তারাই সকল ভয়কে জয় করে গহীনের সৌন্দর্যকে জনসম্মুখে তুলে এনেছে। এতে আমারও কিঞ্চিত অবদান আছে বৈকি! কারণ, শত ব্যস্ততার মাঝেও এই কাজটি আমিও করে যাচ্ছি সকল ভয়-বাধাকে উপেক্ষা করে, আন্তরিকতার সাথে। যাক, নিজের ঢোল না পিটিয়ে আসল কথায় আসি। তবে, যে দিনকাল পড়েছে তাতে নিজের ঢোল নিজেকে না পিটিয়ে উপায় নাই! ফেসবুক, টুইটার আর ইউটিউবের যুগে সবাই নিজেকে তুলে ধরতেই প্রতিদ্বন্দ্বিতায় লিপ্ত। এক্ষেত্রে আমার নির্লিপ্ততা বরং বোকামীরই সামিল হবে। বান্দরবানে বেশি ঘুরলেও খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটিতেও ঘুরেছি অনেক। সেই ২০০৭ সালে রাঙ্গামাটির সুবলং ঘুরে গিয়েছিলাম। কেন যেন মনে হয়েছে, পার্বত্য চট্টগ্রামের আসল সৌন্দর্য রাঙ্গামাটিতেই লুকায়িত। রাঙ্গামাটি আর কালো পাথরের সুউচ্চ পাহাড়, সুবিস্তৃত স্বচ্ছ লেক আর অসংখ্য ঝর্ণার মিলিত সৌন্দর্য বিশ্বের খুব কম স্থানেই দেখা যায়। আমরা ভাগ্যবান যে, রাঙ্গামাটির মতো একটি প্রাকৃতিক ভূ-স্বর্গ আমাদের আছে। বিশ্বে যে ক’টি স্বাদু পানির লেক আছে তার মধ্যে সৌন্দর্য ও আয়তনে আমাদের কাপ্তাই লেক অন্যতম। গত ২০২০ সালের নভেম্বরে চাকরির সুবাদে রাঙ্গামাটি শহর হতে লংগদু উপজেলায় আসি। আসার পথে সুভলং ছোট ও বড় ঝর্ণার পাশ দিয়েস্পিড বোটে কাট্টলী বিল পাড়ি দেয়ার সময় দু’পাশের দিগন্ত বিস্তৃত পাহাড় আর তার মাঝের সবুজাভ পানি দেখে বিমোহিত হয়ে পড়ি। বিস্তৃত কাট্টলী বিলে জেলেদের মাছ ধরার দৃশ্য আর দু’পাশের সবুজ পাহাড়সারি যে-কারো মন কেড়ে নেবে। কাট্টলী বিল পাড়ি দেয়ার সময় দক্ষিণ-পূর্বদিকে ত্রিভূজাকৃতির সুউচ্চ একটি পাহাড় আমার দৃষ্টি আকর্ষণ করে। খোঁজ নিয়ে জানতে পারি, এটা গুরুসতাং পাহাড় এবং এটা এ অঞ্চলের অন্যতম সুউচ্চ পাহাড়। বরাবরের মতোই পুরো উপজেলা সম্পর্কে ধারণা নেয়ার জন্য পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিদর্শন করতে থাকি। দীর্ঘদিন ধরে পাহাড়ে ঘুরতে ঘুরতে পার্বত্য এলাকার উন্নয়নে নিজের মধ্যে বেশ আন্তরিকতা ও আগ্রহ অনুভব করি। সে কারণেই পুরা উদ্যোমে সাইট দেখা, পাহাড়-লেকের সৌন্দর্য দেখা আর সড়ক নেটওয়ার্কের পরিকল্পনা করতে থাকি। লংগদুর সাতটি ইউনিয়নের মধ্যে সর্বশেষে গুলশাখালী ইউনিয়ন পরিদর্শনে যাই। প্রথম পরিদর্শনেই বুঝতে পারি,নানা কারণেই লংগদু উপজেলার সবচেয়ে সম্ভাবনাময় এলাকা হচ্ছে গুলশাখালী ইউনিয়ন। আমার পর্যবেক্ষণ মতে, গুলশাখালীর সম্ভাবনাময়তার একটি বড় কারণ গুরুসতাং পাহাড় চূড়া। দেশি-বিদেশি পর্যটকদের এখানে চুম্বকের মতো টেনে আনার সকল সৌন্দর্যগুণই আছে এই পাহাড়ের। যদিও এখন পর্যন্ত এ সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর কোনো উদ্যোগই চোখে পড়েনি। গুরুসতাং পাহাড়টির চূড়া জয় এতোটা কষ্টসাধ্য ও দুর্গম হবে সেটা প্রথমে বুঝতে পারিনি। অফিসের সহকর্মী ও ঠিকাদারদের সাথে আলোচনায় জানতে পারি, এটি লংগদু উপজেলার গুলশাখালী ইউনিয়নে বিজিবি ক্যাম্পের কাছে অবস্থিত। কেউ কেউ বলেছিলেন, দু-তিন ঘণ্টা হাঁটলেই এর চূড়ায় যাওয়া সম্ভব! গুলশাখালীতে প্রথমদিন এসেই চৌমুহনী বাজার থেকে সাথের কার্যসহকারী সাদ্দাম ও মাসুমকে নিয়ে দুটি হোন্ডায় গুরুসতাং দর্শনে যাত্রা শুরু করি। উদ্দেশ্য ছিলযতদূর সম্ভব বিজিবি ক্যাম্প পর্যন্ত গিয়ে একটু ঘুরে আসা। হোন্ডার ড্রাইভার বলেছিল, আধঘণ্টা হোন্ডায় গিয়ে আরো আধাঘণ্টা হাঁটলেই গুরুসতাং বিজিবি ক্যাম্পের কাছে যাওয়া যাবে! সম্ভবত তখন মে মাস। গরম এবং বৃষ্টির আনাগোনা ছিলো। সাহস করে কোনো প্রকার পূর্বপ্রস্তুতি ছাড়াই বেলা বারোটার সময় রওনা দিলাম। কিন্তু পথিমধ্যে রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদ সদস্য আব্দুর রহিম সাহেবের আম বাগান পার হয়ে সামনে এগুতেই পথের নির্জনতা ও মেঘের ডাক মনে ভয় ঢুকিয়ে দিলো। ফিরে এলাম। পরের অভিজ্ঞতায় বুঝতে পারি যে, সেদিন হোন্ডা ড্রাইভারের কথা অনুযায়ী সামনে এগুলে গুরুসতাং বিজিবি ক্যাম্প পর্যন্ত যাওয়া তো দূরের কথা, বৃষ্টির পর একই রাস্তায় ফিরে আসাটাই কষ্টসাধ্য হতো! আসলে ওই দিন পূর্বপ্রস্তুতি না নিয়ে গুরুসতাং বিজিবি ক্যাম্প পর্যন্ত যাওয়ার চিন্তা বোকামীই ছিলো। কেননা, এসব ক্ষেত্রে শুধু সাহস আর ইচ্ছেশক্তি থাকলেই হয়না, দরকার যথাযথ পরিকল্পনা আর কৌশল। আসল কথা হলো, বান্দরবানের কেওকাড়াডং আর তাজিনডংসহ গহীন বনে ঘুরে গুরুসতাংকে তুচ্ছ ভেবে বেশি সাহসীই হয়ে গিয়েছিলাম! যাই হোক, মনে মনে গুরুসতাং জয়ের পন্থা খুঁজতে থাকি। সাথে উদ্যোগী তেমন কাউকেও পাচ্ছিলাম না। একদিন অফিসে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম ঝান্টু ভাইর সাথে এ বিষয়ে আলোচনা করতেই তিনি বললেন, গুরুসতাং বিজিবি ক্যাম্পের নিকট পাংখু পাড়ার কথা। ওরা পানির জন্য বেশ কষ্ট করছে এবং পাড়ায় পানি সরবরাহের প্রকল্পের জন্য দীর্ঘদিন দাবি জানিয়ে আসছে। পাংখু হেডম্যান ওনার পরিচিত ওঘনিষ্ঠ। ঝান্টু ভাই সেখানে আমাকে নিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ নিলেন। আমি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.মাইনুল আবেদীন এবং উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল বারেক সরকার মহোদয়ের সাথে আলোচনা করে পাংখুপাড়ায় পানি সরবরাহের সম্ভাব্যতা সরেজমিন দেখতে গুরুসতাং পাংখুপাড়ায় যাওয়ার পরিকল্পনা করি। সম্ভবত সেদিনের তারিখ ছিল ১২ জুন২০২১। আমি, ঝান্টু ভাই, উপজেলা সহকারী প্রকৌশলী শহীদুল ইসলাম এবং জাইকার ফ্যাসিলেটেটর টিংকু চাকমা গুরুসতাং পাংখুপাড়া উদ্দেশ্যে সকাল ন’টায় রওনা করি। আনুমানিক দুপুর বারোটায় পাংখু পাড়ায় পৌঁছি। সেদিন গুরুসতাং চূড়ায় না যেতে পারলেও পাংখুপাড়া পর্যন্ত এসে গুরুসতাং পাহাড়ের যে সৌন্দর্য দেখলাম, তাতে দলের সকলে অভিভূত। দ্বিতীয়বার গুলশাখালীর কতিপয় উৎসাহী তরুণ ও জনপ্রতিনিধিদের আগ্রহে পুনরায় গুরুসতাং অভিযানে যাই ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১। এবারও পাংখু পাড়া হয়ে বিজিবি ক্যাম্প পর্যন্ত এসে অভিযান শেষ হয়। চূড়া জয়ের আক্ষেপ থেকেই গেল! এবার সাথে ছিলেন লংগদু আওয়ামীলীগের বিশিষ্ট নেতা গুলশাখালীর শহিদুল ইসলামকামাল এবং মো.সিরাজুল ইসলাম সাহেবসহ গণ্যমান্য ২৫ জনের এক অভিযাত্রীদল। দেশের অন্যতম সেরা সম্ভাবনাময় পর্যটন স্থান হতে পারে এখন পর্যন্ত লোকচক্ষুর অন্তরালে থাকা এই গুরুসতাং হিল রেঞ্জ। দেশের এগারোটি হিলরেঞ্জের মধ্যে বরকল হিলরেঞ্জের অন্তর্গত জুরাছড়ি, বরকল উপজেলা হেড কোয়াটার হয়ে লংগদু উপজেলার গুরুসতাং হয়ে সাজেক পার হয়ে ভারতের ত্রিপুরা ও মিজোরাম সীমান্তের সুউচ্চ বেটলিন পাহাড় পর্যন্ত এই হিলরেঞ্জের অবস্থান। এই রেঞ্জে সাজেকের কংলাক পাহাড় চূড়া প্রায় ২৪০০ ফুট উঁচু। স্থানীয় বিজিবি জোনের তথ্য মতে,তার পরই গুরুসতাং পাহাড় চূড়া, যার উচ্চতা প্রায় ২০০০ ফুট। সাজেকের কংলাক চূড়া জয় করা গেলেও গুরুসতাং চূড়া এখনো অজেয়। অনেক চড়াই উৎরাই পার হয়ে এর চূড়ায় উঠতে হয়। তাই তেমন কেউই এর চূড়ায় রিস্ক নিয়ে উঠেনি। এখন পর্যন্ত স্থানীয় কিছু পাহাড়ী নাকি গুরুসতাংয়ের চূড়ায় উঠেছেন। এছাড়া কোনো এক সময় রাজনগর বিজিবি জোনের এক মেজর মহোদয় উঠার চেষ্টা করেছিলেন বলেও শোনা যায়। সাজেকের সাথে এই গুরুসতাংয়ের পার্থক্য হচ্ছে- সাজেকে শুধু পাহাড় আর তার গা-ঘেঁষে উড়ে বেড়ানো মেঘ দেখা যায়, তবে এর উপরিভাগ মাত্র দেড়-দুই কিলোমিটার বিস্তৃত ও সরু চূড়া। কিন্তু, গুলশাখালী ইউনিয়ন বিজিবি জোন বা বাজার থেকে মাত্র ১২ কিলোমিটার দূরত্বের গুরুসতাং পাহাড়ের উপরিভাগ প্রায় পাঁচ-ছয় কিলোমিটার, অনেক প্রশস্ততা নিয়ে বিস্তৃত। নিচের বিস্তৃত রাঙ্গামাটির লেক ভিউ, কাট্টলী বিল, পাহাড়ের কোলের মেঘ, ওপারের কর্ণফুলী নদীর উৎস ভারতের মিজোরামের সুউচ্চ লুসাই পাহাড় ভিউ, কর্ণফুলী রিভার ভিউ, পাদদেশের ছড়ায় অনেক সুন্দর ট্রেইল, ঝর্ণা, পাদদেশের পাংখুপাড়া, চাকমা পাড়া, সর্বোপরি গুলশাখালী হতে পাহাড় চূড়ার এই ১২ কিলোমিটার একটি ভয়ংকর সুন্দর ট্র্যাকিং রুট, যা পর্যটকসহ হিল ট্র্যাকারদের সহজেই আকৃষ্ট করবে। এর চারপাশে ছড়িয়ে থাকা নানা প্রাকৃতিক উপাদান গুরুসতাং হিল রেঞ্জকে ভিন্নমাত্রায় বৈচিত্র্যময় ও দেশের অন্যতম সুন্দর একটি পর্যটন স্পটের কাতারে দাঁড় করিয়েছে, কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে, এসব কিছুই এখনো লোকচক্ষুর অন্তরালে! স্থানীয় কিছু অধিবাসী ও বিজিবি ক্যাম্পের লোকজন ছাড়া তেমন কেউই এখানে যান না। গুলশাখালী রাজনগর বাজার হতে হোন্ডায় শুকনো রাস্তায় চার-পাঁচ কিলোমিটার যাওয়া যায়, বাকী ছয়-সাত কিলোমিটার পথ যেতে হয় হেঁটে। এই ১২ কিলোমিটার রাস্তায় কোনো ব্রিজ-কালভার্ট প্রয়োজন নেই। বর্তমানে ছয় চাকার ট্রলি শুষ্ক মৌসুমে প্রায় ছয়-সাত কিলোমিটার পর্যন্ত চলে যেতে পারে। বাকী পথটুকুতেও সুন্দর হাঁটার পথ বিদ্যমান। শুধু পেলোডার-এক্সকাভেটর দিয়ে কিছু প্রশস্ত করে স্লোপ মিলিয়ে আপাতত এইচবিবি করলেই পর্যটকদের জন্য এটি ব্যবহার উপযোগী হয়ে উঠবে। পাশাপাশি স্থানীয় পাংখু পাড়া ও চাকমা পাড়ার বাসিন্দাদের জন্য যোগাযোগ ব্যবস্থা হয়ে উঠবে সহজ ও সস্তির। ফলে তাদের উৎপাদিত ফসল বিক্রি যেমন সহজ হবে, তেমনি প্রয়োজনীয় জীবনোপকরণ সংগ্রহ করাও সহজ হবে। তাতে আর্থিক, সামাজিক জীবন-মানেরও অভাবনীয় উন্নতি হবে। গুলশাখালী থেকে গুরুসতাং পর্যন্ত সড়কটি এলজিইডির ইনভেন্টরিতেএকটি গ্রামীণ সড়ক হিসেবে অন্তর্ভুক্ত। কিন্তু গুরুসতাং পাহাড়ের অপর পাশের পাদদেশে সাজেকের রুইলুই হতে বরকলের ঠেগামুখ স্থলবন্দর পর্যন্ত ৫০-৬০ কিলোমিটার রাস্তা নির্মাণাধীন আছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অধীনে নির্মাণাধীন বর্ডার রোডের সাথে এই ১২ কিলোমিটার সড়ককে টেনে নিয়ে সংযোগ দিলেই (সহজেই সংযোগ সম্ভব) এই অঞ্চলের সড়ক যোগাযোগে আসবে বৈপ্লবিক পরিবর্তন। ফলে গুরুত্ব ও ব্যবহার বৃদ্ধির পাশাপাশি সড়কটি আরও উন্নত রোড শ্রেণিতে চলে আসবে। এতে আগামীতে লংগদু হয়ে ঠেগামুখ স্থলবন্দর স্বল্প দূরত্বে চলে আসবে। একই পথে খাগড়াছড়ি হয়ে ঢাকা বা চট্টগ্রাম বন্দর অথবা আগামীতে লংগদু হয়ে নানিয়ারচর দিয়ে রাঙ্গামাটি সদর, চট্টগ্রাম বন্দর পর্যন্ত সাথে সংযুক্ত হবে। এখন গুলশাখালী থেকে গুরুসতাং পর্যন্ত এই ১২ কিলোমিটার রাস্তা নির্মাণই প্রথম কথা। এতে এখানকার পাহাড়ীদের জীবনমানের অনেক উন্নতি সাধিত হবে এবং স্থানীয় অর্থনীতির চাকাও অনেক সচল হবে। পাশাপাশি দেশি-বিদেশি পর্যটকদের সামনে উন্মুক্ত হবে গুরুসতাং পাহাড়ের অদেখা সৌন্দর্যভা-ার। আমরা ইতোমধ্যে এলজিইডির দু’টি প্রকল্পে এই রাস্তাটি এইচবিবি করার প্রস্তাব করেছি, দেখা যাক কী হয়। কারণ, এখানকার উন্নয়ন অনেক যদি-কিন্তুর উপর নির্ভরশীল। লেখক:লেখক: উপজেলা প্রকৌশলী, এলজিইডি, লংগদু, রাঙ্গামাটি ইমেল:engziaulislam@gmail.com

এই বিভাগের আরও খবর

  পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির ২৪ বছর পূর্তি উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা

  আওয়ামী লীগের পতন শুরু হয়ে গেছে: মির্জা ফখরুল

  হাফ পাস ভাড়া প্রত্যাখ্যান শিক্ষার্থীদের

  রাঙ্গামাটিতে ঘরে ঢুকে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির এরিয়া কমান্ডারকে গুলি করে হত্যা

  কুমিল্লায় পূজামণ্ডপে পবিত্র কোরআন রাখার ঘটনায় ইকবাল রাঙ্গামাটির আদালতে

  রাঙ্গামাটিতে জেলা উন্নয়ন কমিটির সভা অনুষ্টিত

  তৃতীয় ধাপে বৃহত্তর চট্টগ্রামের ৫৪ ইউনিয়নের মধ্যে নৌকা ১৭, বিদ্রোহী ও স্বতন্ত্র ১৫

  বান্দরবানে শিক্ষার্থীদের টিকাদান শুরু

  বান্দরবানের রুমার তিনটিতে নৌকা ও একটিতে বিদ্রোহী প্রার্থীর জয়লাভ

  খাগড়াছড়ির দীঘিনালা ও মহালছড়ির ৭ইউপি নির্বাচনে বিজয়ী যারা

  ওমিক্রন উচ্চঝুঁকির, বিশ্বকে প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান ডব্লিউএইচওর



আজকের প্রশ্ন