সোমবার, ২৬ আগস্ট ,২০১৯

Bangla Version
SHARE

শুক্রবার, ২৬ জুলাই, ২০১৯, ০২:২১:৫৫

গান গাইলে স্বাস্থ্যের উন্নতি হয়, বলছেন গবেষকরা

গান গাইলে স্বাস্থ্যের উন্নতি হয়, বলছেন গবেষকরা

স্বাস্থ্য ডেস্কঃ-গান গাওয়া একদিকে যেমন মনকে প্রফুল্ল রাখে, তেমনি গবেষণায় দেখা গেছে যে এটি আমাদের স্বাস্থ্যের উন্নয়নে বড় ধরনের ভূমিকা রাখে। বিশেষ করে এতে ফুসফুসের অবস্থার উন্নতি হয় সেইসঙ্গে ডিমেনশিয়া বা স্মৃতিভ্রষ্ট রোগ মোকাবেলা করতেও সাহায্য করে।
ইউনিভার্সিটি কলেজ অব লন্ডনের অধ্যাপক ডেইজি ফ্যানকোর্ট বলেন, গান গাইলে কোর্টিসলের মতো স্ট্রেস হরমোন বা মানসিক চাপ সৃষ্টিকারী হরমোনের পরিমাণ কমে যায়। এছাড়া এটি এন্ডরফিন হরমোনের নিঃসরণেও সাহায্য করে। যে হরমোনের মাত্রার ওপর আমাদের মেজায়ে ভাল থাকা-না থাকা নির্ভর করে। গান গাওয়ার নানাবিধ স্বাস্থ্য সুবিধা রয়েছে। এর সঙ্গে জড়িে আছে আমাদের মানসিক অভিব্যক্তি, যেটা কিনা আমাদের মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ভাল।
এটি সামাজিক মিথস্ক্রিয়া বা মানুষের সঙ্গে ভাব আদান প্রদানে সাহায্য করে। ফলে মানুষের মধ্যে থাকা বিচ্ছিন্নতার অনুভূতি হ্রাস পায়। যারা নিয়মিত কনসার্টে যান - সেটা হোক ক্লাসিক সঙ্গীত বা রক মিউজিকের -তাদের প্রত্যেকের প্রায় একই হারে স্ট্রেস হরমোন কমেছে বলে জানা গেছে।
গবেষকরা বলেন, গুরুতর এবং স্থায়ী মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যায় যারা দীর্ঘদিন ধরে ভুগছেন, তাদের এমন সমস্যা থেকে বের করে আনতে গান গাওয়া বড় ধরণের উপকারে এসেছে।
সঙ্গীত, বিশেষ করে গান গাওয়া, ডিমেনশিয়া বা স্মৃতিভ্রষ্ট রোগে আক্রান্ত রোগীদের সাহায্য করার ক্ষেত্রে অনেকটা ওষুধের মতো কাজ করে।
ড. সাইমন ওফার বলেন, যখন আমরা গান করি, তখন আমাদের মস্তিষ্কের পিকর্টিক্যাল অংশে রক্তের প্রবাহ বাড়ে। মস্তিষ্কের এই অংশটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণেই মানুষের ডিমেনশিয়া হয়ে থাকে। যখন ডিমেনশিয়া রোগীরা গান গেয়ে ওঠেন বা গান শোনেন, তখন তারা অনেকটা ঘুম থেকে জেগে ওঠার অনুভূতি এবং বিভিন্ন কাজে নিজেদের আরও গভীরভাবে জড়িয়ে নেন।
গান গাওয়ার কারণে শরীরে এন্ডোরফিন নামের হরমোন নিঃসরিত হয়, যার সঙ্গে আমাদের মানসিক তৃপ্তি জড়িত। গান গাওয়ার সময় আমাদের গভীর শ্বাস নিতে হয়, যা শরীরের চারপাশে রক্ত প্রবাহ বাড়াতে এবং এন্ডোরাফিনের প্রভাব বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে। আমরা যখন অনেক হাসাহাসি করি বা চকোলেট খাই, তখন আমাদের শরীরে এন্ডোরাফিনের ঝড় বয়ে যায়।
এক গবেষণায় দেখা গেছে যে, ৪০ মিনিট ধরে দলীয় গান গাওয়ার পরে মানুষের শরীরে কর্টিসোল বা স্ট্রেস হরমোন স্বাভাবিক সময়ের চাইতে বেশি হারে নিঃসরিত হয়েছে।
আমাদের কর্টিসলের মাত্রা সাধারণত দিনের শেষে বন্ধ হয়ে যায়, তবে গান গাইলে এর নিঃসরণের গতি আরও বাড়ে।
গবেষকরা জানিয়েছেন, গান গাইলে শরীরে অনেক গুরুত্বপূর্ণ হরমোন নিঃসরণ হয়। এছাড়া গান গাইলে অক্সিটোসিন হরমোন উৎপাদন হয়। যাকে কখনও কখনও 'প্রেমের হরমোন' বলা হয়। আমরা যখন প্রিয় কাউকে আলিঙ্গন করি তখন অক্সিটোসিন হরমোন নি:সরণ হয়। এই হরমোন বিশ্বাস এবং বন্ধনের মতো মানবিক অনুভূতিগুলোকে বাড়াতে সাহায্য করে। গান গাইলে মস্তিষ্কে নিউরোট্রান্সমিটার হিসেবে কাজ করা ডোপামিন হরমোনও নিঃসরিত হয়। এটি মন মেজাজ ভাল রাখতে বা ভাল অনুভূতি জাগাতে সাহায্য করে।
সূত্র: বিবিসি বাংলা

এই বিভাগের আরও খবর

  পাহাড়ে ম্যালেরিয়া রোগে অনেকেই মারা গেছে, এই রোগকে অবহেলা করলে চলবে না-অংসুই প্রু চৌধুরী

  পার্বত্য এলাকার সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা আগের চেয়ে অনেকটাই উন্নত হয়েছে- পার্বত্য মন্ত্রী বীর বাহাদুর

  জাতীয় শোক দিবসে জাতির সাথে বিশ্বাস ঘাতকতা করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষ

  পৌরসভাকে আরো এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে পৌর কর্তৃপক্ষ নিষ্ঠার সাথে কাজ করে যাচ্ছে-মেয়র আকবর হোসেন চৌধুরী

  অপরাধ দমনে সবসময় সতর্ক থাকতে হবে-অধ্যাপক মোঃ শফিউল্লাহ

  লামায় “উপজেলা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্লাবের” শুভ উদ্বোধন

  সাংবাদিক কামালের হত্যান্ডের ১ যুগ পার হলো

  বর্তমান সরকার পাহাড়ে যেমন শান্তি প্রতিষ্টিত করেছে তেমনী শিক্ষা ও উন্নয়নেও এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে-পার্বত্য মন্ত্রী বীর বাহাদুর

  কাপ্তাইয়ে শুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষে সনাতনী সম্প্রদায়ের সাথে সংসদ সদস্য দীপংকর তালুকদারের শুভেচ্ছা বিনিময়

  লামায় উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক

  স্বেচ্ছাসেবক দলের ৩৯তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে রাঙ্গামাটিতে বর্ণাঢ্য র‌্যালী ও আলোচনা সভা



 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন