শনিবার, ২৫ মে ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

রবিবার, ১২ মে, ২০১৯, ০৯:০২:৫৬

নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব দিতে ১ মাস সময় পেলো ৩৭ দল

নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব দিতে ১ মাস সময় পেলো ৩৭ দল

ডেস্ক রিপোর্টঃ-নির্ধারিত সময়ের মধ্যে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ব্যয়ের হিসাব না দেয়ায় ৩৭টি রাজনৈতিক দলকে আরো এক মাস সময় দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব বিবরণী দেয়ার জন্য পুরো মে মাস সময় পাবে দলগুলো। বর্ধিত এই সময়ের মধ্যে বিবরণী জমা দিতে রবিবার দলগুলোর সাধারণ সম্পাদক/মহাসচিবের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে। এরপরও এসব দল যদি হিসাব জমা না দেয় তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনত যে ব্যবস্থা নেওয়া দরকার সেটি কমিশন নিবে বলে গত সপ্তাহে জানিয়েছিলেন ইসির সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ।
ইসির উপ-সচিব আব্দুল হালিম বলেন, নির্ধারিত সময়ে হিসাব দিতে ব্যর্থ দলগুলোকে পরবর্তী এক মাসের মধ্যে বিবরণী জমা দেয়ার তাগাদা দিতে চিঠি দেয়া হল। এরপরও ব্যর্থ হলে জরিমানাসহ ১৫ দিনের মধ্যে হিসাব জমা দেয়ার সুযোগ পাবে। এরপরও হিসাব না দিলে নিবন্ধন বাতিলের সুযোগ রয়েছে ইসির।
একাদশ জাতীয় নির্বাচনের ফলের গেজেট প্রকাশের পর পরবর্তী তিন মাসের মধ্যে ব্যয়ের হিসাব নির্বাচন কমিশনে জমা দেয়ার নিয়ম রয়েছে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে। একাদশ সংসদ নির্বাচনের ফল গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়েছিল ১ জানুয়ারি। সে অনুযায়ী রাজনৈতিক দলগুলোর ২ এপ্রিলের মধ্যে নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব বিবরণী জমা দেয়ার কথা ছিল। কিন্তু নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী ৩৯টি দলের মধ্যে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও ন্যাপ ছাড়া আর কোনো দল ওই সময়ে হিসাব বিবরণী দাখিল করেনি। আওয়ামী লীগ গত ২১ এপ্রিল নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব জমা দিয়েছে। গত বুধবার নির্বাচনে দলের ব্যয়ের হিসাব জমা দেয়ার জন্য সময় বাড়াতে নির্বাচন কমিশনে চিঠি দিয়েছে বিএনপি।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের (আরপিও) ৪৪ সিসিসি ধারায় বলা আছে, প্রতিটি রাজনৈতিক দলকে নির্বাচন শেষ হওয়ার পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে তাদের নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব ইসিতে জমা দিতে হবে। ৪৪ডি ধারায় বলা আছে, কোন দল ৯০ দিনের মধ্যে ব্যয়ের হিসাব জমা দিতে না পারলে ইসি তাদের সতর্ক করে নোটিশ দিয়ে পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যে হিসাব জমা দেয়ার নির্দেশ দিতে পারবে। এই সময়ের মধ্য কোনো দল হিসাব জমা দিতে ব্যর্থ হলে ইসি তাদের ১০ হাজার টাকা জরিমানা করে পরবর্তী ১৫ দিনের মধ্যে হিসাব জমা দেয়ার নির্দেশ দিতে পারবে। কোনো দল এই ধাপেও ব্যর্থ হলে ইসি সেই দলের নিবন্ধন বাতিল করতে পারবে।
ইসির সংশ্লিষ্ট শাখার কর্মকর্তারা জানান, বিএনপিসহ ৩৭টি দল একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ব্যয়ের হিসাব জমা দেয়নি। আরপিও অনুযায়ী, যে দল থেকে সর্বোচ্চ ৫০ জন প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন, সে দল সর্বোচ্চ ৭৫ লাখ টাকা ব্যয় করতে পারে। সর্বোচ্চ ১০০ প্রার্থীর জন্য দেড় কোটি টাকা করা যায়। সর্বোচ্চ ২০০ প্রার্থীর জন্য তিন কোটি টাকা এবং ২শ’র বেশি প্রার্থী দিলে সংশ্লিষ্ট দল সর্বোচ্চ সাড়ে চার কোটি টাকা ব্যয় করতে পারে। এক্ষেত্রে আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সাড়ে চার কোটি টাকা ব্যয় সীমা ছিল। কেননা, এই তিনটি দলের প্রার্থী রয়েছে দুইশ’র বেশি। আর জাপার ব্যয়সীমা ছিল তিন কোটি টাকা। এরশাদের নেতৃত্বাধীন দলটির প্রার্থী ছিলেন ১শ’র বেশি।
উল্লেখ্য, সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ২৫৮জন, বিএনপির ২৪২ জন ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ২৯৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। আর জাপর প্রার্থী দেয় ১৭৪ আসনে। দলগুলো চাঁদা ও অনুদানসহ অন্যান্য খাত থেকে আয় করতে পারে। তবে নির্বাচনে ব্যয় করতে হয় নির্ধারিত খাতে। এগুলো হলো দলীয় প্রধানের ভ্রমণ, পোস্টার, প্রচার কাজের জন্য ব্যয়।
ইসির নিবন্ধন পেল বাংলাদেশ কংগ্রেস
বাংলাদেশ কংগ্রেসকে এবার নিবন্ধন দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এখন ডাব প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে দলটি। কংগ্রেসকে নিবন্ধন দেয়ার বিষয়ে আদালতের আদেশকে কারণ দেখিয়েছে ইসি। বাংলাদেশ কংগ্রেস নামের দলটিকে ‘ডাব’ প্রতীকে ৪৪ নম্বর দল হিসেবে নিবন্ধন দিয়েছে ইসি। আদালতের আদেশ মেনে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন করা হয়েছে। বর্তমানে ইসিকে ৪১টি দল নিবন্ধিত রয়েছে। জামায়াতে ইসলামী, ফ্রিডম পার্টিসহ তিনটি দল শুরুতে নিবন্ধিত হলেও পরে তা বাতিল হয়।
গত ৩০ ডিসেম্বরের ভোটের আগে নতুন দল হিসেবে নিবন্ধন পেতে ৭৬টি দল আবেদন করেছিল। সংক্ষিপ্ত বাছাইয়ে ঠিকে থাকা কংগ্রেসহ দুটি দলের মাঠ পর্যায়ের অফিস তদন্তে নেমে নেতিবাচক প্রতিবেদন থাকায় নিবন্ধন দেয়নি ইসি। বাংলাদেশ কংগ্রেসের চেয়ারম্যান কাজী রেজাউল হোসেন ও মহাসচিব ইয়ারুল ইসলাম তখন ইসির সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আবেদন করেও সাড়ায় পাননি। পরে আদালতের শরণাপন্ন হলে সমপ্রতি দলটিকে নিবন্ধন দিতে আদেশ দেয় আদালত। এর আগে একাদশ সংসদ নির্বাচনের পর জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন-এনডিএমকেও আদালতের আদেশে নিবন্ধন দেয়া হয়।

এই বিভাগের আরও খবর

  অসাম্প্রদায়িক পার্বত্য অঞ্চল গড়ে তুলতে মারমা জাতি গোষ্ঠী কাজ করে চলেছে-অংসুই প্রু চৌধুরী

  উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি লামার যে গ্রামে!

  আমাদের দেশের জন্য যেসব সুচক দরকার সেগুলো বাস্তবায়নের জন্য কাজ করে যেতে হবে-মোঃ এসএম শফি কামাল

  কোন সন্ত্রাসীর বান্দরবানে আশ্রয় হবে না, সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে-জাকির হোসেন মজুমদার

  বান্দরবানে আঃ লীগ নেতা চথোয়াইমং মারমাকে অপহরণঃ প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

  পার্বত্যাঞ্চলে সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের অপকর্মকান্ড বন্ধ, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও সেনাক্যাম্প পূর্ণস্থাপনের দাবি

  রুমায় অস্ত্রসহ মগ লিবারেশন পার্টির শীর্ষস্থানীয় নেতা মংটু মারমা গ্রেফতার

  নানিয়ারচরে মিনি ট্রাক উল্টে একজন নিহত, আহত-১

  বান্দরববানে আওয়ামীলীগ নেতাকে অপহরণের প্রতিবাদে থানচিতে মিছিল ও প্রতিবাদ সভা

  বান্দরবানে সাবেক কাউন্সিলরকে অপহরণের প্রতিবাদে আলীকদমে আওয়ামীলীগের প্রতিবাদ সভা

  থানচিতে ভাল্লুকের কামড়ে একজন আহত



 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন