বুধবার, ১৫ আগস্ট ,২০১৮

Bangla Version
SHARE

মঙ্গলবার, ১২ জুন, ২০১৮, ০৯:২৭:২২

কাপ্তাইয়ে দিনভর ভারি বৃষ্টি ১৪ স্থানে পাহাড় ধস

কাপ্তাইয়ে দিনভর ভারি বৃষ্টি ১৪ স্থানে পাহাড় ধস

কাজী মোশাররফ হোসেন, কাপ্তাইঃ-গত ৩ দিন ধরে কাপ্তাইয়ে টানা ভারি বৃষ্টিপাত হচ্ছে। এই বৃষ্টিতে কাপ্তাই উপজেলার বিভিন্ন স্থানে কমপক্ষে ১৪ জায়গায় পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। অনেক স্থানে পাহাড়ের মাটি রাস্তার উপর পড়ে সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। কাপ্তাই উপজেলার শীলছড়িতে পাহাড় ধসের মাটি সরাসরি কাপ্তাই-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এসে জড় হয়। এতে সড়কের উপর প্রায় হাঁটু পরিমাণ কাদামাটি জমে যায়। এসময় ১০ আনসার ব্যাটালিয়নের সৈনিকদের নিজ উদ্যোগে কোদাল ও বেলচা দিয়ে সড়কের মাটি অপসারন করতে দেখা যায়। ১০ আনসার ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক উপ-পরিচালক আফজাল হোসেন জানান ভারি বৃষ্টি হলেই ১০ আনসার ব্যাটালিয়ন সংলগ্ন পাহাড়ে ধস নামে। এসময় মহাসড়ের দীর্ঘপথে কাদামাটি ছড়িয়ে যায়। যার ফলে সড়কে যান চলাচলে বিঘœ ঘটে। অবশ্য যতবারই সড়কে মাটি জমে ততবারই ১০ আনসার ব্যাটালিয়নের সদস্যরা সড়কের মাটি অপসারনে নেমে পড়ে বলেও উপ-পরিচালক আফজাল হোসেন জানান।
এদিকে ওয়া¹া ইউনিয়নের মুরালি পাড়ায় বড় ধরনের ধস নামে বরে জানান স্থানীয় মেম্বার অংচা প্রু মারমা। তিনি বলেন পাহাড় ধসের কারণে সড়কের পাশে অবস্থিত বড় একটি বট গাছ একদিকে হেলে পড়ে। এতে সড়কে যান চলাচলে প্রতিবন্ধকতা দেখা দেয়। এছাড়াও উপজেলার বরইছড়ি, কেপিএম, ওয়া¹া মারমাপাড়া, ভেলপ্পা পাড়া, সুইডেন পলিটেকনিক মসজিদসহ বিভিন্ন স্থানে পাহাড় ধসের কারণে ভাঙ্গন দেখা দেয়।
ভারি বৃষ্টিতে পাহাড় ধসের ফলে কাপ্তাই উপজেলায় কোন প্রাণহাণির ঘটনা যাতে না ঘটে সে জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে সবরকম প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানান কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মাদ রুহুল আমিন। তিনি বলেন আমরা ইতিমধ্যে মাইকিং করেছি। ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে একটি পরিবারও বসবাস করতে পারবেনা। সবাইকে দ্রুত নিজ উদ্যোগে দ্রুততম সময়ের মধ্যে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাবার জন্য তিনি আহবান জানান। তবে কেউ সরতে না চাইলে বল প্রয়োগ করে তাকে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা ত্যাগে বাধ্য করা হবে বলেও তিনি জানান। উপজেলার প্রতিটি স্কুলে আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ বসতিদের ঐসব আশ্রয় কেন্দ্রে যাবার জন্যও তিনি আহবান জানান।
এ ব্যাপারে কাপ্তাই উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ দিলদার হোসেন বলেন, গত বছরের ১৩ জুন পাহাড় ধসে কাপ্তাইয়ে ১৯ জন মারা গেছে। শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। বিপুল সংখ্যক ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এবারের ভারি বৃষ্টি ও পাহাড় ধসের কারণে একজন লোকও যাতে মৃত্য বরণ না করেন সে জন্য প্রশাসন কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে বলেও তিনি জানান। প্রশাসনিক কাজে সহযোগিতা করার জন্য তিনি সকলের প্রতি অনুরোধ জানান।

এই বিভাগের আরও খবর

  সকলের সচেতনতাই পারে সকল প্রকার দূর্ঘটনা প্রতিরোধ করতে-বীর বাহাদুর এমপি

  প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের ভাগ্য উন্নয়ন তথা তাদের ক্ষমতায়নে সরকার বদ্ধ পরিকর-নব বিক্রম কিশোর ত্রিপুরা

  যোগদানকৃত নতুন রিজিয়ন কমান্ডারের সাথে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের সৌজন্য সাক্ষাৎকার

  বান্দরবানে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে স্প্রে মেশিন ও মাছের পোনা বিতরণ করলেন পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী

  খাগড়াছড়িতে অপহৃত ৪ জনের মুক্তির দাবীতে সড়কে বিক্ষোভঃ অবশেষে ২২ ঘন্টা পর উদ্ধার

  এতিমখানা ও মোনঘর শিশু সদনে রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের নগদ অর্থ বিতরণ

  লামার ইয়াংছা-বনপুর সড়কের ৯ কিলোমিটার মানুষের মরণফাঁদ !

  ৩০ লক্ষ শহীদের শ্রদ্ধার্ঘ্যে রাঙ্গামাটিতে পুলিশের উদ্যোগে সবুজায়ন কর্মসূচী

  বৃষ্টি নেই বাতাস নেই তবুও ঘন ঘন বিদ্যুতের লোডশেডিং রাঙ্গামাটিবাসীর নাভিশ্বাস

  বরকলের আইন-শৃঙ্খলা যাতে বিঘ্ন না ঘটে তার জন্য সবাইকে সজাগ থাকতে হবে-সাজিয়া পারভীন

  থানচিতে বিশেষ আইন-শৃংখলা সভা



 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন