শনিবার, ২৩ জুন ,২০১৮

Bangla Version
SHARE

রবিবার, ১০ জুন, ২০১৮, ০৭:৩৯:২০

লামায় গৃহবধু আলপনা মৃত্যুর ঘটনাঃ বিষপানে নয় পরিকল্পিত খুন দাবী পরিবারের

লামায় গৃহবধু আলপনা মৃত্যুর ঘটনাঃ বিষপানে নয় পরিকল্পিত খুন দাবী পরিবারের

মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, লামাঃ-লামা উপজেলার রুপসীপাড়া ইউনিয়নের টিয়ারঝিরি এলাকায় শশুর বাড়ির লোকজন কর্তৃক শারীরিক, মানসিক ও পারিবারিক নির্যাতনে গৃহবধু মঞ্জুরা বেগম আলপনাকে পরিকল্পিত হত্যা করা হয়েছে বলে দাবী করেছে তার পিতা তাজুল ইসলাম ও মাতা রওশন আরা বেগম। ঘটনাটি পরিকল্পিত খুন বলে ব্যাখ্যা দিয়ে রোববার (১০ জুন) লামা রিপোর্টার্স ক্লাব হলরুমে এক সংবাদ সম্মেলন করে তার পরিবার।
এসময় নিহতের পিতা তাজুল ইসলাম লিখিত প্রেস রিলিজে বলেন, গত ২০০৮ইং সালে আমার মেয়েকে টিয়ারঝিরি এলাকার আব্দু রহমানের ছেলে মো. জাকির হোসেনের সাথে বিবাহ দিই। বর্তমানে সে দুই সন্তানের জননী। বিবাহের পর থেকে কখনও সুখের ছিলনা আমার মেয়ের দাম্পত্য জীবন। সবশেষ গত ০৭ জুন ২০১৮ইং বৃহস্পতিবার মেয়ের শশুড় বাড়ির লোকজন শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে পরিকল্পিতভাবে আমার মেয়ে হত্যা করে।
তিনি আরো বলেন, আলপনার স্বামী মো. জাকির হোসেন ৫/৬ মাস আগে চট্টগ্রামে ২য় বিবাহ করে। সে তার নতুন স্ত্রীকে নিয়ে চট্টগ্রামে বসবাস করে ও ১ম স্ত্রীর কোন দেখাশুনা করেনা। মাঝে মধ্যে বাড়িতে আসত এবং তার মাতা শেফালি বেগম, পিতা আব্দু রহমান, বড় ভাই মন্টু মিয়া, বোন নাজমা বেগম, ফাহিমা বেগম কে নিয়ে আলপনাকে অমানবিক শারীরিক-মানসিক নির্যাতন করত। মেয়ের নির্যাতনের কথা শুনে গত সোমবার (৪ জুন) আলপনার মা আমার স্ত্রী রওশন আরা বেগম মেয়েকে দেখলে তার শশুর বাড়িতে গেলে বেয়াই বাড়ির লোকজন খারাপ ব্যবহার করে এবং মারতে চায়। বুধবার (৬ জুন) সন্ধ্যায় আমার স্ত্রী চলে আসে। পরেরদিন বৃহস্পতিবার ( ৭জুন) সকালে মেয়ের পাশের বাড়ির লোকজন আমাদের ফোন করে জানায় আলপনা বিষপান করেছে। আমরা মেয়ের বাড়িতে গিয়ে মেয়েকে নিয়ে লামা হাসপাতালে আসি। লামা হাসপাতালে আসলে তার অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় কক্সবাজার হাসপাতালে রেফার করে। কক্সবাজার নেয়ার পর হাসপাতালের ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করে। আমরা মনে করি মেয়ের শশুর বাড়ির লোকজন তাকে পরিকল্পিত ভাবে মেরে ফেলে বিষপানে মৃত্যু বলে চালিয়ে দিতে চেয়েছে। আমি এই ঘটনার সুষ্ঠ তদন্ত পূর্বক বিচারের দাবী করছি এবং দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবী করছি। এছাড়া মেয়ের জামাই মো. জাকির হোসেন কয়েকবার যৌতুকের টাকার দাবী করে। আমরা আমাদের এলাকার লোকজন হতে হাওলাত করে দুইবারে ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা মেয়ের স্বামীকে দিই। বিষয়টি সুষ্ঠ তদন্ত পূর্বক আইনী সহায়তা সহ দোষীদের আইনের আওতায় আনার অনুােরধ করছি।
এই বিষয়ে লামা থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা লামা থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক কামাল উদ্দিন বলেন, আমি ঘটনাস্থলে তথা মেয়ের শুশুর বাড়ি এলাকা পরিদর্শন করেছি। মামলাটির তদন্ত চলছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট এলে মূল কারণ জানা যাবে।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ছাচিং প্রু মার্মা বলেন, ঘটনাটি দুঃখজনক। মেয়েটি ভাল ছিল। মূল কারণ বের করে দোষীদের শাস্তি দাবী করছি।

এই বিভাগের আরও খবর

  সম্প্রতি প্রবল বর্ষনে শাহ হাই স্কুল ভবন ও অডিটরিয়ামের পিছনে ভাঙ্গন, প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নেয়া জরুরী

  চট্টগ্রাম-রাঙ্গামাটি সড়কের রাউজানে বাস খাদে পড়ে নিহত-৪, আহত-২০

  হাজারো মানুষের ভালোবাসা আর ফুলেল শ্রদ্ধায় ডাঃ নিহারেন্দু তালুকদারের দাহক্রিয়া সম্পন্ন

  বান্দরবানের আলীকদম উপজেলায় বাঁশ-বেতের উপকরণে তৈরী হচ্ছে ‘শৈলকুঠির রিসোর্ট’

  খাগড়াছড়িতে স্কুল ছাত্রীকে গণধর্ষণের ঘটনায় আটক ৫ জনের ৫ দিন করে রিমান্ড আবেদন

  বলাকা ক্লাবের উদ্যোগে সৌখিন ফুটবল টুর্ণামেন্টঃ মংলা স্মৃতি চ্যাম্পিয়ন, পান্ডিয়া দল রানার্স আপ

  পার্বত্য এলাকায় শান্তি সম্প্রীতি রক্ষায় সকলকে একযোগে এগিয়ে আসতে হবে-বীর বাহাদুর এমপি

  লামায় ৭১ পিস ইয়াবাসহ ব্যবসায়ী আটক

  মাছ ধরা বন্ধকালীন সময়ে ৪০ কেজি করে চাল দেয়া না হলে হরতালসহ বৃহত্তর কর্মসূচী দেয়ার ঘোষণা

  যোগ ব্যায়ামের প্রসারের ফলে শারীরিক ও আত্মিক উন্নয়ন সম্ভব

  চেয়ার ছেড়ে দিয়ে সুষ্ঠ নির্বাচন দিন, তখন বুঝবেন কার কতটুকু সমর্থন-ওয়াদুদ ভূঁইয়া



  0

  0

  0

  0

আজকের প্রশ্ন