বুধবার, ১৫ আগস্ট ,২০১৮

Bangla Version
  
SHARE

বুধবার, ২৩ মে, ২০১৮, ০৯:০৪:৪৯

ঢাকার বিএসএমএমইউ থেকে বলছি (২)

ঢাকার বিএসএমএমইউ থেকে বলছি (২)

মোস্তফা কামালঃ-বিশেষ দিনগুলোতে হাসপাতাল, কারাগার সমূহে উন্নতমানের খাবার পরিবেশনের সংবাদ বিভিন্ন সময় একাধিকবার লিখিছি। তবে উন্নতমানের খাবারের সাথে সরাসির সম্পৃক্ততা ছিলনা। ২৮ বছরের সাংবাদিকতার জীবনে এটি শুধু নিউজের মধ্যই সীমিত ছিল। তবে আজ ২ রা মে ঢাকার বিএসএমএম ইউ (পিজি)  হাসপাতালের একজন রোগী হিসাবে এ বিশেষ খাবারের স্বাদ নিলাম। পবিত্র শবে বরাত উপলক্ষে রোগীদের এ খাবার সরবরাহ করা হয়। দুপুরের খাবারের ম্যানুতে ছিল সাদা পোলাও ভাত, এক পিস মুরগীর মাংস, ১টি ডিম। সাথে ছিল একখন্ড লেবু। উন্নতমানের খাবারের স্বাদ নিলাম। ভালই তৃপ্তি পেলাম।
পিজি হাসপাতালে ভর্তির পর থেক দেখছি আমাদের কিডনি ওয়ার্ডের ১৬ জন রোগীর মাঝে সকাল সাড়ে ৬ টার মধ্যে সকালের নাস্তা (৪ পিস পাউরিটি, ২ টি কলা, ১ টি সিদ্ধ ডিম, প্রয়োজন হলে চিনি) দুপুর ১২ টার মধ্যে সাদা ভাত, মাছ অথবা মাংস, সাথে সব্জি অথবা ডাল এবং বিকাল ৫ টার মধ্যে রাতের খাবার হিসাবে মাংস, সব্জি, সাদা ভাত অথবা রুটি সরবরাহ করা হয়। কিডনি ওয়ার্ডটি পরিস্কার  পরিচ্ছন্ন এবং সরবরাহকৃত খাবার ও স্বাস্থ্য সম্মত। তবে ভাত হিসাবে মোটা সিদ্ধ চাল দেয়া হয় বিধায় বিশেষ করে আমাদের চট্টগ্রাম এলাকার রোগীদের কিছুটা সমস্যা হয়।
২০১২ সালের পর থেকে বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর দেশ- বিদেশে র বিভিন্ন প্রাইভেট হাসপাতাল গুলোতে চিকিৎসা গ্রহণ করলেও সরকারী হাসপাতাল হিসাবে পিজিতে গত ২৮ এপ্রিল  থেকে ভর্তি আছি। এখানের সার্বিক চিকিৎসার মান অনক ভাল বলেই মনে হচ্ছে।তবে সেবা  সমূহ বিশেষ করে সকল পরীক্ষা- নিরীক্ষা গুলো নির্ধারিত ফি দিয়ে করতে হয় অনেকটা প্রাইভেট ক্লিনিকের মতো। সরকারী বন্ধের দিনগুলোতে হাসপাতালে শুধুমাত্র ডিউটি ডাক্তার তাঁর নিয়মে থাকেন বলে রোগীদের কাছেও এগুলো বন্ধের দিন হিসাবে পরিচিত।
২৮ এপ্রিল এখানে ভর্তির পর পবিত্র বুদ্ধ পূর্নিমা, মে দিবস এবং পবিত্র শবে করাতের তিন দিন সরকারী বন্ধ ছিল। আশা করছি আগামী শনিবার থেকে পূর্ণমাত্রায় চিকিৎসা শুরু হবে। গত কয়কদিনের এখানে অবস্থানের কারনে দেখছি ওয়ার্ডের রোগীরা কিভাবে মূহুর্তের মধ্যে একজন অপরজনের কাছে এতো আপন হয় উঠে। অসুস্থ্য স্বামীর প্রতি স্ত্রীর প্রকৃত ভালবাসা কিংবা সন্তানের প্রতি মায়ের ভালবাসা আবার পিতার প্রতি সন্তানের ভালবাসার প্রকৃত চিত্র  দেখা যায়। কোন রোগী যখন রিলিজ নিয়ে বাড়ী ফিরে যান তখন সবার কাছ থেকে যেভাবে বিদায় নেন তা এক কথায় অনন্য।
দোয়া করবেন সবাই আমিও যাতে পরিপূর্ণ চিকিৎসা নিয়ে সবার কাছ থেকে হাস্যচ্ছল মুখে বিদায় নিয়ে রাঙ্গামাটি ফিরে আসতে পারি। রাঙ্গামাটির প্রিয় আবাসস্থল, কর্মস্থলে  শিশু নিকেতন স্কুল ক্যাম্পাস, আদরেরর তোরশা মা মনির নিষ্পাপ মুখ, সহকর্মী, বন্ধুবান্ধব, কাছের প্রিয় শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিবর্গ, স্নেহ ভাজন ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য খুবই খারাপ লাগে। মনে করে সবকিছু ফেলে এক্ষুনি ছুটে আসি।

এই বিভাগের আরও খবর

  বান্দরবানে ও যথাযথ মর্যাদায় পালিত হয়েছে ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস

  শোক র‌্যালী, পুষ্পমাল্য অর্পণের মধ্যে দিয়ে রাঙ্গামাটিতে জাতির জনকের শাহাদাৎ বার্ষিকী পালিত

  দীর্ঘ ৩৬ বছর ধরে দৈনিক গিরিদর্পণ পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের মুখপাত্র হিসাবে কাজ করেছে-নব বিক্রম কিশোর ত্রিপুরা

  খাগড়াছড়ি ও দীঘিনালায় বিভিন্ন কর্মসূচীর মধ্যে দিয়ে জাতীয় শোক দিবস পালিত

  জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর জীবন নিয়ে কাঠ চিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন

  যথাযোগ্য মর্যাদায় বরকল, জুরাছড়ি, বিলাইছড়ি, লংগদু ও রাজস্থলীতে জাতীয় শোক দিবস পালন

  লামায় উপজেলা প্রশাসন ও আওয়ামীলীগের উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবস পালিত

  রামগড়ে ভাবগম্ভীর পরিবেশে জাতীয় শোক দিবস পালিত

  বিএনপি-জামাত নির্বাচনের আগে নতুন প্রজম্মকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে-কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি

  সকলের সচেতনতাই পারে সকল প্রকার দূর্ঘটনা প্রতিরোধ করতে-বীর বাহাদুর এমপি

  থানচিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় শোক দিবস পালন



  0

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন