বৃহস্পতিবার, ২৪ জানুয়ারী ,২০১৯

Bangla Version
SHARE

সোমবার, ২২ অক্টোবর, ২০১৮, ০৮:০১:৪৫

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রবীণ গবেষক মরহুম আতিকুর রহমানের স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রবীণ গবেষক মরহুম আতিকুর রহমানের স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল

খাগড়াছড়িঃ-খাগড়াছড়ি চেঙ্গি স্কোয়ারে অবস্থিত অস্থায়ী কার্যালয়ের রবিবার (২১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রবীণ গবেষক মরহুম আতিকুর রহমানের জন্য পার্বত্য অধিকার ফোরাম, কেন্দ্রীয় সংসদের আয়োজনে মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনায় স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল করা হয়।
স্মরণ সভায় প্রধান অতিথী হিসেবে উপস্থিত হয়ে পার্বত্য অধিকার ফোরামের কেন্দ্রীয় সভাপতি মো: মাঈন বলেন, আতিকুর রহমান একজন প্রচার বিমুখ, নিভৃতচারী গবেষক ছিলেন। গবেষকের যে আভিধানিক সংজ্ঞা তিনি হয়তো তার মধ্যে পড়েন না। তিনি গবেষণা করেছেন সাংবাদিকের চোখে। অনুসন্ধানী সাংবাদিকের মতো তার গবেষণা। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ে দেশের পক্ষে, দেশের অখন্ডার পক্ষে, বাঙালীর পক্ষে, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে, সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ তথ্য তুলে ধরতে সর্বপ্রথম যারা কলম ধরেছিলেন তিনি তাদের অন্যতম এবং শীর্ষতম।
পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে কাজ করতে গিয়ে অনেক গবেষক ও লেখক নীতি, আদর্শ, দেশপ্রেম বিসর্জন দিয়েছেন পার্থিব লাভের বিনিময়ে। কিন্তু আতিকুর রহমান সে পথে হাঁটেন নি। চাইলেই তিনি একটু আপোষ করে বৈষয়িক অনেক লাভ অর্জন করতে পারতেন, কিন্তু আতিকুর রহমান  দেশের স্বার্থকে বড় করে দেখেছেন। গত তিন দশকে পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে যারা দেশের পক্ষে লেখালেখি করেছেন তারা সকলেই কোনো না কোনোভাবে আতিকুর রহমানের কাজ দ্বারা উপকৃত হয়েছেন।কিন্তু আমরা আতিকুর রহমানে জন্য কোন প্রকার কৃতজ্ঞা দেখাতেও পারিনী। সেটির জন্য তিনি লজ্জা ও ক্ষোভ প্রকাশ করে আবেগ তাড়িত হয়ে যান।
পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে তার মতো পরিশ্রমী, একনিষ্ঠ, সৎ, আপসহীন, আদর্শবান ও দেশপ্রেমিক সাংবাদিক, লেখক, গবেষকের এই মুহুর্তে ভীষণ প্রয়োজন।  পার্বত্যবাসী না হয়েও পার্বত্য চট্টগ্রামকে তিনি নিজ জন্মভূমির চেয়েও ভালোবেসেছেন। কিন্তু অপ্রিয় হলেও সত্য যে, পার্বত্য চট্টগ্রামের দিকে তাকিয়ে তার কোনো উত্তরসূরী চোখে পড়ে না। ফলে আতিকুর রহমান চলে যাওয়ায় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ে মৌলিক লেখালেখি, অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা ও গবেষণাধর্মী প্রতিবেদন, প্রবন্ধ, বিশ্লেষনধর্মী লোকের বিরাট শূন্যতা সৃষ্টি হলো। তার শূন্যস্থান কখনোই পূরণ হবার নয়।
পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে তার অমূল্য গবেষণা ও পরিশ্রম কে স্মরণীয় করে রাখতে পার্বত্য এলাকায় তার নামে একটি  স্মৃতিফলক ও একটি সড়কের নামকরণ করার জোর দাবী জানান পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রশাসনের কাছে।
স্মরণ সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন পার্বত্য অধিকার ফোরাম মাটিরাঙা উপজেলা আহবায়ক এসএম হেলাল,অধিকার ফোরামের ছাত্র সংগঠন বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ,খাগড়াছড়ি জেলা আহবায়ক মো:জাহিদুল ইসলাম, আরো বক্তব্য রাখেন মানিকছড়ি উপজেলা সভাপতি মো: মোক্তাদের হোসেন, দিঘীনালা উপজেলার তথ্যাবধায়ক আহম্মদ আলী ও সাদ্দাম হোসেন সহ প্রমূখ। আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা, উপজেলা শাখার অন্যান্য নেতৃবৃন্দরা।
স্মরণসভায় সভাপতিত্ব করেন- বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ,খাগড়াছড়ি জেলা আহবায়ক মো:জাহিদুল ইসলাম। দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন, হাফেজ মাওলানা মো: মিজানুর রহমান।

এই বিভাগের আরও খবর

  পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করতে সকলকে আরো আন্তরিক হতে হবে-সচিব নূরুল আমিন

  আগামী প্রজন্মকে ডিজিটাল অগ্রযাত্রায় নিয়ে যেতে প্রতিটি স্কুলে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন জরুরী-নব বিক্রম কিশোর ত্রিপুরা

  ফিরোজা বেগম চিনুকে আবারো সংসদ সদস্য হিসাবে দেখতে চায় পাহাড়ের নারীরা

  পরিষদ চেয়ারম্যানের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ান হাই কমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ

  পার্বত্যমন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপির সহকারি একান্ত সচিব হলেন সাদেক হোসেন চৌধুরী

  দীঘিনালায় রেড ক্রিসেন্ট উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ

  শিক্ষার্থীকে বিজ্ঞান মুখি করতে পারলে সমৃদ্ধ হবে বাংলাদেশের সকল প্রযুক্তি

  বান্দরবানে সীমের ভালো ফলন, ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় চাষীরা হতাশ

  সমাজ ও দেশের উন্নয়ন করতে হলে আদর্শিক ও নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত হতে হবে-এ কে এম মামুনুর রশিদ

  মাটিরাঙ্গায় সড়ক দুর্ঘটনায় মোটর সাইকেল চালক নিহত, আহত-১

  কাপ্তাইয়ের কেপিএমে ৩ মাসের বকেয়া বেতনের দাবিতে এমডির অফিস ঘেরাও



 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন