মঙ্গলবার, ১১ ডিসেম্বর ,২০১৮

Bangla Version
  
SHARE

বুধবার, ১০ অক্টোবর, ২০১৮, ০৮:৪৩:৫৬

নির্মানধীন ব্রীজের কাজ দ্রুত সমাপ্তি করতে ঠিকাদারদের নির্দেশ দিয়েছেন নির্বাহী প্রকৌশলী

নির্মানধীন ব্রীজের কাজ দ্রুত সমাপ্তি করতে ঠিকাদারদের নির্দেশ দিয়েছেন নির্বাহী প্রকৌশলী

খাগড়াছড়িঃ-পার্বত্য খাগড়াছড়ি জেলায় উচ্চু নিছু পাহাড় হওয়ার কারণে সরকারি সীমিত বরাদ্দ থাকায় এখানে উন্নয়ন কাজ ধীরগীতি হচ্ছে। পার্বত্য অঞ্চলে সরকারি উন্নয়ন কাজ করতে হলে প্রচুর অর্থ বরাদ্দের প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন খাগড়াছড়ি সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী শাকিল মোহাম্মদ ফয়সাল। তারা জানিয়েছেন খাগড়াছড়ি সড়ক ও জনপদ বিভাগের অধীনে নির্মানধীন ব্রীজের কাজ দ্রুত সমাপ্তি করতে ঠিকাদারদের ইতিমধ্যে নির্দেশ দিয়েছেন বলে এ প্রতিবেদকে জানিয়েছে, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় সড়ক বিভাগ জেলা খাগড়াছড়িতে ১৯৭৬ সালে খাগড়াছড়ি সড়ক বিভাগ প্রতিষ্ঠিত হয়। খাগড়াছড়ি সড়ক বিভাগ-১, জেলার মানিকছড়ি, রামগড়, গুইমারা এ তিনটি সড়ক উপ-বিভাগ ছিলো এ সড়কের বিভাগের আওতায় খাগড়াছড়িতে মোট ১২টি সড়ক রয়েছে। যা দৈর্ঘ্য ৩৯৭.৬৪ কিঃ মিঃ জানা যায় সড়ক সমূহের মধ্যে যার দৈর্ঘ্য ১০৮.০৭ কিঃ মিঃ এবং খাগড়াছড়ি জেলায় ৯টি মহাসড়কের মধ্যে রয়েছে ২৮৯.৫৬ কিঃ মিঃ খাগড়াছড়ির জেলার ৯টি উপজেলার হেয়াকো, রামগড়, জালিয়া পাড়া, মানিকছড়ি, মাটিরাঙ্গা, মহালছড়ি, খাগড়াছড়ি সড়ক জনপদ বিভাগের অধীনে ব্রীজ গুলির পূর্ণ নির্মান করা হয়েছে। এখানে উল্লেখ্য যে, খাগড়াছড়ির সড়ক বিভাগের অধীনে মাটিরাঙ্গা তানক্কাপাড়া  পাড়া সড়ক ব্যপক উন্নয়ন হয়েছে এবং ১৪টি সেতু দৈর্ঘ্য ৬০৯.১৫ মিঃ তানক্কাপাড়া সড়ক ৩৬.৫০০ কিঃ মিঃ সড়ক জনপদের অধীনে পিসি গার্ডার সেতু, আরসিসি সেতু, আরসিসি বক্স কালভার্ট নির্মান কাজ  চলছে। তবে খাগড়াছড়ি সড়ক জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী জানিয়েছেন সড়ক বিভাগের অধীনে পাহাড় ধস, ভূমি ধস ক্ষতিগ্রস্থ সড়কে বিভিন্ন কিঃ মিঃ ড্রান স্থায়ী প্রতিরক্ষা মূলক আরসিসি রির্টানিং ওয়াল নির্মান কাজ আগামী বছরের শুরু হওয়ার করা রয়েছে। ১১টি সেতু ডিজাইনের কাজ  ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে। অপরদিকে হেয়াকো, রামগড়, জালিয়া পাড়া সড়কের ওভার লেজ কাজ এগিয়ে চলছে, নির্মানাধীন চৌংড়াছড়ি সেতু কাজ এগিয়ে চলছে। খাগড়াছড়ি রামগড় নাকাপা সেতুর কাজ ইতিমধ্যে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। খাগড়াছড়ি চট্টগ্রাম সড়কের সার্ভিসিং কাজ শেষ হয়েছে। খাগড়াছড়ি মাটিরাঙ্গা সাপমারা সেতু নির্মান কাজ শেষ হয়েছে, খাগড়াছড়ি মানিকছড়ি গচ্ছাবিল সেতু নির্মান কাজ শেষ হয়েছে। আগামী অর্থ বছরের  জন্য খাগড়াছড়ি সড়ক জনপদ বিভাগ ব্যপক উন্নয়নের প্রকল্প হাতে নিয়েছে। খাগড়াছড়ি সড়ক ও জনপদ বিভাগের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী সবুজ চাকমা এ প্রতিবেধকে জানিয়েছে খাগড়াছড়ির দীঘিনালা ৩টি সেতু নির্মানধীন রয়েছে। অপরদিকে পাবলাখালী সেতু পূঁজগাঁ সেতু, কাচালং সেতু এ তিন ব্রীজের কাজ পুনরায় চালু করার জন্য ঠিকদারকে নিদের্শ দেওয়া হয়েছে। তবে সড়ক জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সাকিব আহম্মদ ফয়সাল ও উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী  সবুজ চাকমা নির্মানাধীন সেতু পরিদর্শনের জন্য সার্বক্ষনিক তদারকি চলাচ্ছেন। খাগড়াছড়ি সড়ক ও জনপদ বিভাগে উন্নয়ন কাজের ২০১৭-১৮ইং সালের রাস্তা, কালভাট, ব্রীজ নির্মানের কাজ ইতিমধ্যে কিছু কিছু কাজ চালমান থাকলেও অধিকাংশ উন্নয়ন কাজ সমাপ্ত হয়েছে। এদিকে খাগড়াছড়ি শহরের আলুটিলা পর্যানটন এলাকার রাস্তা ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে। বাকী কাজ গুলি সমাপ্তির পথে বলেও খাগড়াছড়ি সড়ক ও জনপদ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী সবুজ চাকমা এ প্রতিবেদককে জানিয়েছেন। রামগড়, গুইমারা, লক্ষীছড়ি, জালাইয়া পাড়া রাস্তা ও কালর্ভাট সড়ক সমাপ্তির পথে।
এদিকে খাগড়াছড়ি সড়ক জনপদ বিভাগে নবাগত নির্বাহী প্রকৌশলী জানিয়েছে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার  উন্নয়নের লক্ষ্যে তিনি কাজ করে যাবেন এবং পার্বত্য অঞ্চলের  জন্য বিশেষ বরাদ্দ ফেলে আরো খাগড়াছড়ি  জেলাকে উন্নয়নের  দিকে এগিয়ে যাবে। খাগড়াছড়ি জেলার ৯টি থানার মধ্যে সব থানা সদরে উন্নয়ন কাজ চলছে পার্বত্য খাগড়াছড়ি অঞ্চলে সড়ক ও জনপদ বিভাগ বিভিন্ন উন্নয়ন কাজের এগিয়ে রয়েছে। প্রায় ৮০ কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ সমাপ্ত হতে চলেছ। বাকী কাজ গুলি চলমান চলছে। খাগড়াছড়ি লক্ষীছড়ি তাইন্দং তাবলছড়ি, জালিয়াপাড়া, রামগড়, পাতাছড়া খাগড়াছড়ি শহরে পৌর এলাকার ও কৃষি গবেষনার ব্রীজ নির্মান পানছড়ি, ভাইবোনছড়া, কুকিছড়া ব্রীজ নির্মানের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। তবে অভিযোগ রয়েছে বাস-ট্রাক ২০ মালামালের স্থলে ৩০ টন মালামাল লোড করা হয়। যে কারণে ব্রীজের বয়স সীমা থেমে যায় বলে জানিয়েছেন কর্তৃপক্ষ। সর্বমোট ১০০ কোটি ৮৩ লক্ষ ৫২ হাজার টাকা কাজ সমাপ্তির পথে রয়েছে।  বাকী কাজগুলি বরাদ্দ প্রাপ্তির সাপেক্ষে দাপে দাপে এ কাজগুলোর টেন্ডার আহ্বান করবে বলে জানানো হয়েছে। খাগড়াছড়ি সড়ক ও জনপদ বিভাগ দীঘিনালার মেরুং বাঘাইহাট বাবুছড়ায় এলাকার ব্রীজ ও রাস্তা নির্মানের কাজ চলছে। তবে উপ-বিভাগী প্রকৌশলী সূত্রে জানানো হয়েছে আগামী আগষ্ট-সেপ্টম্বের দিকে এসব সরকারি উন্নয়ন কাজ সমাপ্তি হবে।
খাগড়াছড়ি পার্বত্য অঞ্চলের পাহাড়ি জনপদ ব্যবস্থায় ভিন্নরুপ রয়েছে। এখানকার অধিকাংশ সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে উচু নিচু পাহাড়ি পথ ধরে। দৃশ্যত সমতল এলাকার তুলনার পাহাড়ে সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা দুর্গম। পার্বত্য অঞ্চলে পাহাড় ধসসহ নানা কারণে পাহাড়ি সড়কের ভোগান্তি রয়েছে। এছাড়া ৮০-৯০ দশকে নির্মিত বেইলী ব্রীজগুলোর সড়কের আতংকে হিসিবে পরিচিত। পাহাড়ি ছড়ার উপর বা নদীর উপর নির্মিত বেইলী ব্রীজ ভেঙ্গে প্রায় দূর্ঘনার ঘটনাও ঘটেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। বর্ষায় বেইলী ব্রীজের ভোগান্তি দ্বিগুন হয়। এসব পুরনো লক্কর ঝক্কর বেইলী ব্রীজ নিয়ে খাগাড়ছড়ি সড়ক জনপদ বিভাগ এখন পুরো ধমে ব্রীজ নির্মানের কাজ চলছে দীর্ঘদিনের ভোগান্তির ফলে বর্তমানে ভোগান্তির হবে না বলে এ প্রতিবেদকে জানানো হয়েছে বর্তমান সরকারের কাছে এলাকার বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল ব্রীজ নির্মানের জন্য। এরই প্রেক্ষিতে বেইলী ব্রীজ সরিয়ে পাকা সেতু নির্মাণ করতে সড়ক ও জনপদ বিভাগ কাজ করছে। বর্তমান সরকারের অর্থায়নে একাধিক সড়কে বেইলী ব্রীজের জায়গায় নির্মিত হচ্ছে পাকা সেতু। এতে সড়কে যাতায়াতকারীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি পাকা সেতুতে যান চলাচল করছে। স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায় সরকারের অর্থায়নে বেইলি ব্রীজের স্থলে পাকা সেতু নির্মিত হওয়ায় দীর্ঘ কয়েক দশকের ভোগান্তি কম গেছে। খাগড়াছড়ি থেকে প্রায় ৩৩ কিলোমিটার দূরে জালিয়াপাড়া-সিদ্ধুকছড়ি-মহালছড়ি সংযোগ সড়ক প্রায় ২৪ কি. মি দীর্ঘ সড়কের সংস্কার কাজ শেষ হয়েছে। এই সড়কে তিনটি স্থানে ইতিমধ্যে পাকা সেতু নির্মিত হয়েছে। এই পথে চলাচলকারীরা চালকরা জানিয়েছেন, সড়ক যোগাযোগ ভালো থাকলেও বেইলী ব্রীজ ছিল ভোগান্তির মূল কারণ। সড়কে যাতায়াতে এটি প্রধান বাধা। একবার বেইলী ব্রীজ ভাঙলে দীর্ঘদিন ধরে তা সংস্কারে সময় লাগত। কিন্তু বর্তমানে অবস্থা পাল্টে গেছে। দীর্ঘদিন পর হলেও পাকা সেতু নির্মিত হওয়ায় বর্তমানে সড়ক যোগাযোগ নিরাপদ হয়েছে,
পার্বত্য অঞ্চলে কলেজ পড়–য়া কয়েকজন ছাত্র যুবক জানিয়েছেন, খাগড়াছড়ি সিদ্ধুকছড়ি বাজার থেকে জালিয়াপাড়া যেতে এই সড়কটি বেইলী ব্রীজে পারাপার হতে হত। নড়বড়ে এসব ব্রীজ প্রায়  দূর্ঘনটা ঘটত। এই সড়কে তিনটি জায়গায় বেইলী ব্রীজের জায়গায় পাকা সেতু নির্মিত হয়েছে। কেবল জালিয়াপাড়া কিংবা সিদ্ধুকছড়ি সড়কেই নয় পাকা সেতু নির্মানের কাজ চলছে জালিয়াপাড়া-রামগড় সড়কে। রাজধানী ঢাকা সাথে খাগড়াছড়ি জেলার যোগাযোগের জন্য এটি একমাত্র সড়ক। প্রতিদিন জেলার যানবাহনের পাশাপাশি শত শত মালবাহী ট্রাকসহ নান যানবাহন এই পথে যাতায়াত করে থাকে। অতীতে একাধিকবার এই সড়কে বেইলী ব্রীজ দূর্ঘনার ঘটনা ঘটেছে। মালবাহী ট্রাকের চালক মোঃ বিল্লাহ হোসেন বলেন এই সড়কে গাড়ি চালাচ্ছি প্রায় ১২ বছর সড়কের একাধিক স্থানে ছড়ার উপর থাকা বেইলী ব্রীজ এরকম আতংক ছিল। বিশেষত মাল বোঝাই অবস্থায় চলাচল করতে গেলেই ব্রীজের পাটাতন খুলে গিয়ে কিংবা ব্রীজের রেলিং ভেঙে দূর্ঘটনা হইতো। চালক জানান দীর্ঘদিন পর হলেও সরকার এসব ঝঁকিপূর্ণ স্থানে পাকা ব্রীজ নির্মাণ করায় আতংক দুর হয়েছে।
খোঁজ-খবর নিয়ে জানা গেছে, খাগড়াছড়ি রামগড় জালিয়াপাড়া সিন্ধুকছড়ি সড়কে ৪টা সেতু ও ৩টি কালর্ভাট নির্মাণ কাজ সমাপ্তি করছে সড়ক ও জনপদ  বিভাগ। এতে ব্যয় ধরা হয়েছে ১৮ কোটি ৫০ লাখ টাকা। ইতিমধ্যে  সিন্ধুকছড়ি সড়কের তিনটি ব্রীজে কাজ  শতভাগ শেষ হয়েছে। অন্যদিকে রামগড় সড়কেও কয়েকটি ব্রীজের উপর যান চলাচল করছে। খাগড়াছড়ি রামগড় পাতাছড়া এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, ব্রীজে ঢালাইয়ের কাজ করছে শ্রমিকেরা। ব্রীজে প্রকল্প প্রকৌশলী মানিক চন্দ্র দাস বলেন, সড়কটি গুরর্ত্বপূর্ণ হওয়া দ্রুত নির্মাণ কাজ এগিয়ে চলছে। ডিসেম্বর নাগাদ এই সড়কের সবকটি ব্রীজ নির্মাণে কাজ শেষ হবে। এর মধ্যে কয়েকটি কালভার্ট  রয়েছে। সড়ক ও জনপদ বিভাগ (সওজ) অর্থায়নে ব্রীজ নির্মাণে কাজ করছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স জাকির এন্টারপ্রাইজ। প্রতিষ্ঠানের স্বত্বধিকারী মোঃ জাকির হোসেন, জানান পাহাড়ি এলাকায় কাজ করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। ছড়ার তীব্র ¯্রােতসহ নানা প্রতিকূল পরিস্থিতে নির্মাণ কাজ এগিয়ে চলছে। সময়সীমার মধ্যে নির্মান কাজ শেষ করতে হবে।
খাগড়াছড়ি সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ মোসহেল উদ্দিন, জানিয়েছেন পার্বত্য অঞ্চলে বিভিন্ন এলাকায় প্রচুর ছড়া এবং নদী রয়েছে। ৮০ বা ৯০ দশকের এসব ছড়ার উপর বেইলী ব্রীজ নির্মিত হলেও তা এখন নড়বড়ে হয়েছে। বর্তমানে খাগড়াছড়ি সড়ক ও জনপদ বিভাগ ঐ নড়বড়ে ব্রীজ গুলি পাকা সেতু নির্মান করছে।  
যার ফলে বিভিন্ন সড়কে যোগাযোগ সুরক্ষা অত্যন্ত দুরূহ কাজ। খাগড়াছড়িতে সওজ এর আওতায় প্রায় ৪শ কিলোমিটার সড়কে একাধিক স্থানে বেইলী ব্রীজ ছিল। কিন্তু সরকারের উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় জনগুরত্বপূর্ণ স্থানে পাকা সেতু নির্মাণ করা হচ্ছে। নির্মাণ কাজ শেষ হলে পার্বত্য অঞ্চলে যোগাযোগ ব্যবস্থা আরো সুরক্ষিত হবে। এদিকে খাগড়াছড়ি জেলায় ৫টি ব্রীজের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। তার মধ্যে ব্রীজ গুলো হচ্ছে পানছড়ি পূজগাঁ  সেতু, খাগড়াছড়ির রামগড় নাকাপা সেতু, খাগড়াছড়ি মহলাছড়ির চৌংড়াছড়ি সেতু, পাতাছড়া রামগড়, বুজ্যনাল সেতু পানছড়ি। এসব  ব্রীজের  নির্মানকাজের তদারকি চালাচ্ছে সড়ক ও জনপদ বিভাগের সদস্যরা।

এই বিভাগের আরও খবর

  এবার কোন রকম ভোট ডাকাতির সুযোগ দেওয়া হবে না-সাজেকে দীপংকর তালুকদার

  প্রতীক পেয়ে বান্দরবানে প্রার্থীদের শান্তিপূর্ণ প্রচারণা শুরু

  পাহাড়ে রক্তক্ষয়ী সংঘাত বন্ধে জোরালো পদক্ষেপ নেয়া হবে-মনি স্বপন দেওয়ান

  রাঙ্গামাটি ২৯৯নং আসনে প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ

  খাগড়াছড়িতে প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ

  বান্দরবান ৩০০নং আসনে প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ

  রোয়াংছড়িতে সেনাবাহিনী উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও শীতবস্ত্র বতরণ

  খাগড়াছড়ি প্রেস ক্লাবে যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রনে সাংবাদিকদের নিয়ে এডভোকেসী সভা

  মানুষের অধিকার সুরক্ষায় কাজ করার অঙ্গীকারে কাপ্তাইয়ে বিশ্ব মানবাধিকার দিবস পালিত

  বিবেককে জাগ্রত করে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে হবে-নূর-এ জান্নাত রুমি

  রাঙ্গামাটিতে ৬ জন, খাগড়াছড়িতে ৫ জন ও বান্দরবানে ৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্ধিতা করবেন



 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন