মঙ্গলবার, ১৭ জুলাই ,২০১৮

Bangla Version
  
SHARE

মঙ্গলবার, ০৯ জানুয়ারী, ২০১৮, ০৭:৫৬:০১

দেশ সেরা তিন কিশোরী ফুটবলারের গৃহ নির্মাণ ও লেখাপড়ার দায়িত্ব নিলেন খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান

দেশ সেরা তিন কিশোরী ফুটবলারের গৃহ নির্মাণ ও লেখাপড়ার দায়িত্ব নিলেন খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান

খাগড়াছড়িঃ-সাফ অনুর্ধ্ব-১৫ মহিলা ফুটবল চ্যাম্পিয়নশীপে ফাইনাল খেলায় বাংলাদেশ ভারতের বিপক্ষে যে জয় পেয়েছিল সে জয়ের সাক্ষী পাহাড়ী জনপদ খাগড়াছড়ি। ফাইনালে খাগড়াছড়ির মেয়ে আনুচিং মারমা ফরোয়ার্ড, আনাই মারমা রাইট ডিফেন্ডার ও মনিকা চাকমা সেন্টার মিড ফিল্ডে খেলে বাংলাদেশ দলকে এনে দিয়েছে শিরোপা। অত্যন্ত দরিদ্র পরিবারের তিন কন্যার সাফল্যকে আরো এগিয়ে নিতে এবং তাঁদের জীবনকে বিকশিত পাশে দাঁড়িয়েছে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ।
মঙ্গলবার (৯ জানুয়ারী) দুপুরে আকস্মিক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরী জেলা সদরের সাথৈঅং কার্বারী পাড়ায় যমজ দুই কন্যা আনুচিং ও আনাই মারমা’র বাড়িতে হাজির হন। তাঁকে কাছে পেয়ে এই কৃতী ফুটবলারের বাবা দিনমজুর রিপ্রু চাই মারমা ও মা আপ্রুমা মারমা আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়েন। জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এসময় চলতি অর্থবছরের মধ্যেই আনাই-আনুচিংদের ঘরটি পূন:নির্মাণ করার প্রত্যয় জানান। একই সাথে তিনি আরেক কৃতী ফুটবল কন্যা লক্ষ্মীছড়ির দূর্গম সুমন্ত পাড়ার মনিকা চাকমা’র ঘরও নির্মাণের ঘোষণা দেন। এছাড়া এই তিন ফুটবল কন্যার জন্য ৫০ হাজার টাকা করে এফডিআর, শিক্ষাবৃত্তিসহ তাঁদের জন্য করণীয় সব দায়িত্ব পালন করবে জেলা পরিষদ।
জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের সাথে এসময় স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান জ্ঞানময় ত্রিপুরা, খাগড়াছড়ি সাংবাদিক ইউনিয়ন (কেইউজে) সভাপতি নুরুল আজম, জেলা পরিষদের পিআরও চিংলামং চৌধুরীসহ বিভিন্ন মিডিয়াকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যায়ে ২০১১ সালে অনুষ্ঠিত বঙ্গবন্ধু বঙ্গমাতা ফুটবল টুর্নামেন্টে খেলার মধ্যদিয়ে পেশাদার খেলোয়াড় হওয়ার স্বপ্ন বুনতে থাকেন তারা। খাগড়াছড়ির লক্ষ্মীছড়ি উপজেলার দূর্গম সুমন্তপাড়ার গ্রামের মেয়ে মনিকা চাকমা। খেলাধূলা দূরের কথা মৌলিক অধিকারের অনেক সুবিধাই নেই এই গ্রামে। তবুও নিজের প্রবল ইচ্ছে শক্তি ও ক্রীড়া নিপুণতা দূর্গম গ্রাম থেকে তুলে এনেছে তাকে। একই অবস্থা খাগড়াছড়ি জেলা সদরের সাথৈঅং কার্বারী পাড়ার যমজ বোন আনাই মারমা ও আনুচিং মারমাদের গল্প। সাত ভাই বোনের মধ্যে সবার ছোট তারা। পরিবারের অভাব অনটন থাকায় ঠিক মতো তাদের দেখভাল করতে না পারার ভয়ে জন্মের পরপরই দত্তক দেয়ার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু বঙ্গবন্ধু বঙ্গমাতার বিভাগীয় পর্যায়ের খেলায় তিন জনের খেলার কৌশল নজরে আসে রাঙ্গামাটির ক্রীড়া সংগঠক বীর সেন চাকমার। তার তত্বাবধানে আনুচিং, আনাই ও মনিকাকে প্রশিক্ষিত করে তোলা হয় দক্ষ খেলোয়াড় হিসেবে। ভারতের বিপক্ষে শিরোপা ঘরে এনে দেশজুড়ে পাহাড়ী জনপদ খাগড়াছড়িকে আলোচনায় এনেছে তারা। কিন্তু বাংলাদেশকে জয় এনে দিলেও নিজেদের দারিদ্রতাকে জয় করতে পারেনি তারা।

এই বিভাগের আরও খবর

  নিরাপদ মাতৃত্ব নিশ্চিত করতে সরকারের প্রদত্ত সুযোগ সুবিধা জনগণের দৌড় গৌড়ায় পৌঁছে দিতে হবে-এ কে এম মামুনুর রশিদ

  মানুষের ভালোবাসা ও ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত হলেন দৈনিক গিরিদর্পণ সম্পাদক আলহাজ্ব এ,কে,এম মকছুদ আহমেদ

  নানিয়ারচর থেকে অপহৃত ১৮ গ্রামবাসীর মধ্যে ১২ জনকে মুক্তি দিয়েছে অপহরণকারীরা

  খাগড়াছড়ির দুই সাংবাদিককে চিকিৎসা সহায়তার অনুদানের চেক প্রদান

  লামায় উপবৃত্তির টাকা উত্তোলনে শিওরক্যাশ এজেন্টদের কমিশন বাণিজ্য

  নানিয়ারচরে নব্য মুখোশবাহিনী প্রতিরোধ কমিটির ডাকা সড়ক ও নৌ পথ অবরোধ পালিত

  দীঘিনালা জোনের সেনাবাহিনী গরীব ও দুস্থদের মাঝে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ওষুধ বিতরণ

  রাউজানে স্কুল ছাত্রী ও কাউখালীতে মারমা নারীকে ধর্ষণের প্রতিবাদে খাগড়াছড়িতে তিন সংগঠনের বিক্ষোভ

  না ফেরার দেশে চলে গেলেন রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদ সদস্য চানমনি তঞ্চঙ্গ্যা

  রামগড়ে পুকুরে ডুবে ৯ম শ্রেণির ছাত্রের মৃত্যু

  বান্দরবান সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তার বিদায় ও নবাগত নির্বাহী কর্মকর্তার বরণ



 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন