শনিবার, ২০ জানুয়ারী ,২০১৮

Bangla Version
  
SHARE

মঙ্গলবার, ০৯ জানুয়ারী, ২০১৮, ০৭:৫৬:০১

দেশ সেরা তিন কিশোরী ফুটবলারের গৃহ নির্মাণ ও লেখাপড়ার দায়িত্ব নিলেন খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান

দেশ সেরা তিন কিশোরী ফুটবলারের গৃহ নির্মাণ ও লেখাপড়ার দায়িত্ব নিলেন খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান

খাগড়াছড়িঃ-সাফ অনুর্ধ্ব-১৫ মহিলা ফুটবল চ্যাম্পিয়নশীপে ফাইনাল খেলায় বাংলাদেশ ভারতের বিপক্ষে যে জয় পেয়েছিল সে জয়ের সাক্ষী পাহাড়ী জনপদ খাগড়াছড়ি। ফাইনালে খাগড়াছড়ির মেয়ে আনুচিং মারমা ফরোয়ার্ড, আনাই মারমা রাইট ডিফেন্ডার ও মনিকা চাকমা সেন্টার মিড ফিল্ডে খেলে বাংলাদেশ দলকে এনে দিয়েছে শিরোপা। অত্যন্ত দরিদ্র পরিবারের তিন কন্যার সাফল্যকে আরো এগিয়ে নিতে এবং তাঁদের জীবনকে বিকশিত পাশে দাঁড়িয়েছে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ।
মঙ্গলবার (৯ জানুয়ারী) দুপুরে আকস্মিক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরী জেলা সদরের সাথৈঅং কার্বারী পাড়ায় যমজ দুই কন্যা আনুচিং ও আনাই মারমা’র বাড়িতে হাজির হন। তাঁকে কাছে পেয়ে এই কৃতী ফুটবলারের বাবা দিনমজুর রিপ্রু চাই মারমা ও মা আপ্রুমা মারমা আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়েন। জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এসময় চলতি অর্থবছরের মধ্যেই আনাই-আনুচিংদের ঘরটি পূন:নির্মাণ করার প্রত্যয় জানান। একই সাথে তিনি আরেক কৃতী ফুটবল কন্যা লক্ষ্মীছড়ির দূর্গম সুমন্ত পাড়ার মনিকা চাকমা’র ঘরও নির্মাণের ঘোষণা দেন। এছাড়া এই তিন ফুটবল কন্যার জন্য ৫০ হাজার টাকা করে এফডিআর, শিক্ষাবৃত্তিসহ তাঁদের জন্য করণীয় সব দায়িত্ব পালন করবে জেলা পরিষদ।
জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের সাথে এসময় স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান জ্ঞানময় ত্রিপুরা, খাগড়াছড়ি সাংবাদিক ইউনিয়ন (কেইউজে) সভাপতি নুরুল আজম, জেলা পরিষদের পিআরও চিংলামং চৌধুরীসহ বিভিন্ন মিডিয়াকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যায়ে ২০১১ সালে অনুষ্ঠিত বঙ্গবন্ধু বঙ্গমাতা ফুটবল টুর্নামেন্টে খেলার মধ্যদিয়ে পেশাদার খেলোয়াড় হওয়ার স্বপ্ন বুনতে থাকেন তারা। খাগড়াছড়ির লক্ষ্মীছড়ি উপজেলার দূর্গম সুমন্তপাড়ার গ্রামের মেয়ে মনিকা চাকমা। খেলাধূলা দূরের কথা মৌলিক অধিকারের অনেক সুবিধাই নেই এই গ্রামে। তবুও নিজের প্রবল ইচ্ছে শক্তি ও ক্রীড়া নিপুণতা দূর্গম গ্রাম থেকে তুলে এনেছে তাকে। একই অবস্থা খাগড়াছড়ি জেলা সদরের সাথৈঅং কার্বারী পাড়ার যমজ বোন আনাই মারমা ও আনুচিং মারমাদের গল্প। সাত ভাই বোনের মধ্যে সবার ছোট তারা। পরিবারের অভাব অনটন থাকায় ঠিক মতো তাদের দেখভাল করতে না পারার ভয়ে জন্মের পরপরই দত্তক দেয়ার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু বঙ্গবন্ধু বঙ্গমাতার বিভাগীয় পর্যায়ের খেলায় তিন জনের খেলার কৌশল নজরে আসে রাঙ্গামাটির ক্রীড়া সংগঠক বীর সেন চাকমার। তার তত্বাবধানে আনুচিং, আনাই ও মনিকাকে প্রশিক্ষিত করে তোলা হয় দক্ষ খেলোয়াড় হিসেবে। ভারতের বিপক্ষে শিরোপা ঘরে এনে দেশজুড়ে পাহাড়ী জনপদ খাগড়াছড়িকে আলোচনায় এনেছে তারা। কিন্তু বাংলাদেশকে জয় এনে দিলেও নিজেদের দারিদ্রতাকে জয় করতে পারেনি তারা।

এই বিভাগের আরও খবর

  বুদ্ধের নির্দেশনা আমাদের অনুসরন করতে হবে-বীর বাহাদুর এমপি

  অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পেলো নারী ও শিশুসহ রাঙ্গামাটির দেড় শতাধিক ভ্রমণ পিপাসু মানুষ

  এসএটিভি ৫ম বর্ষপূর্তিতে রাঙ্গামাটির চার গুনীজনকে সম্মাননা প্রদান

  রাঙ্গামাটিতে পাহাড় ধ্বসে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারকে স্যালভেশন আর্মী বাংলাদেশের আর্থিক সহায়তা প্রদান

  আলীকদমে র‌্যাবের অভিযানঃ তেরটি অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার

  রাঙ্গামাটিতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৮২তম জন্ম বার্ষিকী পালিত

  বর্তমান সরকার ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের ভাষা ও বর্ণমালা রক্ষায় কাজ করে যাচ্ছে-দীপংকর তালুকদার

  পার্বত্য চট্টগ্রামের সীমান্ত প্রহরায় বর্ডার রোড নির্মাণে কাজ শুরু করেছে বিজিবি-মোহাম্মদ পাভেল আকরাম

  সরকার ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প উন্নয়নে বিশেষ প্রকল্প হাতে নিয়েছে

  কাপ্তাইয়ের রাইখালীতে জেএসএসের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

  লামা পৌর আওয়ামীলীগের সম্মেলন সম্পন্নঃ সভাপতি- রফিক, সম্পাদক-তাজুল ইসলাম



 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন