শনিবার, ২০ অক্টোবর ,২০১৮

Bangla Version
  
SHARE

মঙ্গলবার, ০৯ জানুয়ারী, ২০১৮, ০৭:৫৬:০১

দেশ সেরা তিন কিশোরী ফুটবলারের গৃহ নির্মাণ ও লেখাপড়ার দায়িত্ব নিলেন খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান

দেশ সেরা তিন কিশোরী ফুটবলারের গৃহ নির্মাণ ও লেখাপড়ার দায়িত্ব নিলেন খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান

খাগড়াছড়িঃ-সাফ অনুর্ধ্ব-১৫ মহিলা ফুটবল চ্যাম্পিয়নশীপে ফাইনাল খেলায় বাংলাদেশ ভারতের বিপক্ষে যে জয় পেয়েছিল সে জয়ের সাক্ষী পাহাড়ী জনপদ খাগড়াছড়ি। ফাইনালে খাগড়াছড়ির মেয়ে আনুচিং মারমা ফরোয়ার্ড, আনাই মারমা রাইট ডিফেন্ডার ও মনিকা চাকমা সেন্টার মিড ফিল্ডে খেলে বাংলাদেশ দলকে এনে দিয়েছে শিরোপা। অত্যন্ত দরিদ্র পরিবারের তিন কন্যার সাফল্যকে আরো এগিয়ে নিতে এবং তাঁদের জীবনকে বিকশিত পাশে দাঁড়িয়েছে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ।
মঙ্গলবার (৯ জানুয়ারী) দুপুরে আকস্মিক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরী জেলা সদরের সাথৈঅং কার্বারী পাড়ায় যমজ দুই কন্যা আনুচিং ও আনাই মারমা’র বাড়িতে হাজির হন। তাঁকে কাছে পেয়ে এই কৃতী ফুটবলারের বাবা দিনমজুর রিপ্রু চাই মারমা ও মা আপ্রুমা মারমা আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়েন। জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এসময় চলতি অর্থবছরের মধ্যেই আনাই-আনুচিংদের ঘরটি পূন:নির্মাণ করার প্রত্যয় জানান। একই সাথে তিনি আরেক কৃতী ফুটবল কন্যা লক্ষ্মীছড়ির দূর্গম সুমন্ত পাড়ার মনিকা চাকমা’র ঘরও নির্মাণের ঘোষণা দেন। এছাড়া এই তিন ফুটবল কন্যার জন্য ৫০ হাজার টাকা করে এফডিআর, শিক্ষাবৃত্তিসহ তাঁদের জন্য করণীয় সব দায়িত্ব পালন করবে জেলা পরিষদ।
জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের সাথে এসময় স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান জ্ঞানময় ত্রিপুরা, খাগড়াছড়ি সাংবাদিক ইউনিয়ন (কেইউজে) সভাপতি নুরুল আজম, জেলা পরিষদের পিআরও চিংলামং চৌধুরীসহ বিভিন্ন মিডিয়াকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যায়ে ২০১১ সালে অনুষ্ঠিত বঙ্গবন্ধু বঙ্গমাতা ফুটবল টুর্নামেন্টে খেলার মধ্যদিয়ে পেশাদার খেলোয়াড় হওয়ার স্বপ্ন বুনতে থাকেন তারা। খাগড়াছড়ির লক্ষ্মীছড়ি উপজেলার দূর্গম সুমন্তপাড়ার গ্রামের মেয়ে মনিকা চাকমা। খেলাধূলা দূরের কথা মৌলিক অধিকারের অনেক সুবিধাই নেই এই গ্রামে। তবুও নিজের প্রবল ইচ্ছে শক্তি ও ক্রীড়া নিপুণতা দূর্গম গ্রাম থেকে তুলে এনেছে তাকে। একই অবস্থা খাগড়াছড়ি জেলা সদরের সাথৈঅং কার্বারী পাড়ার যমজ বোন আনাই মারমা ও আনুচিং মারমাদের গল্প। সাত ভাই বোনের মধ্যে সবার ছোট তারা। পরিবারের অভাব অনটন থাকায় ঠিক মতো তাদের দেখভাল করতে না পারার ভয়ে জন্মের পরপরই দত্তক দেয়ার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু বঙ্গবন্ধু বঙ্গমাতার বিভাগীয় পর্যায়ের খেলায় তিন জনের খেলার কৌশল নজরে আসে রাঙ্গামাটির ক্রীড়া সংগঠক বীর সেন চাকমার। তার তত্বাবধানে আনুচিং, আনাই ও মনিকাকে প্রশিক্ষিত করে তোলা হয় দক্ষ খেলোয়াড় হিসেবে। ভারতের বিপক্ষে শিরোপা ঘরে এনে দেশজুড়ে পাহাড়ী জনপদ খাগড়াছড়িকে আলোচনায় এনেছে তারা। কিন্তু বাংলাদেশকে জয় এনে দিলেও নিজেদের দারিদ্রতাকে জয় করতে পারেনি তারা।

এই বিভাগের আরও খবর

  বর্তমান সরকারের আমলে পার্বত্যাঞ্চলে ব্যাপক উন্নয়ন সম্পাদন করছে-বীর বাহাদুর এমপি

  কাপ্তাই হ্রদে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হল শারদীয় দুর্গোৎসব

  তপোবন অরণ্য কুটিরে প্রবারণানুষ্ঠান উদযাপন

  এই দেশ অসাম্প্রদায়িক চেতনার দেশ-ফিরোজা বেগম চিনু এমপি

  খাগড়াছড়িতে গিটারের জাদুকর আইয়ুব বাচ্চু স্মরণে শিল্পীদের প্রদীপ প্রজ্জ্বলন

  থানচি'র পর্যটন কেন্দ্র ঙাফাঁখুম ভ্রমনে এসে লাশ হয়ে ফিরল আরিফুল হাসান

  বান্দরবানে শারদীয় দুর্গোৎসবের সমাপ্ত

  মণ্ডপে মণ্ডপে বিদায়ের সুর, আজ শুভ বিজয়া দশমী

  দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে শেখ হাসিনা সরকারের কোন বিকল্প নেই-বীর বাহাদুর এমপি

  মহা নবমীতে মন্ডপে মন্ডপে হাজারো পূর্ণার্থীঃ কাল প্রতিমা বিসর্জনের মধ্যে দিয়ে শেষ হচ্ছে দূর্গোৎসব

  দুর্গা পুজামন্ডপ পরিদর্শন করলেন রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান



 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন