বুধবার, ২২ নভেম্বর ,২০১৭

Bangla Version
SHARE

বুধবার, ২৫ অক্টোবর, ২০১৭, ০৩:০২:৪৭

জেএসসি-জেডিসিতে বসবে সাড়ে ২৪ লাখ শিক্ষার্থী

জেএসসি-জেডিসিতে বসবে সাড়ে ২৪ লাখ শিক্ষার্থী

ডেস্ক রিপোর্টঃ-এবার ২৪ লাখ ৬৮ হাজার ৮২০ জন শিক্ষার্থী জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষায় অংশে নেবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।
সচিবালয়ে বুধবার (২৫ অক্টোবর) এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, আগামী ১ থেকে ১৮ নভেম্বর দেশের ২৮ হাজার ৬২৮টি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা দুই হাজার ৮৩৪টি কেন্দ্রে এ পরীক্ষায় অংশ নেবে।
এবার জেএসসি-জেডিসির ২৪ লাখ ৬৮ হাজার ৮২০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৩ লাখ ২৪ হাজার ৪২ জন ছাত্রী এবং ১১ লাখ ৪৪ হাজার ৭৭৮ জন ছাত্র।
আট বোর্ডের অধীনে এবার জেএসসিতে ২০ লাখ ৯০ হাজার ২৭৭ জন এবং মাদ্রাসা বোর্ডের অধীনে জেডিসিতে তিন লাখ ৭৮ হাজার ৫৪৩ জন পরীক্ষা দেবে।
গত বছর এ পরীক্ষায় ২৪ লাখ ১২ হাজার ৭৭৫ জন অংশ নিয়েছিল জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এবার পরীক্ষার্থী বেড়েছে ৫৬ হাজার ৪৫ জন।
জেএসসিতে এবার ৯৬ হাজার ২১২ জন এবং জেডিসিতে ১৪ হাজার ৩৬৭ জন অনিয়মিত পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় বসবে।
নাহিদ বলেন, গতবছর এক থেকে তিন বিষয়ে যারা অকৃতকার্য হয়েছিল তারাও এবার পরীক্ষা দেবে। এই সংখ্যা জেএসসিতে ৮৭ হাজার ৬৯৭ জন; জেডিসিতে ১১ হাজার ৭৭০ জন।
বিদেশের নয়টি কেন্দ্রে এবার ৬৫৯ জন শিক্ষার্থী জেএসসি পরীক্ষায় অংশ নেবে।
পরীক্ষার্থীদের যে এবার নির্ধারিত সময়ের ৩০ মিনিট আগেই পরীক্ষা কেন্দ্র প্রবেশ করতে হবে, সে কথা আগের দিনই জানানো হয়েছিল।
শিক্ষামন্ত্রী বুধবার বলেন, শিক্ষকরা সকালে যাওয়ার পর প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়ে যায়। এটা বন্ধ করার জন্য পরীক্ষার্থীরা ৩০ মিনিট আগে কেন্দ্রে ঢুকবে, তারপর প্রশ্নপত্রের প্যাকেট খোলা হবে।
এবারও বাংলা দ্বিতীয় পত্র, ইংরেজি প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র ছাড়া অন্য সব বিষয়ের পরীক্ষা হবে সৃজনশীল প্রশ্নপত্রে।
জেএসসি-জেডিসিতে এবার থেকে শারীরিক শিক্ষা ও স্বাস্থ্য, কর্মমুখী শিক্ষা এবং চারুকলা বিষয়ের পরীক্ষা হবে না। বছরজুড়ে ধারাবাহিক মূল্যায়নের মাধ্যমে এসব বিষয়ের নম্বর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে বোর্ডে সরবরাহ করা হবে।
এবার নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের চতুর্থ বিষয়সহ ১০টি পত্রে ৮৫০ নম্বরের পরীক্ষায় বসতে হবে। বহু নির্বাচনী ও সৃজনশীল প্রশ্নপত্রে দুটি বিভাগ থাকলেও দুটি অংশ মিলে ৩৩ পেলেই পাস বলে গণ্য হবে, অর্থাৎ এসএসসির মত দুই অংশে আলাদাভাবে পাসের প্রয়োজন নেই।
শ্রবণ প্রতিবন্ধীসহ অন্য প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থীরা বরাবরের মতই অতিরিক্ত ২০ মিনিট সময় পাবে। অটিস্টিক, ডাউন সিনড্রোম ও সেরিব্রাল পালসিজনিত প্রতিবন্ধীরা পাবে অতিরিক্ত ৩০ মিনিট সময়। দৃষ্টি প্রতিবন্ধী, সেরিব্রাল পালসজনিত প্রতিবন্ধী এবং যাদের হাত নেই তারা শ্রুতি লেখক সঙ্গে নিয়ে পরীক্ষা দিতে পারবে।
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব সোহরাব হোসোইন, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আলমগীর, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক এস এম ওয়াহিদুজ্জামান, আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটির সভাপতি অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান ছাড়াও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।

এই বিভাগের আরও খবর

  জনসংহতি সমিতি অস্ত্রের রাজনীতির উপর নির্ভর শীল-দীপংকর তালুকদার

  চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়ন সভাপতি উপর হামলাকারীদের শাস্তির দাবীতে খাগড়াছড়িতে মানববন্ধন

  মহান মুক্তিযুদ্ধে সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকা ছিল অনস্বীকার্য-কাজী শামশের উদ্দিন

  পর্যটন নিয়ে স্বপ্ন দেখেন বান্দরবানের থানচি উপজেলার দূর্গম রেমাক্রীর মানুষ

  শিক্ষার মানোন্নয়নের জন্য দরকার সার্বিক ও সমন্বিত ব্যবস্থা গ্রহণ করছে-বৃষ কেতু চাকমা

  লংগদুতে সশস্ত্র বাহিনী দিবস পালিত

  দীঘিনালায় সশস্ত্র বাহিনী দিবস পালিত

  গরু চড়াতে গিয়ে লাশ হতে ফিরলেন বৃদ্ধা

  থানচিতে আর্থিক অস্বচ্ছলতার কারনে ১৪ জন শিক্ষার্থী পি.এস.সি পরীক্ষায় অংশ নেননি

  দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর রাঙ্গামাটি ঘাগড়া টেক্সটাইল মিল পুনরায় চালু

  বান্দরবানে জনসংহতি ও পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের ১৫ নেতাকর্মী জেলহাজতে



 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন