বৃহস্পতিবার, ১৪ ডিসেম্বর ,২০১৭

Bangla Version
  
SHARE

রবিবার, ২৩ জুলাই, ২০১৭, ০১:০৪:৫১

ক্লান্ত ত্বককে সতেজ করার সহজ উপায়

ক্লান্ত ত্বককে সতেজ করার সহজ উপায়

ডেস্ক রির্পোটঃ-একটু সুন্দর ও পরিপাটি ত্বক সবাই চায়। কিন্তু যদি শরীর ক্লান্ত থাকে তবে নিঃসন্দেহে তার ছাপ মুখে পড়বে। পাশাপাশি রাস্তার ধুলোবালি, সূর্যের তাপ, ধূমপান, কম পানি পান করার মতো কারণ তো আছেই। তবে এই সমস্য থেকে মুক্তির উপায়ও আছে। অর্থাৎ, ক্লান্ত ত্বককে সতেজ করার কিছু কৌশল আছে। চলুন জেনে নেই সেই কৌশলগুলো সম্পর্কে।
গোলাপ জল
বিশুদ্ধ গোলাপ জল আপনার ত্বককে নরম ও কমনীয় করে তোলে। এতে করে আপনার পুরো ত্বকে একটি মায়াবী আভা আসে। চোখের আশেপাশের ত্বককে আরাম দিতে একটি তুলার বল গোলাপ জলে ভিজিয়ে নিন এবং হালকা হাতে ম্যাসাজ করুন।
বরফ ঘষা
পরিষ্কার ত্বকে বরফ ঘষতে পারেন। এতে করে ত্বকের ভেতরে রক্ত চলাচল বৃদ্ধি পাবে এবং আপনি তৎক্ষণাৎ একটি ফ্রেশ লুক পাবেন।
গ্রীন টি
অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে পরিপূর্ণ গ্রীন টি যা আপনার ত্বককে নিমিষেই সতেজ ও পরিপূর্ণ করে তুলবে। আপনি এক কাপ গ্রীন টি বা সবুজ চা ফুটিয়ে ফ্রিজে রেখে দিতে পারেন। মুখ ধোয়ার পর তুলার বলের সাহায্যে পুরো মুখে লাগাতে পারেন। মুখের ছোট ছোট ব্রণ, র‍্যাশ, অ্যালার্জি কমে যাবে এবং সেই সাথে মুখের ফোলা ভাব কমবে।
পুদিনা পাতা
পুদিনা পাতার মাঝে যে শীতলতার ছোঁয়া থাকে সেটি আপনার সারাদিনের ক্লান্ত দূর করতে পুরোপুরি কার্যকর একটি প্রক্রিয়া। পুদিনা পাতা হালকা থেঁতো করে মাস্কের মতো মুখে মাখতে পারেন। অল্প শুকিয়ে এলে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
শশার রস
শশা মিহি স্লাইস করে কেটে পুরো ত্বকে এবং দু'চোখের ওপরে দিয়ে চোখ বন্ধ করে রাখুন। দেখবেন বেশ আরাম বোধ করবেন আপনি। ১৫-২০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন।
স্ট্রবেরি
স্ট্রবেরিতে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন সি ও অ্যান্টিওক্সিডেন্ট আছে যা আমাদের ত্বকের জন্য বিশেষভাবে কার্যকরী। একটি স্ট্রবেরি পেস্ট করে মুখে মাখিয়ে রাখুন। ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। অসাধারণ জেল্লা আসবে পুরো ত্বকে।
ঠাণ্ডা পানির ঝাপটা
বাইরে থেকে বাসায় ফিরেই মুখে প্রচুর পরিমাণে ঠাণ্ডা পানির ঝাপটা দিন। এতে করে আপনার মুখের তেলতেলে ভাব ও ধূলোবালি দূর হয়ে যাবে। আপনি ইচ্ছা করলে ঠান্ডা পানির সঙ্গে লেবুর রস মিশিয়ে নিতে পারেন। এতে আরো সতেজ ও ফুরফুরে লাগবে।
সূত্র: ফেমিনা

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

পুলিশের আইজিপি এ কে এম শহিদুল হক বলেছেন, ‘দেশকে জঙ্গি, মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত করতে হলে পুলিশের পাশাপাশি জনগণকে কাজ করতে হবে।’ আপনিও কি তাই মনে করেন?