সোমবার, ২২ জুলাই ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

সোমবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০১৮, ০৮:৩৬:৫৩

সস্তা সানগ্লাস ব্যবহার করছেন, ক্ষতিটা জানেনতো?

সস্তা সানগ্লাস ব্যবহার করছেন, ক্ষতিটা জানেনতো?

ডেস্ক রিপোর্টঃ-চোখকে রাস্তার ধুলোবালি, পোকা-মাকর ও সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মির কুপ্রভাব থেকে বাঁচানোর জন্য সানগ্লাস খুবই প্রয়োজনীয় জিনিস। সাইকেল বা মোটরসাইকেল চালানো সময় সানগ্লাস অত্যন্ত জরুরি।
কারণ, সাইকেল ও মোটরসাইকেল চলন্ত অবস্থায় বাতাসের ধুলোবালি এবং পোকা-মাকর আমাদের চোখে এসে পড়তে পারে। এ ছাড়াও সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি আমাদের চোখের কর্নিয়ার ও রেটিনার মারাত্মক ক্ষতি করে। আর সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির কুপ্রভাব থেকে চোখ বাঁচাতে সাহায্য করে এই সানগ্লাস। তাই সানগ্লাস শুধুমাত্র ফ্যাশনের জন্য নয়, চোখের সুরক্ষায়ও অত্যন্ত জরুরি।
কিন্তু সাময়িক আরাম বা ফ্যাশন করতে গিয়ে সস্তার সানগ্লাস ব্যবহার করে বিপদ ডেকে আনছেন অনেকেই। দীর্ঘদিন ধরে সস্তার চশমা পড়লে হতে পারে ‘আইলিড’ ক্যানসারও। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, শুধু বড়রা নয়, ছোটদের মন ভোলাতে রাস্তা থেকে খেলনা চশমা কিনে দেন অভিভাবকরা। পরবর্তীকালে দেখা যায় এদের চোখেই সমস্যা শুরু হয়েছে।
বৈশাখে গনগনে রোদে পুড়ছে শহর। চোখ ঢাকতে রোদ চশমা কেনার হিড়ক প্রায় সবখানে।  ফুটপাথ জুড়ে সাজানো সব সানগ্লাসের দোকান। চল্লিশ টাকা পিস! চিকিৎসকরা বলছেন সাময়িক আরাম আর ফ্যাশন করতে গিয়ে বিপদ ডেকে আনছে এমন গগস প্রিয় লোক।
গবেষণায় জানা গেছে, সস্তার এই চশমায় তৃতীয় শ্রেণির প্লাস্টিক ব্যবহৃত হয়। সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি আটকানোর কোনও ক্ষমতাই এই প্লাস্টিকের। উল্টে চোখের পক্ষে মারাত্মক ক্ষতিকর।
সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি চোখের সর্বনাশের কারণ। সাধারণত রোদে বেরলে আমরা চোখটা একটু কুঁচকে থাকি।  চিকিৎসা পরিভাষায় যাকে বলে কনস্ট্রিকটিং। এতে কিছুটা হলেও অতিবেগুনি রশ্মি চোখে কম প্রবেশ করে।  কিন্তু সস্তার চশমা পরলে চোখে সরাসরি রোদ লাগে না ফলে বড় বড় চোখেই তাকাই। সেই সুযোগে প্লাস্টিকের চশমা ভেদ করে অতিবেগুনি রশ্মি সরাসরি ঢুকে পড়ে চোখের মধ্যে।
টানা কয়েক বছর সস্তার এই চশমা পরলেই চোখে বাসা বাঁধে অসুখ। অতিবেগুনি রশ্মি দীর্ঘদিন চোখে পড়তে থাকলে চোখের ছানি হতে পারে। চোখের দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে আসা বা ম্যাকুলার ডিজেনারেশন হতে পারে, দেখা দিতে পারে চোখের ভেতরের বিশেষ ক্যানসার।
আরআইও-র চক্ষু রোগ বিশেষজ্ঞ বলছেন, ফুটপাথের সানগ্লাসের পাওয়ারের কোনও ঠিক থাকে না। ভ্রান্ত পাওয়ারের জন্য এই ধরনের চশমা পরে মাথাব্যথা হতে পারে ক্রেতার। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, একমাত্র পলিকার্বোনেট লেন্সই অতিবেগুনি রশ্মি আটকাতে পারে। অপটোমেট্রিস্টের কাছে গিয়ে সানগ্লাস পরীক্ষা করিয়ে নিন। নয়তো বাজার চলতি ইউভি লাইট কিনেও সানগ্লাসের উপর পরীক্ষা করা যেতে পারে।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

এলডিপি সভাপতি অলি আহমদ বলেছেন, বাংলাদেশে এখন টাকা থাকলে সব রকম অন্যায় করে পার পাওয়া যায়। আপনি কি তা ঠিক মনে করেন?