মঙ্গলবার, ২৪ এপ্রিল ,২০১৮

Bangla Version
SHARE

শুক্রবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০১৭, ০৪:২৪:৫০

যে কারণে হার্টের সুস্থতায় বাদাম খাওয়া জরুরি!

যে কারণে হার্টের সুস্থতায় বাদাম খাওয়া জরুরি!

স্বাস্থ্য ডেস্কঃ-ইন্টারন্যাশনাল নাট অ্যান্ড ড্রয়েড ফ্রউট কাউন্সিলের করা এক গবেষণায় জানা গেছে হার্টকে চাঙ্গা রাখতে বাদামের নাকি কোনো বিকল্প নেই। বাদামের শরীরে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আসলে এই উপাদানটি শরীরের ভেতরে জমতে থাকা টক্সিক উপাদানকে বের করে দেয়। সেই সঙ্গে প্রদাহ কমাতেও বিশেষ ভূমিকা নেয়। ফলে হার্টের কর্মক্ষমতা বাড়তে থাকে, সেই সঙ্গে শরীরের এই গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গটির কোনও ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা কমে।
এখানেই শেষ নয়, বাদামে উপস্থিত ফাইবারও এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। এই উপাদানটি রক্তে জমতে থাকা খারাপ কোলেস্টেরলের পরিমাণও কমায়। ফলে এই দিক থেকেও হার্ট অনেকটাই সুরক্ষিত থাকে। অর্থাৎ এক কথায় কিডনির মতো দেখতে এই খাবারটি এমনি খান বা ভেজে, দু'ক্ষেত্রেই সমান উপকার পাবেন। একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত এক মুঠো করে বাদাম খেলে যে শুধু হার্টের অবস্থার উন্নতি ঘটে, এমন নয়! সেই সঙ্গে আরও কিছু উপাকার পাওয়া যায়। যেমন...
১. শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়:
কাজুতে রয়েছে ওলিসিক নামে এক ধরনের মোনোআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড, যা দেহে বাজে কোলেস্টরলের মাত্রা কমাতে দারুন কাজে আসে।
তাই তো নিয়মিত এই বাদামটি খেলে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। ফলে হার্টের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়।
২. ক্যান্সার রোগ দূরে থাকে:
এই মরণ রোগটি যদি সাপ হয়, তাহলে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হল বেজি। তাই তো যেখানে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে, সেখানে ক্যান্সার সেলের খোঁজ পাওয়া কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। তাই তো প্রতিদিন এক মুঠো করে কাজু বাদাম খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা। আসলে এই বাদমটির শরীরে রয়েছে প্রচুর পরিমানে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা ক্যান্সার সেলের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলার পাশাপাশি টিউমার যাতে দেখা না দেয় সেদিকেও খেয়াল রাখে। প্রসঙ্গত, কাজু বাদামে থাকা প্রম্যান্থোসায়ানিডিন নামে একটি উপাদান এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।
৩. হার্টের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা কমেঃ
যেমনটা আগেও আলোচনা করা হয়েছে কাজু বাদামে উপস্থিত অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট একদিকে যেমন ক্যান্সার রোগকে দূরে রাখে, তেমনি নানাবিধ হার্টের রোগ থেকে বাঁচাতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই যাদের পরিবারে হার্ট ডিজিজের ইতিহাস রয়েছে, তারা প্রয়োজন মনে করলে এই প্রাকৃতিক উপাদানটির সঙ্গে বন্ধুত্ব পাতাতেই পারেন।
৪. হাড়ের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটেঃ
কাজু বাদামে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস এবং ম্যাগনেসিয়াম থাকার কারণে এই বাদামটি নিয়মিত খেলে হাড়ের শক্তি বাড়তে শুরু করে। সেই সঙ্গে বুড়ো বয়সে গিয়ে অস্টিওআর্থারাইটিসের মতো হাড়ের রোগ হওয়ার আশঙ্কাও হ্রাস পায়।
৫. সংক্রমণের আশঙ্কা কমেঃ
এই প্রাকৃতিক উপাদানটিতে থাকা জিঙ্ক, ভাইরাসের আক্রমণের হাত থেকে শরীরকে রক্ষা করে। তাই আপনি যদি এই ধরনের ইনফেকশনের শিকার প্রায়শই হয়ে থাকেন, তাহলে প্রতিদিনের ডায়েটে কাজু বাদামের অন্তর্ভুক্তি ঘটাতেই পারেন।
৬. ব্লাড প্রেসার কন্ট্রলে থাকে:
মাঝে মধ্যেই কি রক্তচাপ গ্রাফের কাঁটার মতো ওঠা-নামা করে? তাহলে তো চটজলদি কাজু খাওয়া শুরু করতে হবে। কারণ এই বাদামে রয়েছে ম্যাগনেসিয়াম, যা ব্লাড প্রেসারকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।
৭. চুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পাযঃ
কপার হল সেই খনিজ, যা চুলের ঔজ্জ্বল্য বাড়ানোর পাশাপাশি চুলের গোড়াকে শক্তপোক্ত করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আর এই উপাদানটি প্রচুর পরিমাণে রয়েছে কাজুতে। এবার নিশ্চয় বুঝতে পেরেছেন কিভাবে কাজু চুলের সৌন্দর্য বাড়িয়ে থাকে। তবে এখানেই শেষ নয়, কাজু বাদামে থাকা কপার শরীরের অন্দরে এমন কিছু এনজাইমের ক্ষরণ বাড়িয়ে দেয়, যা চুলের কালো রংকে ধরে রাখতে বিশেষ ভূমিকা নেয়।
৮. ওজন কমায়ঃ
অতিরিক্ত ওজনের কারণে যদি চিন্তায় থাকেন তাহলে আজ থেকেই বাদাম খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন উপকার মিলবে। আসলে এতে উপস্থিত একাধিক উপকারি উপাদান শরীরে উপস্থিত অতিরিক্ত মেদকে ঝরিয়ে ফেলে। সেই সঙ্গে হজম ক্ষমতারও উন্নতি ঘটায়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ওজন কমার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হয়।
৯. নার্ভের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়ঃ
বাদাম শরীরে থাকা ম্যাগনেসিয়াম নার্ভের ক্ষমতা বাড়িয়ে সার্বিকভাবে মস্তিষ্কের শক্তি বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আর একবার ব্রেন পাওয়ার বাড়তে থাকলে ধীরে ধীরে ব্রেনের কগনিটিভ ফাংশনেরও উন্নতি ঘটে। ফলে বুদ্ধি, স্মৃতিশক্তি এবং মনোযোগও বাড়তে শুরু করে।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

সাবেক সিইসি কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ বলেছেন, নির্বাচনে ‘লেভেল প্লেইং ফিল্ড’ প্লেটে তুলে দেওয়া যায় না; রাজনৈতিক দলগুলো মাঠে নামলে খেলতে খেলতেই সবার জন্য সমান সুযোগ তৈরি হয়। আপনি কি তা মনে করেন?