শুক্রবার, ২৪ মে ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

বুধবার, ০৮ মে, ২০১৯, ০৮:৫৪:৪১

প্রেমে পড়লে নিজের অজান্তেই যা করে মেয়েরা

প্রেমে পড়লে নিজের অজান্তেই যা করে মেয়েরা

ডেস্ক রিপোর্টঃ-কারো সঙ্গে ভালোবাসার সম্পর্কে জড়ানো দারুণ এক বিষয়। প্রেমের ধরন হয়েছে। যখন আপনি গভীর প্রেমে জড়িয়ে পড়েন, তখন নিজের অজান্তেই অনেক কিছু ঘটে যায়।  এখানে দেখে নিন তারই কিছু উদাহরণ। বিশেষ করে মেয়েরা কি করেন তা তুলে ধরেছেন বিশেষজ্ঞরা।
১. গোয়েন্দা হয়ে ওঠা : সঙ্গী-সঙ্গিনীর সোশাল মিডিয়া এবং হোয়াটসঅ্যাপের পোস্ট ও মেসেজগুলো বার বার পড়া হয়ে যায়। বিশেষ করে মেয়েরা যেন গোয়েন্দা হয়ে ওঠেন। তারা আপত্তিকর অনেক কিছুই বের করে আনার চেষ্টা করেন। অবশ্য এ স্বভাব যে ছেলেদের মাঝে একেবারেই নেই তা নয়।
২. বন্ধুদের ত্যাগ করা : মেয়েদের জন্য বিষয়টা নিষ্ঠুরতার মতো শোনায়। কিন্তু এটাই ঘটে থাকে।  প্রেমের সম্পর্কে জড়ালে যে বন্ধুদের ত্যাগ করতে হবে এমন কোনো কথা নেই।  কিন্তু মেয়েরা কাজটি সহজে করে ফেলতে পারেন।
৩. রোমান্টিক গান : সব সময় রোমান্টিক ভিডিও দেখতে মন চায়। রোমান্টিক গানেও উদ্বেলিত হয়ে ওঠে মন। যদি মনের মানুষটি অনেক দূরে থাকেন, তো বিষয়টি অনেক বেশি বেশি ঘটে।  জনপ্রিয় রোমান্টিক গানগুলো সব সময় মাথায় ঘুর ঘুর করে।
৪. সাবেককে অপমান করা : প্রেমিকের সাবেক প্রেমিকা থাকতে পারেন। এটা জানা হলে তো কথাই নেই।  বর্তমান প্রেমিকা তাকে দুই চোখে দেখতে পারেন না।  সুযোগ পেলে সাবেককে হেনস্থা করা তিনি মিস করতে চান না।
৫. তাকে নিয়ে আচ্ছন্ন থাকা : সে খুবই কিউট, কি সুন্দর! তার কথা-বার্তা, চাল-চলন সবই ভালো লাগতে শুরু করে। প্রেমিকের সবকিছুতে আচ্ছন্ন থাকা এ সময়ের সাধারণ বিষয়। প্রায়ই তার চিন্তায় হারিয়ে যাওয়া অতি স্বাভাবিক।
৬. পোশাকে সময় নষ্ট : প্রেমিকের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার সময় পোশাক নির্বাচন নিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় নষ্ট করা যেন কোনো ব্যাপার নয়। এ ঘটনা কেবল প্রেমে পড়লেই ঘটে।  নিজেকে সুন্দর দেখাতে এই বাড়তি প্রচেষ্টা চলতেই থাকে মেয়েদের।
৭. প্রতিবাদী হয়ে ওঠা : বন্ধুরা প্রেমিককে নিয়ে কিছু বললে তা আর সহ্য হয় না মেয়েদের।  সঙ্গীবিরোধী কথা শুনলেই মনটা প্রতিবাদী হয়ে ওঠে। যারা বলেন, তাদের কিছু কথা শুনিয়ে দিতেও ছাড়েন না এ সময়। তার বিষয়ে নেতিবাচক কোনো কথাই যেন ভালো লাগে না। 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

ভোটের পর থেকে সংসদে না যাওয়ার ঘোষণা দিয়ে আসা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দলের নির্বাচিতদের শপথ নেওয়ায় সম্মতি দিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সঠিক কাজটিই করেছেন। আপনি কি তার সঙ্গে একমত?