বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ,২০১৯

Bangla Version
SHARE

মঙ্গলবার, ০৬ নভেম্বর, ২০১৮, ০২:১৬:২৪

সম্পর্ককে টিকিয়ে রাখতে যা করণীয়

সম্পর্ককে টিকিয়ে রাখতে যা করণীয়

ডেস্ক রিপোর্টঃ-সম্পর্ক গড়া যতটা সহজ তার চেয়ে টিকে রাখা আরো কঠিন। এই ধারণাটাই প্রচলন রয়েছে।  সম্পর্ককে চারাগাছের সঙ্গে তুলনা করা যায়। খুব কম ক্ষেত্রেই তা নিজের মতো বেড়ে ওঠে। পানি আর খাদ্যের অভাবে ধীরে ধীরে তা শুকিয়ে যায়। সম্পর্কও এমনই। ফেলে রাখলে গতি হারিয়ে ফেলে। তার যত্ন নিতে হয়। তবে এর জন্য বিশেষ কোনো যত্নের প্রয়োজন নেই। ছোটখাটো কাজের মাধ্যমেই সম্পর্কের বাঁধন দৃঢ় ও মধুর হয়।
বন্ধুদের গুডমর্নিং ম্যাসেজে ফোন মেমোরি ভরে গেল? সকাল থেকে রাত বন্ধুদের শুভেচ্ছা বিনিময়ের এই ম্যাসেজে আমরা অনেকেই বিরক্ত। কিন্তু জানেন কি আপনার কাছে যা বিরক্তের তা আপনার পার্টনারের মুখে হাসি ফোটাতেও পারে? এর অর্থ সে সময় পার্টনারের কথাই আপনি ভাবছিলেন। এটুকু কাজ তো করাই যায়।
তবে শুধু দায়সারাভাবে গুডমর্নিং বলা বা গুডমর্নিং ম্যাসেজ পাঠিয়েই যদি ভাবেন কাজ শেষ, তাহলে ভুল ভাবছেন। সম্পর্কের বাঁধন দৃঢ় করতে আরো অনেক কিছু মেনে চলতে হয়। এই যেমন যে কোনো বিষয়ে নিজের অনুভূতিগুলো লুকিয়ে না রেখে সরাসরি তার সঙ্গে শেয়ার করুন।  তাকেও তার অনুভূতি ব্যক্ত করার সুযোগ দিন।
প্রশংসা কিন্তু খুব বড় একটা ওষুধ। ছিঁড়ে যাওয়া সম্পর্কের দড়িও আবার শক্ত করে বেঁধে ফেলার ক্ষমতা রয়েছে এর। তাই যখনই সম্ভব তার কাজের প্রশংসা করুন।
উপহার পেতে কার না ভালো লাগে। আর তা যদি সারপ্রাইজ হয় তাহলে তো আর কথাই নেই।  তাই একে অপরকে মাঝে মধ্যেই গিফট দিয়ে চমকে দিন। প্রেমিক বা প্রেমিকা- মনে মনে কিন্তু ভীষণ খুশি হবে।
আমরা তো সব সময়ই নিজের পছন্দের পোশাক পরি। নিজের পছন্দমতোই নিজেকে সাজাই।  একবার না হয় তার পছন্দে নিজেকে সাজিয়ে তুললেন। এই উইকএন্ডে এভাবেই তার সঙ্গে মুভি দেখতে যান।
সব সময় বাইরের খাবার না খেয়ে সময় পেলে নিজেই বানিয়ে নিন তার পছন্দের কিছু সুস্বাদু রান্না। রেঁস্তোরার মতো সুস্বাদু না হলেও আপনি বানিয়েছেন এটা জেনেই পার্টনার খুব খুশি হবেন।  খুবই উপভোগ করে খাবেন।
সম্পর্ককে একঘেয়ে হতে দেবেন না একেবারেই। হতে পারে আপনার কাছে এগুলো খুবই নগণ্য বিষয়। কিন্তু চেষ্টা করে দেখতে পারেন ফল ভালোই হবে।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

ঈদের চাঁদ দেখা নিয়ে বিভ্রান্তির জন্য সরকারের সমালোচনা করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, এটা সুশাসনের অভাবের ফল। আপনি কি তা মনে করেন?