মঙ্গলবার, ১২ ডিসেম্বর ,২০১৭

Bangla Version
SHARE

বৃহস্পতিবার, ১৫ জুন, ২০১৭, ০২:০৩:৪০

কাতারের বন্দরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ

কাতারের বন্দরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ

নিউজ ডেস্ক: কাতারের নৌবাহিনীর সাথে যৌথ মহড়া চালানোর জন্য দুটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজ দোহায় পৌঁছেছে। পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের আরব দেশগুলোর সাথে যখন কাতারের সম্পর্কে তীব্র উত্তেজনা চলছে তখন দেশটির বন্দরে এসব মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ভিড়ল।

কাতারের বার্তা সংস্থা কিউএনএ জানিয়েছে, কাতারের আমিরীয় নৌবাহিনীর সঙ্গে যৌথ মহড়ায় অংশগ্রহণের জন্য দুটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজ দোহার নিকটবর্তী হামাদ বন্দরে নোঙর করেছে। কাতারের নৌবাহিনীর পদস্থ কর্মকর্তারা বন্দরে মার্কিন নাবিকদের স্বাগত জানিয়েছেন।

চলতি মাসের গোড়ার দিকে সৌদি আরব, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও মিশর কাতারের সাথে সব ধরনের সম্পর্ক ছিন্ন করে। সেইসঙ্গে দেশটির সাথে সাগর, স্থল ও আকাশপথে সব ধরনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয় এসব আরব দেশ।

দৃশ্যত মার্কিন সমর্থন লাভ এবং ইসরাইলের স্বার্থ রক্ষা করার লক্ষ্যে এই পদক্ষেপ নেয় সৌদিসহ চার আরব দেশ। তারা ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসকে সহযোগিতা করার জন্য দোহাকে অভিযুক্ত করে। সেইসাথে এসব দেশ দাবি করে, কাতার সন্ত্রাসবাদকে পৃষ্ঠপোষকতা দিচ্ছে।

কাতার এসব অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে প্রত্যাখ্যান করেছে।

কাতারের সাথে আমেরিকার যৌথ নৌমহড়ার কর্মসূচি চলমান উত্তেজনার আগেই নির্ধারিত ছিল নাকি চার আরব দেশের বিপরীতে দোহার প্রতি ওয়াশিংটনের সমর্থন প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে দুটি মার্কিন জাহাজ এসেছে- সে সম্পর্কে কিছু জানা যায়নি। নৌজাহাজ দুটির নাম বা এগুলোর ধরন সম্পর্কে কিউএনএ কিছু জানায়নি।

মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার সবচেয়ে বড় সামরিক ঘাঁটি কাতারে অবস্থিত। কাতারের আল-উদেইদ বিমানঘাঁটিতে মোতায়েন রয়েছে প্রায় ১১ হাজার মার্কিন সেনা। মঙ্গলবার এই ঘাঁটি কাতার থেকে সরিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ওয়াশিংটনে নিযুক্ত আমিরাতি রাষ্ট্রদূত ইউসেফ আল-ওতাইবা।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

পুলিশের আইজিপি এ কে এম শহিদুল হক বলেছেন, ‘দেশকে জঙ্গি, মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত করতে হলে পুলিশের পাশাপাশি জনগণকে কাজ করতে হবে।’ আপনিও কি তাই মনে করেন?