বুধবার, ২৪ অক্টোবর ,২০১৮

Bangla Version
  
SHARE

বুধবার, ২৫ অক্টোবর, ২০১৭, ০৩:০২:৪৭

জেএসসি-জেডিসিতে বসবে সাড়ে ২৪ লাখ শিক্ষার্থী

জেএসসি-জেডিসিতে বসবে সাড়ে ২৪ লাখ শিক্ষার্থী

ডেস্ক রিপোর্টঃ-এবার ২৪ লাখ ৬৮ হাজার ৮২০ জন শিক্ষার্থী জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষায় অংশে নেবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।
সচিবালয়ে বুধবার (২৫ অক্টোবর) এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, আগামী ১ থেকে ১৮ নভেম্বর দেশের ২৮ হাজার ৬২৮টি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা দুই হাজার ৮৩৪টি কেন্দ্রে এ পরীক্ষায় অংশ নেবে।
এবার জেএসসি-জেডিসির ২৪ লাখ ৬৮ হাজার ৮২০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৩ লাখ ২৪ হাজার ৪২ জন ছাত্রী এবং ১১ লাখ ৪৪ হাজার ৭৭৮ জন ছাত্র।
আট বোর্ডের অধীনে এবার জেএসসিতে ২০ লাখ ৯০ হাজার ২৭৭ জন এবং মাদ্রাসা বোর্ডের অধীনে জেডিসিতে তিন লাখ ৭৮ হাজার ৫৪৩ জন পরীক্ষা দেবে।
গত বছর এ পরীক্ষায় ২৪ লাখ ১২ হাজার ৭৭৫ জন অংশ নিয়েছিল জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এবার পরীক্ষার্থী বেড়েছে ৫৬ হাজার ৪৫ জন।
জেএসসিতে এবার ৯৬ হাজার ২১২ জন এবং জেডিসিতে ১৪ হাজার ৩৬৭ জন অনিয়মিত পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় বসবে।
নাহিদ বলেন, গতবছর এক থেকে তিন বিষয়ে যারা অকৃতকার্য হয়েছিল তারাও এবার পরীক্ষা দেবে। এই সংখ্যা জেএসসিতে ৮৭ হাজার ৬৯৭ জন; জেডিসিতে ১১ হাজার ৭৭০ জন।
বিদেশের নয়টি কেন্দ্রে এবার ৬৫৯ জন শিক্ষার্থী জেএসসি পরীক্ষায় অংশ নেবে।
পরীক্ষার্থীদের যে এবার নির্ধারিত সময়ের ৩০ মিনিট আগেই পরীক্ষা কেন্দ্র প্রবেশ করতে হবে, সে কথা আগের দিনই জানানো হয়েছিল।
শিক্ষামন্ত্রী বুধবার বলেন, শিক্ষকরা সকালে যাওয়ার পর প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়ে যায়। এটা বন্ধ করার জন্য পরীক্ষার্থীরা ৩০ মিনিট আগে কেন্দ্রে ঢুকবে, তারপর প্রশ্নপত্রের প্যাকেট খোলা হবে।
এবারও বাংলা দ্বিতীয় পত্র, ইংরেজি প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র ছাড়া অন্য সব বিষয়ের পরীক্ষা হবে সৃজনশীল প্রশ্নপত্রে।
জেএসসি-জেডিসিতে এবার থেকে শারীরিক শিক্ষা ও স্বাস্থ্য, কর্মমুখী শিক্ষা এবং চারুকলা বিষয়ের পরীক্ষা হবে না। বছরজুড়ে ধারাবাহিক মূল্যায়নের মাধ্যমে এসব বিষয়ের নম্বর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে বোর্ডে সরবরাহ করা হবে।
এবার নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের চতুর্থ বিষয়সহ ১০টি পত্রে ৮৫০ নম্বরের পরীক্ষায় বসতে হবে। বহু নির্বাচনী ও সৃজনশীল প্রশ্নপত্রে দুটি বিভাগ থাকলেও দুটি অংশ মিলে ৩৩ পেলেই পাস বলে গণ্য হবে, অর্থাৎ এসএসসির মত দুই অংশে আলাদাভাবে পাসের প্রয়োজন নেই।
শ্রবণ প্রতিবন্ধীসহ অন্য প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থীরা বরাবরের মতই অতিরিক্ত ২০ মিনিট সময় পাবে। অটিস্টিক, ডাউন সিনড্রোম ও সেরিব্রাল পালসিজনিত প্রতিবন্ধীরা পাবে অতিরিক্ত ৩০ মিনিট সময়। দৃষ্টি প্রতিবন্ধী, সেরিব্রাল পালসজনিত প্রতিবন্ধী এবং যাদের হাত নেই তারা শ্রুতি লেখক সঙ্গে নিয়ে পরীক্ষা দিতে পারবে।
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব সোহরাব হোসোইন, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আলমগীর, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক এস এম ওয়াহিদুজ্জামান, আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটির সভাপতি অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান ছাড়াও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।

এই বিভাগের আরও খবর

  সরকারি হলো আরো ১৯ স্কুল ও তিন কলেজ

  পদোন্নতি পাচ্ছেন মাধ্যমিকের ৫০ শতাংশ শিক্ষক

  পদোন্নতি পেলেন ৪২০ সহকারী শিক্ষক

  ‘পরীক্ষা কেন্দ্রের ২০০ মিটারের মধ্যে মোবাইল নিলেই গ্রেপ্তার’

  প্রশ্ন ফাঁসকারীকে ধরিয়ে দিলে ৫ লাখ টাকা পুরস্কার-নাহিদ

  এসএসসি পরীক্ষা শুরু বৃহস্পতিবার, পরীক্ষার্থী ২০ লাখ-শিক্ষামন্ত্রী

  ১ ফেব্রুয়ারি এসএসসি পরীক্ষাঃ আজ থেকেই সকল কোচিং সেন্টার বন্ধ, ‘প্রশ্ন ফাঁসের প্রমাণ মিললেই পরীক্ষা বাতিল’

  জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ ৩০ ডিসেম্বর

  জেএসসি-জেডিসিঃ প্রথম দিনে অনুপস্থিত ৬০ হাজার ৮৯৩ পরীক্ষার্থী, বহিষ্কার ১৬ জন

  শুরু হলো জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষা

  ৩৭তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৫৩৭৯ জন

  0

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম বলেছেন, গুজব সনাক্তকরণে যে সেল করা হয়েছে, তা সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে মতপ্রকাশ নিয়ন্ত্রণ বা সোশ্যাল মিডিয়া পুলিশিং করবে না। আপনি কি এতে আশ্বস্ত?