বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

বৃহস্পতিবার, ২৭ জুন, ২০১৯, ০১:৩৬:০৭

মাদকে জড়িত অনুপস্থিত জনপ্রতিনিধিদের বরখাস্তে প্রয়োজনীয় আইন মতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে

মাদকে জড়িত অনুপস্থিত জনপ্রতিনিধিদের বরখাস্তে প্রয়োজনীয় আইন মতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে

মুহাম্মদ জুবাইর টেকনাফঃ-“সুস্বাস্থ্যেই সুবিচার, মাদক মুক্তির অঙ্গীকার” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে টেকনাফে মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচার বিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে টেকনাফে মাদক বিরোধী আলোচনা সভা বুধবার (২৬ জুন) সকাল ১০টায় কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার চত্বরে উপজেলা প্রশাসন ও কক্সবাজার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের যৌথ আয়োজনে মাদক বিরোধী আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মোঃ কামাল হোসেন।
বিশেষ অথিতি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোঃ আদিবুল ইসলাম, ২বিজিবির অধিনায়ক লেঃ কর্ণেঃ ফায়সল হাসান খাঁন, র‌্যাব-১৫ এর অধিনায়ক উইং কমন্ডার  আজিম আহমদ, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল আলম, পৌর মেয়র হাজী মো. ইসলাম। বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি, সাবেক এমপি অধ্যাপক মোঃ আলী, জেলা পরিষদের সদস্য, সাবেক টেকনাফ উপজেলা পলিষদের চেয়ারম্যান শফিক মিয়া, টেকনাফ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ প্রদীপ কুমার দাশ, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সৌমেন মন্ডল প্রমুখ।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রবিউল হাছান এর সভাপতিত্বে, টেকনাফ ডিগ্রী কলেজের অধ্যাপক সন্তোশ কুমার শীলের সঞ্চালনায় উক্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান মাওঃ ফেরদৌস আহমদ জমিরী, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক নুরুল বশর।
প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, কেন মাদক নির্মুল করবো, কেন তাপ্রয়োজন সকলে জানি। একটা বিষয় সবাই জানি এটা খারাপ জিনিস। এটা কখনো জাতির জন্য মঙ্গলমূলক বিষয় নই। সারা দেশে সাধারন মানুষের ধারনা হচ্ছে এটা একটা মাদক প্রবণ এলাকা।  টেকনাফের অপর নাম হচ্ছে ইয়াবা। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ঘোষনা দিয়েছেন বাংলাদেশ হবে মাদক মুক্ত। তিনি সবসময় কক্সবাজারের টেকনাফ কে নিয়ে ভাবেন। সীমান্তে নিয়োজিত আইন-শৃংখলা বাহিনী আন্তরিকতার সাথে কাজ করছে। আপনারা যদি তথ্য, উপাত্ত দিয়ে আইন-শৃংখলা বাহিন কে সহযোগিতা করুন। মাদক ব্যবসায়ীদের সামাজিক ভাবে বয়কট করুন।তাদের সাথে সামাজিক কোন সম্পর্ক হবেনা। আপনারা ঘোষনা দেন তাদের সাথে কোন আত্বীয়তা হবেনা। মাদকে জড়িত যারা এতদিন নেতৃত্ব দিয়েছে তারা এখন নেই।তারা আর পরছেনা। যদি কেও থেকে থাকেন, বেশীদিন থাকার সুযোগ নেই। তারা অবশ্ব্যই ধরা পড়বে তাতে কোন সন্দেহ নেই।ইয়াবার সাথে যারাই জড়িত থাকবে আমাদের সকল বহিনী প্রস্তুত, যারা যখন জড়িত হবে তাদের আইনের আওতায় আনবে। আমাদের কাছে তথ্য উপাত্ত আছে যে, অনেক জনপ্রতিনিধি জড়িত আগে ছিলেন ও আছে। আমরা তদন্ত করছি। যারা ইউনিয়ন পরিষদে দীর্ঘদিন অনুপস্থিত আছে, পালিয়ে বেড়াচ্ছেন তাদের বরখাস্ত করার যে প্রয়োজনীয় আইন আছে সে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেব।
তিনি আরো বলেন টেকনাফের একসময় সুনাম ছিল অথচ আজ ইয়াবার দুর্নাম ছাড়া আর কিছু নেই। এই অবস্থা থেকে উত্তরনের জন্য তিনি আইন শৃংখলা বাহিনী ও প্রশাসনকে তথ্য দিয়ে সহযোগীতার জন্য টেকনাফবাসীর প্রতি আহবান জানান। পাশাপাশি মাদক ব্যবসায়ীদের সামাজিকভাবে বয়কট করার আহবান জানান। এমনকি মাদক ব্যবসায়ীদের কোন অনুদান কোন ধর্মীয়, শিক্ষা সহ কোন প্রতিষ্ঠানে গ্রহন না করার আহবান জানান। পাশাপাশি তিনি অভিযানে একজন নিরীহ লোকও যাতে ক্ষতির শিকার না হন সে ব্যাপারে সতর্কতা অবলম্বনের জন্য আইনশৃংখলা বাহিনীর প্রতি আহবান জানান। পরে তিনি উপস্থিত সকলকে মাদকের বিরুদ্ধে শপথ বাক্য পাঠ করান।

এই বিভাগের আরও খবর

  চীনা প্রতিনিধি দলের তুমব্রু সীমান্ত পরিদর্শনঃ মিয়ানমারে ফিরতে নাগরিকত্ব ও নিরাপত্তার দাবি রোহিঙ্গাদের

  মিয়ানমারের সিমে ইন্টারনেট চালাচ্ছে রোহিঙ্গারা

  টেকনাফে প্রবল বর্ষনে পাহাড় ধ্বস ও পানির স্রোতে তিন ’শিশু’র মৃত্যুঃ আহত-১০

  টেকনাফে ১৯ মাদকসেবীকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

  উখিয়ায় শেড এনজিওর গুদামে বিপুল পরিমাণ ধারালো অস্ত্র

  রোহিঙ্গা মহাসমাবেশে অর্থ সহায়তাঃ দুই এনজিওর কার্যক্রম নিষিদ্ধ

  রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নিয়োজিত চার কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার

  টেকনাফে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ রোহিঙ্গা কুখ্যাত সন্ত্রাসী নূর মোহাম্মদ নিহত

  কক্সবাজারে অস্ত্রসহ ডাকাত সন্দেহে দুই যুবক গ্রেফতার

  কক্সবাজারে এনজিও মুক্তি এর ৬ প্রকল্প স্থগিত করলো এনজিও ব্যুরো

  টেকনাফে চোরাগুপ্তা হামলায় দিনমজুরকে হত্যা

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তির প্রেক্ষাপটে আইইডিসিআরের সাবেক পরিচালক মাহমুদুর রহমান বলছেন, মৃত্যুর ঘটনাগুলো ‘রিভিউ’ করার কোনো প্রয়োজন নেই, চিকিৎসকদের কথাই যথেষ্ট। আপনি কি তাকে সমর্থন করেন?