সোমবার, ২৭ মে ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

শনিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০১৯, ০৮:৪৬:২৫

টেকনাফে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে ১০২ জন ইয়াবাকারবারি আত্মসমর্পণ

টেকনাফে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে ১০২ জন ইয়াবাকারবারি আত্মসমর্পণ

মুহাম্মদ জুবাইর, টেকনাফঃ-ইয়াবা ব্যবসায়ীদের নিস্তার নেই, নিস্তার নেই। সরকার জিরো টলারেন্সের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। সীমান্ত দিয়ে যেন কেউ ঢুকতে না পারে সেজন্য নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হবে। যারা আত্মসমর্পণ করেছে তাদেরকে সাধুবাদ জানাই। আমরা ২০২১ ও ২০৪১ এর স্বপ্ন দেখছি। উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে বাংলাদেশ বিশ্বের দরবারে বিস্ময় হয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। আমরা থমকে যেতে চাইনা। এই নিষিদ্ধ মাদকে যারা জড়িত রয়েছে তারাও ভুল স্বীকার করে আত্মসমর্পন করুন, ভাল আর খারাপ সিদ্ধান্ত আপনাদেরই। মাদক ব্যবসা ইসলামেও নিষিদ্ধ। মাদক কারবারিরা যেখানেই থাকুন খুঁজে বের করবই। আইনকে আরো শক্তিশালী করা হয়েছে। মাদকদ্রব্য অধিদপ্তরকেও শক্তিশালী করা হচ্ছে। কয়েকজনের কারনে উন্নয়নের অগ্রগতি থমকে দিতে পারিনা। যেভাবে টেকনাফে ইন্ডাষ্ট্রি হচ্ছে সেখানে ইয়াবার মতো ঘৃন্য কাজে জড়াতে হবেনা। আইনশৃংখলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিলেও সাংবাদিকদের চোখ থেকে বাঁচা যাবেনা। রোহিঙ্গাদের কারনে দেশীয় শ্রমিকরা কাজ করতে পারছেনা। রোহিঙ্গাদের দ্রুত ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমার সফরে অং চাং সুকীর সাথে কথা হয়েছে, সেই সাথে ইয়াবার কথাও বলা হয়েছে।
এই ইয়াবা শুধু টেকনাফেই নই, ইয়াবা না ঢুকছে দেশে এমন কোন জায়গা নেই। তিনি আরো বলেন, সরকারিভাবে যাহা যাহা করা দরকার আত্মসমর্পণকারী ইয়াবা কারবারীদের আইনীভাবে সহয়তা করা হবে। জনগন সঙ্গে থাকলে ইয়াবামুক্ত টেকনাফ করতে পারব।
ইয়াবার প্রবেশদ্বারখ্যাত সীমান্ত নগরী টেকনাফে ইয়াবা কারবারীদের আত্মসমর্পন অনুষ্ঠানে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল।
শনিবার (১৬ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে আনুষ্ঠানিকভাবে ১০২ জন ইয়াবাকারবারি আত্মসমর্পণ করেছেন। এর মধ্যে ২৯ জন ইয়াবা গডফাদারও রয়েছেন। টেকনাফ পাইলট হাইস্কুল মাঠে আয়োজিত আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারীর কাছে ইয়াবা ও অস্ত্র জমা দিয়ে তারা আত্মসমর্পণ করেন। আত্মসমর্পণকালে তারা ৩ লাখ ৫০ হাজার ইয়াবা ও ৩০টি দেশীয় পিস্তল এবং ৭০টি তাজা কার্তুজ জমা দিয়েছেন। এ সময় আত্মসমর্পকারীদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়।
আত্মসমর্পণ করা ১০২ ইয়াবা ব্যবসায়ীর মধ্যে ২৯ জন ইয়াবা গডফাদারও রয়েছেন। আত্মসমর্পণের পর তাদেরকে আনুষ্ঠানিকভাবে পুলিশের হেফাজতে নেয়া হয়েছে।
আত্মসমর্পণের পর প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন দুই শীর্ষ ইয়াবা ব্যবসায়ী। তারা হলেন- টেকনাফ সদরের ইউপি সদস্য বহুল আলোচিত এনামুল হক ও মো. সিরাজ।
প্রতিক্রিয়ায় ইয়াবা কারবারী মোঃ সিরাজ বলেন বলেন- ইয়াবা পুরো দেশের যুব সমাজকে ধ্বংস করে দিয়েছে। এতে দেশের নতুন প্রজন্মর চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। এই অপরাধে আমরা দায়ী। অন্যদিকে ইয়াবা ব্যবসার কারণে টেকনাফসহ পুরো কক্সবাজার জেলার মানুষ সারাদেশের মানুষের কাছে ছোট হয়ে আছে। যেখানে যাই টেকনাফের মানুষ পরিচয় দিলেও আমাদের ঘৃনা করা হয়। তাই আমি আর জীবনেও ইয়াবা ব্যবসা করবনা।
ইউপি সদস্য বহুল আলোচিত এনামুল হক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, আমরা ভাল হতে চাই, আমাদেরকে সুযোগ করে দিন। এটা বড়ই কষ্টের এবং লজ্জার। এসব কিছু বুঝতে পেরে আমরা দেশকে ইয়াবার আগ্রাসন থেকে বাঁচাতে স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করেছি। যারা এখনো আত্মসমর্পণ করেনি তাদেরও আত্মসমর্পণ করার আহ্বান জানাচ্ছি। বিজিবি, পুলিশ, র‌্যাব ও কোস্টগার্ড সীমান্তে যৌথভাবে কাজ করলে ইয়াবার আগ্রাসন বন্ধ হয়ে যাবে। একই সঙ্গে আমাদেরকে ক্ষমা করে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার সুযোগ দেয়ার জন্য সরকারের কাছে আঁকুতি জানাচ্ছি।
এদিকে নাফ নদীতে দিনের বেলায় জেলেদের মাছ শিকারের অনুমতি প্রদান করতে কক্সবাজার জেলা পরিষদের সদস্য মোঃ শফিক মিয়া, জেলা ত্রান ও সমাজ কল্যান বিষয়ক সম্পাদক ইউনুছ বাঙ্গালী স্বরাষ্টমন্ত্রী বরাবর দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বৈঠকের মাধ্যমে সীদ্ধান্ত গ্রহন করবেন বলে আশ্বস্থ করেছেন।
কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এ বি এম মাসুদ হোসেনের সভাপতিত্বে ও আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুক, অতিরিক্ত ডিআইজি (অপারেশন অ্যান্ড ক্রাইম) মোহাম্মদ আবুল ফয়েজ, বিজিবি’র রিজিওয়ান কমন্ডার ব্রিগেডিয়ার সাজেদুর রহমান,কক্সবাজার জেলার চারটি আসনের সংসদ সদস্য জাফর আলম,  আশেক উল্লাহ রফিক, সাইমুম সরওয়ার কমল, শাহীন আক্তার চৌধুরী, জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোস্তাক আহমদ, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট সিরাজুল মোস্তফা, সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান রহমান প্রমুখ।
১০২ আত্মসমর্পণকারী হাচ্চে, টেকনাফ পৌরসভার অলিয়াবাদ এলাকার এজাহার মিয়া’র পুত্র আব্দুস শুকুর(৩৩), আমিনুর রহমার ওরফে আঃ আমিন (৪১), হ্নীলা ইউনিয়নের পশ্চিম লেদার মৃত হাজী আবুল কাশেম’র পুত্র নুরুল হুদা মেম্বার (৩৮), টেকনাফ সদর ইউনিয়নের উত্তর লেংগুরবিলের জাফর আহমদের পুত্র দিদার মিয়া (৩৫), সাবরাং মুন্ডার ডেইলের আবদুর রহমানের পুত্র মো. শাহেদ রহমান নিপু (৩৩),  টেকনাফ পৌরসভা ডেইল পাড়া এলাকার মোহাম্মদ আলীর পুত্র আবদুল আমিন(৩৪), নুরুল আমিন (৩৭), টেকনাফ পৌরসভার চৌধুরী পাড়ার
এজাহার মিয়া’র পুত্র শফিকুল ইসলাম শফিক (২৯), ফয়সাল রহমান (২৯), টেকনাফ সদরের নাজির পাড়ার মৃত এজাহার মিয়ার পুত্র এনামুল হক ওরফে এনাম মেম্বার (২৪), মৌলভী পাড়ার ফজল আহম্মদের পুত্র একরাম হোসেন )২৫), নাজির পাড়ার হাজী কালা মিয়ার পুত্র সৈয়দ হোসেন (৫৫), সাবরাং আলীর ডেইলের নাজির আহমদের পুত্র সাহেদ কামাল ওরফে সাহেদ (৩২), দঃ কচুবনিয়া এলাকার হাজী সোলতান আহমদের পুত্র মৌলভী বশির আহমদ( ৬৫), টেকনাফ সদরের পুরান পল্লান পাড়ার মৃত হাজী নুরুল ইসলামের পুত্র শাহ আলম(৩৫), নাজির পাড়ার হাজী মো. ইসলামের পুত্র আবদুর রহমান (৩০), পৌরসভার মাধ্যম জালিয়া পাড়ার আব্দুল গফ্ফারের পুত্র মোজাম্মেল হক, দক্ষিন জালিয়াপাড়ার হাজী ওসমান গণির পুত্র জুবাইর হোসেন(৩০), কুলাল পাড়ার মোঃ ইউনুছের পুত্র নুরুল বশর ওরফে নুরশাদ কাউন্সিলর (৩১), শিলবুনিয়াপাড়ার হায়দার আলীর পুত্র কামরুল হাসান রাসেল( ৩৫), গোদার বিলের আলী আহমদ সাবেক চেয়ারম্যান’র পুত্র আবদুর রহমান (৩২), জিয়াউর রহমান জিহাদ (২৭), হ্নীলা বাজার পাড়ার মৃত হাজী আমীর সওদাগরের পুত্র মোঃ শাহ(৫৮), পশ্চিম লেদার হাজী আবুল কাসেমের পুত্র নুরুল কবির( ৩৫), পৌরসভা অলিয়াবাদ এলাকার মৃত ইব্রাহীম খলিলের পুত্র মারুফ বিন খলিল ওরফে বাব(৩০), নাইট্যং পাড়ার  মৃত আবদুল খালেক’র পুত্র মোঃ ইউনুছ(৪৮), হ্নীলা পশ্চিম সিকদার পাড়ার মৃত হাজী খায়রুল বশরের পুত্র সৈয়দ হোসেন ওরফে ছৈয়ত(৫৬), আলী খালির মৃত হায়দার আলীর পুত্র মোঃ জামাল মেম্বার (৫২), জাদিমুড়ার আবুল মনসুরের পুত্র মোঃ হাসান আবদুল্লাহ (৩৪), শাহপরীর দ্বীপ উত্তর পাড়ার মৃত আবদুল হকের পুত্র রেজাউল করিম (রেজু) মেম্বার (৩৪), লেদা পূর্বপাড়ার জালাল আহাম্মেদ’র পুত্র মোঃ আবু তাহের (৪১), হ্ণীলা ফুলের ডেইলের আব্দুল জব্বারের পুত্র রমজান আলী ( ২৮), পূর্ব লেদার মৃত লাল মিয়ার পুত্র ফরিদ আলম ( ৪২), হ্নীলা পñিম সিকদার পাড়ার মৃত রশিদ আহম্মদের পত্র মাহবুব আলম (৩৬), নাজির পাড়ার নুরুল আলমের পুত্র  মোঃ অফসার (২৪),  নাইট্যং পাড়ার  লাল মিয়া ওরফে লালু কসাই প্রকাশ অলি আহমেদ’র পুত্র মোঃ হাবিবুর রহমান ওরফে নুর হাবিব(২৪),  সাবরাং পানছড়ি পাড়ার আলী আহমদ ওরফে আলুগুলার পুত্র শামসুল আলম ওরফে শামসু মেম্বার(৩২), পুরাতন পল্লান পাড়ার  মোঃ আয়ুবের পুত্র মোঃ ইসমাইল ( ৩৪), মৌলভী পাড়ার নুরুল হকের পুত্র আবদুল গণি(৩৩), হাজী কালা মিয়ার পুত্র মোহ্ম¥দ আলী(৩৭), নাজির পাড়ার মৃত কালা মিয়ার পুত্র জামাল হোসেন(৫৩),  সাবরাং কচুবনিয়ার আবদুল কালেকের পুত্র আবদুল হামিদ(৩৫), হ্নীলা পুর্ব পানখালীর মৃত আবুল হাসান ওরফে হাছান’র পুত্র নজরুল ইসলাম (৫২),  হ্নীলা পশ্চিম সিকদার পাড়ার মৃত হাজী খায়রুল বশর ওরফে বশর’র পুত্র রশিদ আহমদ ওরফে লশিদ খুলু(৫৪), সাবরাং মুন্ডার ডেইল বেল্লাপাড়ার মাস্টার সৈয়দ আহমদের পুত্র মোয়াজ্জেম হোসেন ওরফে দানু মেম্বার( ৩৭), লেংগুরবিল জাহাঁলিয়া পাড়ার শামসু মিয়ার পুত্র মোঃ সিরাজ (২৮), চৌধুরী পাড়ার মৃত মোজাহার মিয়ার পুত্র মোঃ আলম (৪৫),  মধ্যম ডেইল পাড়ার হাজী মোঃ শরীফের পুত্র মোঃ আবদুল্লাহ (৩৬), রাজার ছড়ার মোঃ কাশেম’র পুত্র হোসেন আলী (২৭),  দক্ষিন নয়াপাড়ার মৃত মৌঃ আলী হোসেনের পুত্র মোঃ তৈয়ব ( ৪৬),  উত্তর জালিয়া পাড়ার সৈয়দ নুর’র পুত্র নুরুল কবির মাঝি( ৫৫), উত্তর আলী খালীর  জামাল মেম্বারের পুত্র শাহ আজম ( ২৮),  আলীর ডেইল’র হাজী খুইল্যা মিয়র পুত্র জাফর আহমদ ওরফে জাফর (৪৩), নাজির পাড়ার  আবদুল গণি ওরফে গণির পুত্র  জাফর আলম ( ৩৭), হ্নীলা ফুলের ডেইলের মৃত সৈয়দুল আমীনের পুত্র রুস্তম আলী ওরফে রুস্তম(৩৫),  পশ্চিম লেদার নুর আহম্মদের পুত্র মোঃ হোছাইন (৩২), শাহপরীর দ্বীপ জালিয়া পাড়ার মৃত দুদু মিয়ার পুত্র নুরুল আলম (৩৬),  পৌরসভার উত্তর জালিয়া পাড়ার  মৃত হাছান আলীর পুত্র মোঃ হাশেম ওরফে আংকু (৩৮), শামলাপুর  জুমপাড়ার মৃত আবুল কাসেমের পুত্র শফিউল্লাহ(৩৮),  হ্নীলা ফুলের ডেইলের দিলদার আহমদের পুত্র আবু তৈয়ব(৩১), মৃত হোসেনের পুত্র  আলী নেওয়াজ(৩১),  পশ্চিম লেদার মোঃ আবদুল কাদেরের পুত্র মোঃ জহুর আলম( ৩০), পূর্ব লেদার কামাল হোসেনের পুত্র মোঃ হুসাইন(৩৫),  টেকনাফ বড় হাবিব পাড়ার মৃত আমির আলীর পুত্র মোঃ ছিদ্দিক(৩৪), লেদা পূর্ব পাড়ার মৃত লাল মিয়ার পুত্র রবিউল আলম(৩৬), সাবরাং মুন্ডার ডেইলের মোঃ হোসাইনের পুত্র মঞ্জুর আলী( ৩৫) দক্ষিন লেদার মৃত হামিদ আলীর পুত্র হামিদ হোসেন(৩৪),  দক্ষিন জালিয়া পাড়ার মোঃ রফিক’র পুত্র  মোঃ আলম (৩৫),  শিলবনিয়া পাড়ার মোঃ জমিলের পুত্র মোঃ আইয়ুব (৩৫),  সাবরাং মুন্ডার ডেইলের মৃত ফজল আহম্মদের পুত্র মোঃ রাসেল( ২৮), নুরুল আমিন ( ৩৫), পশ্চিম লেদার স্থায়ী বাসিন্দা, বর্তমান  খুরুশকুল মাদরাসার পিছনের বাসিন্দা মৃত নুরুল ইসলামের পুত্র বোরহান উদ্দীন (৩৪),  মাঠপাড়ার আজিজুর রহমানের পুত্র কামাল হোসেন(২৬),  দক্ষিন জালিয়া পাড়ার ওসমান গণির পুত্র ইমান হোসেন (৩০), হ্নীলা আলী খালীর  রশিদ মিয়ার পুত্র হারুন(২০), সাবরাং কাটবুনিয়ার  আবদুল মাজেদের পুত্র শওকত আলম(৩০),  সাবরাং চান্দলী পাড়ার মোক্তার আহমদের পুত্র হোছাইন আহম্মদ(২৫), পৌরসভা নাইট্যং পাড়ার আবদুর রশিদের পুত্র মোঃ আয়ুব(২৮), উত্তর শীল খালীর সোনা আলী মেম্বারের পুত্র মোঃ আবু ছৈয়দ( ২৫), পৌরসভার নাইট্য পাড়ার আমীন শরিফের পুত্র মোঃ রহিম উল্লাহ(২৯), নাজির পাড়ার ৃমত আবুল কাশিমের পুত্র মোঃ রফিক(৩২), নতুন পল্লান পাড়ার মোঃ সালামের পুত্র সেলিম(৩২), দক্ষিন নয়াপাড়ার  সোনা আলীর পুত্র নুর মোহাম্মদ (৪২), তুলাতলী’র হাজী মোজাফ্ফর আহমদের পুত্র নুরুল বশর ওরফে কালা ভাই(৪০), পৌরসভার চৌধুরী পাড়ার  মৃত অংছেন ছা’র পুত্র মংঅং থেইন ওরফে মমছি(৪৮),  নাজির পাড়ার নুরুল আলম ওরফে  আবদুল মোনাফের পুত্র মোঃ হেলাল(৩২), টেকনাফ কচুবনিয়া’র  হাকিম আলীর পুত্র  বদিউর রহমান ওরফে বদুরান( ৪৭),  উত্তর লম্বরীর মৃত মিয়া হোসেনের পুত্র আবদুল করিম ওরফে করিম মাঝি (৪০), শামলাপুর মনতেলিয়া জুম্মা পাড়ার মোহাম্মদ ইসলামের পুত্র সৈয়দ আলম( ৪০),  হাতিয়ার ঘোনা করাচি পাড়ার  আবদুল হাকিমের পুত্র মোঃ হাছন (৩২),  জাহাজপুরার পুর্ব পাড়ার মৃত হাজী আবদুল শুককুর ওরফে  আবদুল সাকুর’র পুত্র নুরুল আলম(২৬), রাজার ছড়ার মোহাম্মদ আলীর পুত্র আবদুল কুদ্দুছ (২৪), হাতিয়ার ঘোনার মোঃ ছিদ্দিকের পুত্র দিল মোহাম্মদ (৩৪),  ঝিনা পাড়ার মৃত মোঃ কাসেমের পুত্র আলী আহম্মেদ (৩৫), সাবরাং মুন্ডার ডেইলের  কবির আহমদের পুত্র  মোঃ সাকের মিয়া ওরফে সাকের মাঝি(২৮),  দক্ষিন নয়াপাড়ার মৃত মোঃ আবদুল্লাহ’র পুত্র আলমগীর ফায়সাল লিটন (৩০), পুর্ব লেদার মৃত লাল মিয়ার পুত্র জাহাঙ্গীর আলম(২৮), নাজির পাড়ার মৃত নুরুল ইসলাম ওরফে বাইট্্রার পুত্র নুরুল আলম(৩৮০,  শাহপরীর দ্বীপ জালিয়া পাড়ার  মৃত আলকাসের পুত্র সামছুল আলম শামীম(৩৫), মিঠাপনির ছাড়ার হাজী নুরুল হকের পুত্র মোঃ ইউনুছ(২২),  পশ্চিম পানখালীর মৃত অলি আহমদ প্রকাশ লাল মিয়ার পুত্র নুরুল আফসার প্রকাশ আফসার উদ্দীন(৪২), কক্সবাজার ঝিলংজা লারপাড়ার নুর মোহাম্মদ আনছারীরর পুত্র মোঃ শাহজাহান আনছারী।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

ভোটের পর থেকে সংসদে না যাওয়ার ঘোষণা দিয়ে আসা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দলের নির্বাচিতদের শপথ নেওয়ায় সম্মতি দিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সঠিক কাজটিই করেছেন। আপনি কি তার সঙ্গে একমত?