বুধবার, ১৮ জুলাই ,২০১৮

Bangla Version
SHARE

মঙ্গলবার, ০৩ জুলাই, ২০১৮, ০৫:০৮:২৭

টেকনাফে এক মাসেই ৬ কোটি ৭৪ লাখ টাকার মাদক ও চোরাইপণ্য জব্দ

টেকনাফে এক মাসেই ৬ কোটি ৭৪ লাখ টাকার মাদক ও চোরাইপণ্য জব্দ

টেকনাফঃ-টেকনাফ-২ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ন ১ জুন হতে ৩০ জুন পর্যন্ত সর্বমোট ৬ কোটি ৭৪ লাখ ৭২ হাজার ৯২৩ টাকা মূল্যের ইয়াবা, মাদকদ্রব্য ও অন্যান্য মালামাল জব্দ করা হয়েছে। এসব মালামাল উদ্ধারের ঘটনায় মোট ১০২টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এসব মামলায় ১৪ জন মাদক পাচারকারী ও চোরাকারবারীকে আটক করা হয়েছে।
টেকনাফ-২ বিজিবি’র পরিচালক অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. আছাদুদ-জামান চৌধুরী জানান, টেকনাফ-২ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের অধীন বিওপি ও ক্যাম্পসমূহ হতে বিভিন্ন সময়ে টহল পরিচালনার মাধ্যমে এসব মাদকদ্রব্য ও অন্যান্য মালামাল জব্দ করা হয়। জুন মাসে মোট ১ লাখ ৫৮ হাজার ৮৫৩ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনায় ১৫টি মামলা করা হয়েছে। এসব মামলায় ১৪ জন ইয়াবা পাচারকারীকে আটক করা হয়। ১ জন পলাতক।
উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যর মধ্যে আরও আছে ৬ লাখ ৫৭ হাজার ২৫০ টাকা মূল্যের ২ হাজার ৬২৯ ক্যান বিয়ার, ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের ৮০ বোতল বিদেশী মদ, ১৪ হাজার টাকা মূল্যের ৪ কেজি গাঁজা। মোট ৭ লাখ ৯১ হাজার ২৫০ টাকা মূল্যের উদ্ধারকৃত মাদকে ৭টি মামলায় কোন আসামি আটক ও পলাতক নেই।
এছাড়া জুন মাসে ১ কোটি ৯০ লাখ ২৫ হাজার ৭৭৩ টাকা মূল্যের বিভিন্ন চোরাইপণ্য উদ্ধার করা হয়। এসব পণ্য উদ্ধারে মোট ৮০টি মামলায় কোন আসামি গ্রেফতার হয়নি। ২ জন আসামি পলাতক।

এই বিভাগের আরও খবর

  টেকনাফে পাহাড়ী ছড়া থেকে রোহিঙ্গা যুবকসহ দু’মৃতুদেহ উদ্ধার

  টেকনাফের নাফনদীতে বিজিবি-বিজিপি পর্যায়ে ১০ম যৌথ সমন্বয় টহল

  কক্সবাজারে পাহাড়ি ঝোপে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ

  টেকনাফে নিখোঁজের ১৯ দিন পর রোহিঙ্গা ডাকাতের মস্তকবিহীন লাশ উদ্ধার

  টেকনাফে ২শ ৮৬কোটি টাকার মাদকদ্রব্য ধ্বংস

  টেকনাফে পাহাড়ি সড়কে গণপরিবহনে দুর্ধর্ষ ডাকাতি

  টেকনাফে এক মাসেই ৬ কোটি ৭৪ লাখ টাকার মাদক ও চোরাইপণ্য জব্দ

  টেকনাফে মাদকবিরোধী অভিযানে আটক ১৫ জনকে সাজা

  রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে যুক্তরাজ্য মিয়ানমারের উপর চাপ দিচ্ছে-মার্ক ফিল্ড

  ভারি র্বষণে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ২০০ টন চাল বরাদ্দ

  কক্সবাজারে মাদক বিক্রেতাকে ১৫ বছরের কারাদণ্ড

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, চলমান মাদকবিরোধী অভিযানে তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে কাজ হচ্ছে, এখানে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। বাস্তবে তা ঘটবে বলে মনে করেন?