বুধবার, ১৫ আগস্ট ,২০১৮

Bangla Version
SHARE

রবিবার, ২৪ জুন, ২০১৮, ০৪:০০:১২

টেকনাফে পূর্ব শত্রুতার জেরে স্কুল ছাত্রকে হত্যা

টেকনাফে পূর্ব শত্রুতার জেরে স্কুল ছাত্রকে হত্যা

কক্সবাজারঃ-কক্সবাজারের টেকনাফের সাবরাং নয়াপাড়া এলাকায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে সন্ত্রাসীদের হামলায় এক স্কুল ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। সন্ত্রাসীদের হামলার একদিন পর নয়াপাড়া নবী হোসাইন উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র মুজিব উল্লাহ চট্রগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু বরণ করে।
নিহতের ভগ্নিপতি আব্দুল হামিদ জানান, শুক্রবার দুপুরের দিকে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়নের দক্ষিণ নয়াপাড়া এলাকার কবির আহমদের ছেলে জায়তুল্লাহ (১৮), জালাল আহমদের ছেলে কবির আহমদ, অলি আহমদের ছেলে কবির আহমদ, কবির আহমদের ছেলে সাদেক, মোক্তার আহমদের ছেলে নুরুন্নবী, মোঃ আলীর ছেলে মোক্তার আহমদ, জাহেদ হোসেনের ছেলে মোস্তফা কামলসহ আরো ৫/৬ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি একই এলাকার মোঃ আব্দুল্লাহর ছেলে মুজিব উল্লাহকে গতিরোধ করে মুজিব উল্লাহকে লক্ষ্য করে ঢিল ছুড়ে মারে কানের নিচে ও মাথায় আঘাতে রক্তাক্ত জখম করে। এ ঘটনার খবরে মুজিব উল্লাহর পরিবার ও এলাকাবাসী ছুটে গিয়ে গুরুতর রক্তাক্ত অবস্থায় মুজিবকে উদ্ধার করে টেকনাফ উপজেলা স্থাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত ডাক্তার মুজিবের অবস্থা বেগতিক দেখে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে কক্সবাজার সদর হাসাপাতালে প্রেরণ করে। কক্সবাজার সদর হাসাপাতালে চিকিৎসার পর অবস্থা বেগতিক দেখে চট্রগ্রাম মেডিকেল হাসপাতালে প্রেরণ করে। একদিন পর চট্রগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন মুজিব উল্লাহ।
তিনি আরও জানান, নিহতের লাশ ময়নাতদন্ত শেষে গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসা হচ্ছে।
নিহতের পিতা মোঃ আব্দুল্লাহ বাদী হয়ে জায়তুল্লাহকে প্রধান আসামি করে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এ বিষয়ে টেকনাফ মডেল থানার ওসি রনজিত কুমার বড়ুয়া জানান, মুজিব উল্লাহ নামের এক স্কুল ছাত্র চমেকে মারা যাওয়ার খবর শুনেছি। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষে থেকে পুলিশকে অবহিত বা মামলা নিয়ে আসেনি। নিহত মুজিব উল্লাহর পরিবার মামলা নিয়ে আসলে অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, চলমান মাদকবিরোধী অভিযানে তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে কাজ হচ্ছে, এখানে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। বাস্তবে তা ঘটবে বলে মনে করেন?