বুধবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ,২০১৮

Bangla Version
SHARE

রবিবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১৭, ০৯:১০:২১

ঝুঁকি নিয়ে সেন্টমার্টিন থেকে টেকনাফে ফিরলেন ২০১ পর্যটক

ঝুঁকি নিয়ে সেন্টমার্টিন থেকে টেকনাফে ফিরলেন ২০১ পর্যটক

কক্সবাজারঃ-ঝুঁকি নিয়ে পাঁচটি ট্রলারে করে সেন্টমার্টিন থেকে টেকনাফে ফিরলেন ২০১ পর্যটক। সেন্ট মার্টিনে আটকে পড়া পর্যটকদের মধ্যে প্রায় আড়াই শজন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ট্রলারে করে টেকনাফে পৌঁছেছেন।
রোববার (১০ ডিসেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তাঁরা পাঁচটি ট্রলারে করে টেকনাফে আসেন। তবে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ট্রলার চালানোর দায়ে ট্রলার মালিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে শনিবার দিনভর উপকূলীয় এলাকায় ভারী বৃষ্টি হয়।  সাগর উত্তাল ছিল। এ কারণে কক্সবাজারে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত জারি করা হয় এবং সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফলে সেন্টমার্টিন দ্বীপে বেড়াতে গিয়ে সেখানে প্রায় ৬০০ পর্যটক আটকা পড়েন। তবে আজ সকাল থেকে বৃষ্টি নেই। সেখানে রোদও দেখা দিয়েছে।
কক্সবাজার আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সহকারী আবহাওয়াবিদ উজ্জ্বল কান্তি পাল বলেন, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপটি এখন দুর্বল হলে লঘুচাপে পরিণত হয়েছে। এটি এখন কক্সবাজার থেকে ৬৭৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে। তবে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত বহাল রয়েছে।
টেকনাফ সার্ভিস ট্রলার মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. সৈয়দ আলম বলেন, টেকনাফ থেকে কোনো জাহাজ সেন্ট মার্টিনে আসছে না। এ খবর পেয়ে পর্যটকেরা আজ সকাল সাড়ে নয়টার পর সেন্টমার্টিনের জেটি ঘাটে ভিড় করেন।
এ সময় পাঁচটি ট্রলারে ২৪৪ জন যাত্রী ওঠানো হয়। এই পর্যটকদের কাছ থেকে জনপ্রতি ২০০ টাকা ভাড়া নেওয়া হয়। সাগরে মাঝপথে ট্রলারগুলো উত্তাল ঢেউয়ের কবলে পড়লেও কোনো ধরনের দুর্ঘটনা ছাড়াই ১২টা ১০ মিনিটের দিকে তিনটি ট্রলার টেকনাফ কায়ুকখালিয়া ঘাটে পৌঁছায়। ২০ মিনিটের পর বাকি দুটি পৌঁছায়। ফেরার পথে সাগরে হঠাৎ উত্তাল ঢেউয়ের কবলে পড়ে ট্রলার।
সৈয়দ আলম আরও জানান, ট্রলারগুলোয় ২০১ জন পর্যটক ও ৪৩ জন স্থানীয় বাসিন্দা ছিলেন।  সেন্ট মার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান নূর আহম্মদ বলেন, সাগরে সতর্ক সংকেত বহাল রয়েছ।  কিন্তু সাগর তেমন উত্তাল নয়। সকাল থেকে বৃষ্টিও নেই। অন্য সময় এ ধরনের পরিস্থিতিতে ওই রুটে ট্রলার চলাচল করে। তাই পর্যটকেরা যেতে চাওয়ায় তাঁদের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
টেকনাফের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জাহিদ হোসেন সিদ্দিকী বলেন, সাগরে সংকেত রয়েছে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ট্রলার না ছাড়ার জন্য ট্রলার মালিক সমিতিকে নির্দেশও করা হয়।  যারা নিয়ম ভেঙেছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলে চালু হওয়া ‘না’ ভোট একাদশ সংসদ নির্বাচনের আগে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ সংশোধনের উদ্যোগের মধ্যে পুনঃপ্রবর্তনের প্রস্তাব করেছে নাগরিক সংগঠন সুজন। আপনি কি তা সমর্থন করেন?