বুধবার, ১৮ জুলাই ,২০১৮

Bangla Version
  
SHARE

সোমবার, ১৩ নভেম্বর, ২০১৭, ০৭:৫০:৩১

টেকনাফ-সেন্টমার্টিন রুটে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল শুরু

টেকনাফ-সেন্টমার্টিন রুটে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল শুরু

কক্সবাজারঃ-টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌ-রুটে আজ থেকে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল শুরু হয়েছে। টেকনাফের দমদমিয়া জাহাজ ঘাট থেকে সোমবার (১৩ নভেম্বর) সকালে কেয়ারী সিন্দবাদ নামে একটি জাহাজ ৩ শতাধিক যাত্রী নিয়ে সেন্টমার্টিনের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। এর আগে রবিবার জেলা প্রশাসক এ রুটে জাহাজ চলাচলের অনুমতি প্রদান করেন।
প্রতি বছর অক্টোবর মাস থেকে পর্যটন মৌসুম শুরু হলে সেন্টমার্টিনে পর্যটকদের ঢল নামে। কিন্তু চলতি বছর মিয়ানমারে সহিংসতা শুরু হওয়ায় নিরাপত্তাজনিত কারণে কর্তৃপক্ষ জাহাজ এতোদিন জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেয়নি।
টেকনাফ সেন্টমার্টিন রুটের পর্যটকবাহী জাহাজ কেয়ারী সিন্দবাদের ব্যবস্থাপক শাহ আলম জানান, ৩ শতাধিক পর্যটক নিয়ে কেয়ারী সিন্দবাদ সেন্টমার্টিনের উদ্দেশ্যে ছেড়ে গেছে।
এদিকে সেন্টমার্টিনকে কেন্দ্র করে টেকনাফ, সেন্টমার্টিন ও কক্সবাজারে পর্যটক নির্ভর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো শীত মৌসুমে জমজমাট হয়ে উঠে। চলতি বছর জাহাজ চলাচলে বিলম্ব হওয়ায় তাদের মাঝে হতাশা বিরাজ করছিল। অবশেষে জাহাজ চলাচল শুরু হওয়ায় ব্যবসায়ীদের মাঝে স্বস্তি ফিরেছে। বিশেষ করে সেন্টমার্টিন দ্বীপের অধিকাংশ মানুষের জীবিকা এই পর্যটক নির্ভর।
সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নুর আহমদ জানান, জাহাজ চলাচলের অনুমতি পাওয়ায় সেন্টমার্টিনবাসীর মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

এই বিভাগের আরও খবর

  টেকনাফে পাহাড়ী ছড়া থেকে রোহিঙ্গা যুবকসহ দু’মৃতুদেহ উদ্ধার

  টেকনাফের নাফনদীতে বিজিবি-বিজিপি পর্যায়ে ১০ম যৌথ সমন্বয় টহল

  কক্সবাজারে পাহাড়ি ঝোপে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ

  টেকনাফে নিখোঁজের ১৯ দিন পর রোহিঙ্গা ডাকাতের মস্তকবিহীন লাশ উদ্ধার

  টেকনাফে ২শ ৮৬কোটি টাকার মাদকদ্রব্য ধ্বংস

  টেকনাফে পাহাড়ি সড়কে গণপরিবহনে দুর্ধর্ষ ডাকাতি

  টেকনাফে এক মাসেই ৬ কোটি ৭৪ লাখ টাকার মাদক ও চোরাইপণ্য জব্দ

  টেকনাফে মাদকবিরোধী অভিযানে আটক ১৫ জনকে সাজা

  রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে যুক্তরাজ্য মিয়ানমারের উপর চাপ দিচ্ছে-মার্ক ফিল্ড

  ভারি র্বষণে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ২০০ টন চাল বরাদ্দ

  কক্সবাজারে মাদক বিক্রেতাকে ১৫ বছরের কারাদণ্ড

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, চলমান মাদকবিরোধী অভিযানে তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে কাজ হচ্ছে, এখানে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। বাস্তবে তা ঘটবে বলে মনে করেন?