সোমবার, ২২ জুলাই ,২০১৯

Bangla Version
  
SHARE

বুধবার, ০৮ মে, ২০১৯, ১২:৪২:২৩

ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়, আটক-৪

ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়, আটক-৪

চট্টগ্রামঃ-চট্টগ্রামে ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগে সংঘবদ্ধ অপহরণ চক্রের ৪ সদস্যকে আটক করেছে কোতোয়ালী থানা পুলিশ। মঙ্গলবার (৭ মে) নগরীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত চারজন হলেন- মো. নাসির উদ্দিন (৩৫), প্রদীপ দাশ (৩৫), হাসিনা আক্তার মুক্তা (৪৫) ও ছালেহা আক্তার (৪০)।
কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মহসীন জানিয়েছেন, নগরীর আছাদগঞ্জ শুটকি পট্টি এলাকার ব্যবসায়ী আলতাফ হোসেনকে (৫০) সোমবার চামড়ার গুদাম এলাকা থেকে অপহরণ করা হয়। অপহরণ করে তাকে চান্দগাঁও থানার শরাফত উল্লাহ পেট্রল পাম্পের পাশে নূর মঞ্জিল নামে একটি ভবনের তৃতীয় তলার ফ্ল্যাটে নেয়া হয়। সেখানে তাকে হত্যার ভয় ভীতি দেখিয়ে আগে থেকে থাকা হাসিনা ও তার সহযোগীরা তার আপত্তিকর ছবি তুলে নেয়। পরে তার কাছ থেকে ৪ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে অপহরণকারীরা৷ অন্যথায় তার ছবিগুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়া হবে বলে হুমকিও দেয় তারা।
অপহরণকারীদের দাবি অনুযায়ী মুক্তিপণ দেয়ার জন্য আলতাফ হোসেন তার ভাইয়ের সাথে যোগাযোগ করে। ভাইকে একটি বিকাশ নাম্বার দিয়ে সেই নাম্বারে টাকা দেয়ার অনুরোধ করেন আলতাফ হোসেন। আলতাফ হোসেনের ভাই বিষয়টি পুলিশকে জানালে পুলিশ বিকাশের ওই নাম্বারের লোকেশন বের করে আগে থেকে সেখানে অবস্থান নেয়। পরে চান্দগাঁও থানার কামাল বাজার এলাকায় তাহেরিয়া ফ্যাশন নামে ওই বিকাশ এজেন্টের কাছে টাকা ক্যাশ আউট করতে গেলে পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয় হাসিনা।
পরে হাসিনার দেয়া তথ্য অনুযায়ী নূর মঞ্জিল থেকে নাসির ও প্রদীপকে গ্রেফতার করে পুলিশ। নূর মঞ্জিলে অভিযান চালানোর সময় এক আরেকজন পুরুষ সহ এক নারী দৌঁড়ে পালিয়ে যায়। পরে চামড়ার গুদাম এলাকা থেকে ছালেহাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
অবশ্য ভিন্ন রকম দাবি অভিযুক্ত হাসিনার। হাসিনার দাবি, আলতাফ হোসেনের সঙ্গে তার ২০০৭ সাল থেকে পরিচয়। সেই পরিচয়ের সূত্র ধরে হাসিনা তাকে ফোন করলে আলতাফ চান্দগাঁওয়ের ওই ফ্ল্যাটে যান।
গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে কোন থানায় কোন মামলা না থাকলেও কোতোয়ালী থানার পরিদর্শক তদন্ত কামরুজ্জামানের দাবি গ্রেফতারকৃত চারজন একটি সংঘবদ্ধ পেশাদার অপরাধী চক্র। তারা দীর্ঘদিন ধরে এই ধরনের অপরাধ করে আসছে। এই পর্যন্ত নগরীতে অন্তত ৫০টি একই ধরনের অপরাধ তারা সংঘটিত করেছে।
চট্টগ্রামে প্রেমের ফাঁদে ফেলে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়ে একটি সংঘবদ্ধ চক্র কাজ করছে দীর্ঘদিন ধরে। বিভিন্ন ব্যবসায়ী, চাকরিজীবীসহ স্বচ্ছল পুরুষদের প্রেমের ফাঁদে ফেলে, বাসায় এনে জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায় করে তারা। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে লোক জানাজানি হওয়ার ভয়ে ভিকটিমরা অভিযোগ করে না।

এই বিভাগের আরও খবর

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আজকের প্রশ্ন

এলডিপি সভাপতি অলি আহমদ বলেছেন, বাংলাদেশে এখন টাকা থাকলে সব রকম অন্যায় করে পার পাওয়া যায়। আপনি কি তা ঠিক মনে করেন?